কবি সুবোধ সরকার ও কবি বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সঙ্গে আড্ডা: ১৭ জুন শনিবার সকাল ১১ টায় পাঠক সমাবেশ কেন্দ্র, কাঁটাবন, ঢাকার উদ্যোগে কবি সুবোধ সরকার ও কবি বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সঙ্গে আড্ডা অনুষ্ঠিত। অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী’র সভাপতিত্বে বিভিন্ন বাচিক শিল্পীর পরিবেশনায় ছিল কবি সুবোধ সরকার এবং কবি বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর কবিতার মনোরম পরিবেশনা। উপস্থিত বরেণ্য কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, ছড়াকার আসলাম সানী, কবি ও কলামিস্ট আবুল খায়ের, বাচিক শিল্পী সৈয়দা সাজিদা খানমসহ আরো অনেক কবি, লেখক ও এক ঝাঁক বাচিক শিল্পী। সমন্বয়কারি: মাসুম আজিজুল বাসার, পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন: ড. শাহাদাৎ হোসেন নিপু।
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
যদি আবার কখনো সুদিন আসে তানিয়া আফরোজ যদি আবার কখনো সুদিন আসে বলবো তোমায় মনের কথা পারিজাত ফুল তোমায় দেবো হৃদয়ের অলিগলির নিষ্কন্টক ভাগ দেবো। যদি আবার কখনো সুদিন আসে তাপদাহে শীতল পরশ হবো ঝুম বরষায় ছাতা হবো তোমার ক্লান্তি ধুয়ে দেবো। যদি আবার কখনো সুদিন আসে সুখ সারীর গান হবো শাপলা বিলের লাল শাপলা হবো আমায় দেখে মন রাঙাবে। যদি আবার কখনো সুদিন আসে তোমার উদোম বুকের সুখ হবো বসন্তের কোকিল হবো তোমার মনের বনে ফুল ফোটাবো। যদি আবার কখনো সুদিন আসে দক্ষিণা দুয়ার খুলে দেবো শীতল পাটি বিছিয়ে দেবো জোসনার আলোয় মন ভিজাবো। যদি আবার কখনো সুদিন আসে…
আমি বলছি না তসলিমা হাসান আমি বলছি না যে, আমাকে ভালোবাসতেই হবে। শুধু চাইছি, আমার জন্য কেউ অধীর আগ্রহে অপেক্ষার প্রহর গুনবে। কেমন আছি জানার কৌতুহলে বাড়বে অস্থিরতা। মন খারাপের কারণ অনুসন্ধানে বাড়বে ব্যাকুলতা। আমি বলছি না যে, আমাকে তোমার অধিকার দাও। কেবলমাত্র চাইছি, নীরবে- নিভৃতে এসে কেউ আমার বুকের ভিতর থেকে ভিতরের না বলা তীব্র যন্ত্রণা আর কষ্টের উঁচু পাহাড়টা ভেঙে সমান করে দিবে। আমি বলছি না যে, তোমার ভবিষ্যতটা আমাকে দাও। চাইছি শুধু, আমার সম্মুখীন হয়ে কেউ আমায় প্রশ্নবিদ্ধে আবদ্ধ করবে — তোমার চুলগুলো এতো এলোমেলো কেন? চোখে কাজল আঁকোনি কেন? কেন ঠোঁটে লিপস্টিক পড়নি? আমি বলছি না…
বাবা রাবেয়া আহমেদ চামেলী বাবা হচ্ছে এক বিশাল ভালবাসার নাম তারা কি আমাদের কাছ থেকে পেয়েছে প্রকৃত দাম? জীবনের সুখ দুঃখ ত্যাগের মাঝে সারাক্ষণ সারাজীবন থেকেছে কাজে মনের আশা পূরণ করা তাদের কি নাহি সাঝে? নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়ে সারাক্ষণ সারা মূহুর্তে রয়েছে নিরহংকার। বাবা মানে এক বিশাল পলক তাইতে সারাক্ষণ দিয়ে থাকে ঝলক। বাবা হচ্ছে ত্যাগ তিতিক্ষার এক শোলক, আত্ম নির্ভরশীলতার এক মহিমান্বিত ব্যক্তি। তাদের থেকে সন্তান পাই মনের শক্তি। কখনো তারা প্রকাশ করে না বিরক্তি। বাবা মানে রঙিন প্রজাপতি বাবা মানে একরাশ মুক্ত মতি। এভাবে সবার হৃদয়ে সৃষ্টি করে সুন্দর সুন্দর উক্তি। বাবা হচ্ছে বড় হবার হাতিয়ার। তার…
ভারত ও বাংলাদেশের কবিদের নিয়ে যুগল কবিতা সন্ধ্যা: ১৬ জুন শুক্রবার বিকাল ৫ টায় প্রতিবিম্ব প্রকাশ ও পারফর্মিং আর্ট সেন্টারের উদ্যোগে ভারত ও বাংলাদেশের কবিদের নিয়ে ছিল এক মনোজ্ঞ সাহিত্য আয়োজন। প্রথম পর্বে- বাংলাভাষার প্রখ্যাত কবি, পশ্চিমবঙ্গের কবিতা আকাদেমির সভাপতি সুবোধ সরকার ও বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি বৈশ্বিক কণ্ঠস্বর রেজাউদ্দিন স্টালিন একাধিক কবিতা পাঠ করেন।দুজনের পাঠ অসাধারণ ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে।সুবোধ সরকার বলেন বাংলাদেশ বাংলাসাহিত্যের উর্বর ভূমি, এখানে এসে আনন্দ ও গৌরব বোধ করছি। রেজাউদ্দিন স্টালিন বলেন যে কবিতায় জীবনের প্রতিফলন নেই সে কবিতা বাঁচে না।কথাবিন্যাসে পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট কবি ও কথাকার বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন – বাংলাদেশ আমাদের পরম নির্ভরতা দেয়,বাংলাভাষার অনিবার্য আশ্রয়।…
এ কেমন প্রেম, কেমন ভালোবাসা সুরমা খন্দকার প্রেম অধরা সুন্দর। টাকা পয়সা, সম্পদ যাকে আবদ্ধ করে তাকে প্রেম ভালোবাসা আওতায় রাখা যায় না। প্রেম ভালোবাসা বিভিন্ন রকম, দেশের জন্য প্রেম, বিপরীত লিঙ্গের মানুষের প্রতি প্রেম, অর্থ প্রেম। অনেক ক্ষুদ্র এবং ক্ষনস্থায়ী ছোট্ট এ জীবন। তাই যতই স্বতঃস্ফূর্ত সমাদর করবেন জীবন কে অসীমতার অতিশয় সংবর্ধনা দিবে জীবন। অসঙ্গতির আদলে জীবন যতই হোক যেমন, শূণ্যতা পূরনের লাবন্যতা না খুঁজে নিজেকে খুঁজতে হয়, আবিস্কার করতে হয় ভিতর থেকে। সততার সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক রক্তের সঙ্গে মাংসের মতো নিবিড়। সেখানে ব্যক্তির, স্থানের, সময়ের, জলের নামের সঙ্গেও জড়িয়ে থাকে ভালোবাসা। পুরোনো ইতিহাস, পুরোনো দিনকালে ভালোবাসা একই…
ধূমকেতু কাজী নজরুল ইসলাম আমি যুগে যুগে আসি, আসিয়াছি পুন মহাবিপ্লব হেতু এই স্রষ্টার শনি মহাকাল ধূমকেতু! সাত— সাতশো নরক-জ্বালা জলে মম ললাটে, মম ধূম-কুণ্ডলী করেছে শিবের ত্রিনয়ন ঘন ঘোলাটে। আমি অশিব তিক্ত অভিশাপ, আমি স্রষ্টার বুকে সৃষ্টি-পাপের অনুতাপ-তাপ-হাহাকার— আর মর্তে সাহারা-গোবি-ছাপ, আমি অশিব তিক্ত অভিশাপ! আমি সর্বনাশের ঝাণ্ডা উড়ায়ে বোঁও বোঁও ঘুরি শূন্যে, আমি বিষ-ধূম-বাণ হানি একা ঘিরে ভগবান-অভিমুন্যে। শোঁও শন-নন-নন-শন-নন-নন শাঁই শাঁই, ঘুর্ পাক্ খাই, ধাই পাঁই পাঁই মম পুচ্ছে জড়ায়ে সৃষ্টি; করি উল্কা-অশনি-বৃষ্টি,— আমি একটা বিশ্ব গ্রাসিয়াছি, পারি গ্রাসিতে এখনো ত্রিশটি। আমি অপঘাত দুর্দৈব রে আমি সৃষ্টির অনাসৃষ্টি! আমি আপনার বিষ-জ্বালা-মদ-পিয়া মোচড় খাইয়া খাইয়া জোর বুঁদ হয়ে…
বর্ষার প্রতি নিবেদন হুসাইন আহমেদ হিরু বর্ষা তুমি প্রিয়তমার চুল ভিজিয়ে দাও, আমার তরে তার হৃদয়ের গভীর প্রেম জাগাও। আমি যেন তার হৃদয়ের সুরের ঐকতানে, বৃষ্টির টিপটিপ তালে প্রিয়াকে পাগল করি গানে। বৃষ্টির প্রতি ফুটার প্রতি করি আহ্বান, বেতালে তুমি পরো নাকো প্রিয়ার জন্য গাইতে দিও গান। বিজলীর চমকে শিহরিত প্রিয়া আসবে আমার বুকে, তোমার আবেশে অনন্যাকে জড়িয়ে নেব সুখে। ঝড়ো বাতাসে বইবে যখন নিয়ে রাশি রাশি বৃষ্টি, ভালোবাসায় প্রিয়া আর আমি করব প্রেমের মহাকাব্য সৃষ্টি। ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে সিক্ত হব মোরা, মোদের ভালোবাসায় হবে বিশ্বজয় সূচিত বসুন্ধরা। বৃষ্টিস্নাত এইযে বিকেল মোরা করব স্মরণীয়, প্রেম সাগরে আজ যে সুধা জাগিছে তা…
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে “পরিবেশ রক্ষায় আমাদের করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভা ও কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠান ২০২৩: গতকাল ১৪ জুন, বুধবার বিকেল ৫ টায় “সামাজিক ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা” এর উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে “পরিবেশ রক্ষায় আমাদের করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভা ও কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠান ২০২৩ বাংলাদেশ শিশুকল্যান পরিষদ মিলনায়তন, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: নাজিম উদ্দিন আল আজাদ (সাবেক ধর্ম ও পানি সম্পদ মন্ত্রী) প্রধান আলোচক: পীরজাদা শহিদুল হারুন (অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব) উদ্বোধক: আর্চায নজরুল ইসলাম তামিজী (চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি) মূলপ্রবন্ধক: মোঃ নূর হাকিম (সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক সকালের সময়) সভাপতিত্ব করেন:…
স্পর্শ গোধূলি বেলায় হাটতে হাটতে অনুভব করি তুমি পাশে, ছোঁয়া পাই তোমার নিঃশ্বাসের বাতাসের ঝিরি ঝিরি কোমল পরশেI কি জানি কখন শীতলতায় ডুবে যাই, গভীর আলিঙ্গনের অপেক্ষায় আবার ও ডুবে যাইI ভেসে যাই নগ্নতায় তলিয়ে যাই গভীর অরণ্যে, হটাৎ কোথা থেকে মিষ্টি সুবাসে জেগে উঠি জীবন সায়াহ্নেI বন্ধু যে নামেই ডেকো না কেন বন্ধু তো বন্ধুই, নাম নেই, ভয় নেই, ভুল বোঝাবোঝি নেই, নির্ভরতায় ডুবে ভাবি সে তো আছেইI সমস্ত হতাশাগুলো ঢেলে দিয়ে আশায় থাকি সব সমাধান সে করে দেবে যেন ! উল্টো চিৎকার করে, অঙ্গুলি তুলে বলি চুপ করে থাকিস কেন ! এমন নিজের মতো করে কাউকে পেয়ে…
