জামাই যখন শ্বশুর বাড়ি হুমায়ুন কবির (নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় রচিত) মাগো মা, হুইনছেননি কিয়ারে বেচু,কি অইছে? ভাইচাব আইয়্যের হছানি আয়ো। আঁই কিল্লাই মিছা কতা কইয়ুম হেতে অন কোনাই? উত্তর হাতরতুন আইতে আঁই দেখছি হেতন আডোর দিকে যায়। হেতন আইটতে আইটতে কইছে বেচু আঁই আডোতুন আইতেছি তোগো বাইত যাইয়ুম আইচ্ছা। ওলেদি ও লেদি হুইনছতনি কিয়াগো মা, কি কননি, কন তোর জামাই আইয়্যের। হেতারে ভাত খাবান লাগদন? খাইব, তই কি অইছে তই কিছু তো রাঁধন লাইকব। মা, কিয়া কন, ইছা মাছদি হাপলা রাইনচি, আবার কেলা গাছের বরগে গড়ি মাছদি মরিচখোলা রাইনচি। হেতনে এগেইনদি খাইবো। কিয়াকছ তুই এগেইন। জামাইরে এগেইনদি ভাত কেন্নে দেয়।…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
নজরুল সংগীতশিল্পী ফিরোজা বেগম: জন্ম: ২৮ জুলাই ১৯৩০ মৃত্যু: ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪ নজরুলসঙ্গীত শিল্পী ছিলেন। সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে তিনি নজরুল সঙ্গীতের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। ভারতীয় উপমহাদেশে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তাকে বাংলা সঙ্গীতের প্রতীকিরূপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফিরোজা বেগমের জন্ম ১৯৩০ সালের ২৮ জুলাই ফরিদপুরের গোপালগঞ্জ মহকুমার (বর্তমান জেলা) রাতইল ঘোনাপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে। তার বাবার নাম খান বাহাদুর মোহাম্মদ ইসমাইল এবং মায়ের নাম বেগম কওকাবুন্নেসা। শৈশবেই তার সঙ্গীতের প্রতি অনুরাগ জন্মে। ১৯৫৪ সাল থেকে কলকাতায় বসবাস করতে শুরু করেন। ১৯৫৫ সালে সুরকার, গায়ক ও গীতিকার কমল দাশগুপ্তের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।১৯৬৭ সালে ঢাকায় ফিরে আসেন।…
ববিতা, শুভ জন্মদিন ৬৮ বছরে পা রাখলেন জীবন্ত কিংবদন্তি প্রকৃত নাম: ফরিদা আক্তার পপি জন্ম: ৩০ জুলাই, ১৯৫৩ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী এবং প্রযোজক। তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ৭০-র দশকের সেরা অভিনেত্রী ছিলেন। তিনি ১৯৭৩ সালে ২৩তম বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব থেকে গোল্ডেন বীয়ার জয়ী সত্যজিৎ রায়ের অশনি সংকেত চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে প্রশংসিত হন। ববিতা ৩৫০ এর বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তিনি ১৯৭৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তনের পর টানা তিনবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার জেতেন।এছাড়া ১৯৭৬, ১৯৭৭,১৯৮৫ সালে আরেকবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী, ১৯৯৬ সালে শ্রেষ্ঠ প্রযোজক, ২০০২ ও ২০১১ সালে পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী। এছাড়া ২০১৬ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আজীবন…
জীবন আয়েশা সিদ্দিকা “কনক” যে দেশে শিশির বিন্দু, সেখানেই আজ দুঃখের সিন্ধু। সুখ-দুঃখের ঢেউ খেলানো জীবন নদীর বাঁকে, সুখকে খুঁজে বেড়াই আজও কাঁটার পথে আঁধার রাতে। কলমে: আয়েশা সিদ্দিকা “কনক” স্থান: মন্ট্রিয়েল, কুইবেক, কানাডা তারিখ: বৃহস্পতিবার, ৩ রা পৌষ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ / ১৭ ই ডিসেম্বর ২০২০ খ্রীস্টাব্দ
ক্ষুদে চিত্রশিল্পী আরাফাতের চোখে: আমাদের গ্রাম চিত্রশিল্পী’র নাম: আরাফাত বয়স: ৭ বিষয়: আমাদের গ্রাম গ্রামের বাড়ি-ঘর, হাঁস-মুরগী, মাঠ , গ্রামের পাশ দিয়ে নদী, তার পাশে একটু উঁচু পাহাড়। স্কুল: চাইল্ড হ্যাভেন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা।
জোসনার ত্রিশূল এম, আবু নাসের, নোয়াখালী ও জোসনা এই স্নিগ্ধ আলোতেও আমি ঝলসে যাচ্ছি, খসে যাচ্ছে হৃদয়ে ব্যথার প্রলেপ ঢাকা এই চামড়া। নিজের ছায়ায় নিজেকেই হারিয়ে খুঁজছি এ, এক অষ্ট প্রহর কানামাছি খেলা, চারিদিকে নীলাভ আলোর রোশনাই যেন জোসনার ত্রিশূল হয়ে বিঁধছে বুকে বারে বার। আমি জোসনা চাই না জোসনা… চাই দুহাত পেতে, নেমে আসুক ঘোর অমানিশা।
আসাদ বিন হাফিজ Asad bin hafiz কবি, প্রাবন্ধিক, কথাসাহিত্যিক, অনুবাদক, সংগঠক ও প্রকাশক। ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার অন্তর্গত বড়গাও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মুহাম্মদ হাফিজউদ্দীন মুন্সী এবং মা জুলেখা বেগম। দশ ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট। তার স্ত্রী কামরুন নেছা মাকসুদা একজন সাংবাদিক। সন্তান ১. আহমদ শাওকী, ২. নুসাইবা ইয়াসমীন, ৩. আহমদ শামিল। তিনি ফরিদাবাদ হাইস্কুলে থেকে ১৯৭৪ সালে এসএসসি; ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৭৬ সালে এইচ এস সি; ১৯৮০ সালে স্নাতক (সম্মান) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৩ সালে মাস্টার্স বাংলাসাহিত্য পাশ করেন। পেশাগত জীবন শুরু করেন অধ্যাপনা দিয়ে। তারপর সাংবাদিকতা ও প্রকাশনা ব্যবসা। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছেন।…
একাকী নিশিপক্ষী এ, জে রনি, সেনবাগ নোয়াখালী এখন আর শেষ বিকেলে আকাশ দেখা হয় না আমার, নিঃসঙ্গ বিহঙ্গটা ও সঙ্গী খুঁজে পেয়েছে হয়তো। সন্ধ্যার আকাশটাও একাকী নেই, লেপ্টে বসেছে সন্ধ্যা তারা। অবহেলিত ল্যাম্প পোস্টের আলোয় আলোকিত অন্ধ পথ। তন্দ্রায় আচ্ছন্ন হয়তো সবাই, তবে, কেন আমি আলোহীন তন্দ্রাহীন, একাকী নিশিপক্ষী..
খাঁটি কথা আসাদ বিন হাফিজ খাঁটি কথা আঁটি বেঁধে পাটির নিচে রাখো খাঁটি কথা রা’টি নয়, ঢাকনা দিয়ে ঢাকো। ইমিটেশন দিয়ে সোনার গয়না গড়ে পরো যে দেখেনি আসল যুদ্ধ তারে বানাও বড়ো। রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা লাঙল ঠেলে খায় মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী হয়, ভয়েতে যে পালায়। মারা যদি যেতো সে, দেশ চালাতো কেডা যুদ্ধকালে পালায় যে, সেই আসলে বেডা। একাত্তুরের মুক্তিযোদ্ধা? হাঁটাহাঁটি করো খাঁটি যোদ্ধা হলে তুমি ঐক্যটা ফের গড়ো। পাকি রেশন খেকো যে, মুকুট পরাও তারে তারা অতি চালাক চতুর ধান্ধাবাজি পারে। খাঁটি কথা পাটির নিচে, হাঁটো তুমি হাঁটো মুক্তিযোদ্ধা খাঁটি তবে, আঙুল বসে চাটো। দেশ চালাবে দুয়োরানী, সুয়োরানী জেলে দেশটা চলে…
করোনার টিকা – মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ ভাত খাবো না টিকা খাবো এই প্রশ্ন যাদের চেয়ে দেখি অবাক হয়ে নিত্য দেখি তাদের। বেঁচে থাকার লড়াই চলে বেঁচে থাকার লড়াই ২য় ডোজ টিকা নিয়ে আমরা করি বড়াই। সেই আমাদের যখন দেখি রিপোর্ট পজেটিভ ওদের দেখি হর হামেশা কেবল নেগেটিভ। এসব দেখে কেমনে বুঝি করোনা যে কীট! আল্লাহ তোমার আদালতে করে দিলাম রিট। তুমি বাঁচাও তুমি মারো তোমার লীলাখেলা! এসব দেখে কেটেই যায় আমার সারাবেলা।
