Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

ড. আসিফ নজরুল-এর ‘পিএইচডির গল্প’ বইয়ের আলোচনা: ভাল লাগতে পারে আপনাদের। পিএইচডির গল্প নামের ১১৯ পৃষ্ঠার এই বইটা এর থেকে পারফেক্ট করে লেখা যেত না। নিজের গল্প এইভাবে নিজে বলতে পারাটা সহজ না। কোনো কিছু অতিরিক্ত বলা হয় নি, কোনো কিছুকে আলাদা করে গ্লোরিফাই করার চেষ্টা করা হয় নি, সবকিছু নিয়ে ঠিক যতটুকু বলা যথেষ্ট ঠিক ততটুকুই বলেছেন লেখক। অল্প কথায়ই বলা হয়ে গেছে অনেক কিছু। তার নিজের ভাষায়ই বলি – “এই গল্প মানুষের জিতে যাওয়ার গল্প। এমন বিজয় আমাদের সবার জীবনে যদি নাও থাকে, তাকে ভালোবাসে না এমন মানুষ বোধহয় নেই একজনও।” আমার সবসময় মনে থাকবে এমন একটা বই…

আরো পড়ুন

সীমার সীমাহীন বিড়ম্বনা ইসরাত রুবাইয়া সীমা বাচ্চাকে নিয়ে স্কুলে যেত প্রতিদিন। খুব মিষ্টি হাসি খুশী মেয়ে। কখনো দেখিনি রাগ করতে। কালো হলেও দারুণ চেহারা, চোখ দুটি বড়ো বড়ো আলাদা একটা সৌন্দর্য বিরাজ করে তাতে অনেকই আসতো স্কুলে।একজনে সাথে প্রতিদিন কথা হতো। সেও তার বাচ্চা নিয়ে স্কুলে আসতো। সে ছিল একজন কুচরিত্রের লোক। কি আর করার সমাজে বাস করতে হলে ভালো মন্দ সবার সাথে মিশতে হয়। কথাও বলতে হয়। খুব প্রভাবশালী ছিল সে লোক। দেখতে খুব সুন্দর। সীমা ভয়ে কুঁকড়ে থাকতে। ভাবতো তার সাথে দেখা না হলেই ভালো। মাঝেমধ্যে ওর বউ আসতো স্কুলে বাচ্চা নিয়ে। সে দিন সীমা খুব খুশি হতো।…

আরো পড়ুন

চিঠি দিও কবি মহাদেব সাহা করুণা করে হলেও চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিও আঙ্গুলের মিহিন সেলাই ভুল বানানেও লিখো প্রিয়, বেশি হলে কেটে ফেলো তাও, এটুকু সামান্য দাবি, চিঠি দিও, তোমার শাড়ির মতো অক্ষরের পাড়-বোনা একখানি চিঠি। চুলের মতন কোনো চিহ্ন দিও বিস্ময় বোঝাতে যদি চাও … বর্ণণা আলস্য লাগে তোমার চোখের মতো চিহ্ন কিছু দিও! আজো তো অমল আমি চিঠি চাই, পথ চেয়ে আছি, আসবেন অচেনা রাজার লোক তার হাতে চিঠি দিও, বাড়ি পৌঁছে দেবে …. এমন ব্যস্ততা যদি শুদ্ধ করে একটি শব্দই শুধু লিখো, তোমার কুশল! … করুণা করে হলেও চিঠি দিও, ভুলে গিয়ে ভুল করে একখানি…

আরো পড়ুন

কুকুরছানা খেলোয়াড় এবং কুকুরছানা – (শিশুদের কবিতা) – আলিনা পেট্রোনেলা হুলুবেই (রোমানিয়া) একদিন ছোট্ট মেয়ে আমার সামনে এসেছিলো এবং সে আমাকে একবারে এভাবে দিয়েছে খেলার জন্য কিছু একটা তার পশম ছিল না । এবং কোন লেজ নেই । এবং একটার মধ্যে সে খাচ্ছিল । এবং সে এত কালো ছিল! তার উপরে এবং চিমটি আমি, একজন প্রফুল্ল কমরেড হচ্ছি, আমার মত চঞ্চল, আমি সবসময় একটি কৌতুক করছিলাম । সে সব সময় রাগ করে । গল্পের জন্য আমার সময় ছিল না । সে সবসময় আমাকে বিরক্ত করে আমি, ম্যানার থেকে ছড়াচ্ছি, আমি একটি কুকুরের মত অনুভব করেছি এবং আমরা উঠানের চারপাশে কত…

আরো পড়ুন

ভণ্ড মাতাল ও উন্মত্ত অপ্সরী ইমরোজ সোহেল ঋণী হয়ে যাই অযাচিত দুঃখের কাছে সুখ ময়ুরের মতো পেখম দুলিয়ে নাচে বেদনার জল সিঁথির সমুদ্র থেকে আলগোছে নীচে পড়ে যায়। সেই জলে স্নান করে পরিযায়ী পাখি আমি তাকে উন্মুখ বেহারার মতো আদরের পালকিতে রাখি সেই মেয়ে আনন্দে স্বয়ংভর চোখ বুজে কে না জানে, একটি মূর্খ মৌমাছিও নিপতিত শুশ্রূষা বোঝে। এতদিন পৃথিবীর সংসারে আছি দেখে যাচ্ছি জোকার আর ভণ্ডের অকুন্ঠ নাচানাচি যতই মানুষ খুঁজি পাই না কোথাও,যেখানেই এই চোখ রাখি শুধুই দেখতে পাই, ভূঁড়িওলা ভণ্ড মাতালের লোলুপ দৃষ্টির ছবি আর তার রাশি রাশি বেজন্মা উদ্ধত কড়ি তাকে ঘিরে মেতে আছে একদল রঙ্গরসে ডুবে…

আরো পড়ুন

রফিকুল হক দাদুভাইয়ের অবস্থা ভালো নেই: পঁচাশি বছরের দাদু ভাই বার্ধক্যজনিত নানান রকম শারীরিক অসুস্থতায় নিজ বাসায় দিন কাটাচ্ছেন। সবার নিকট দোআ কামনা। তিনি যেন আমাদের মাঝে আবারও ফিরে আসতে পারেন। আমিন। (দাদুভাইয়ের ৮০তম জন্মদিন -এ প্রথম আলোতে প্রকাশিত, ০৯-০১-২০১৬) দাদুভাই, ফোনটা দয়া করে বন্ধ করেন’, মঞ্চে বক্তব্য দিতে দিতে বললেন দাদুভাইয়ের শিষ্য, ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন। দাদুভাইকে শুভেচ্ছা জানাতে আসছে একের পর এক ফোন। মঞ্চে বসে হাসিমুখে মুঠোফোনে সেই শুভেচ্ছা গ্রহণ করছেন তিনি। এত ভালোবাসা যাঁর জন্য, তিনি সমগ্র দেশের ভালোবাসার মানুষ, বিশিষ্ট ছড়াকার রফিকুল হক, ‘দাদুভাই’ নামেই তিনি খ্যাত। গান লিখেছিলেন মরমি শিল্পী আবদুল আলীমের জন্য, লিখেছেন অসংখ্য…

আরো পড়ুন

একক নিজাম উদ্দিন বিশ্বাসী যে একক স্রষ্টায় স্রষ্টা যে তারে আপন বানায়, সত্য সুন্দর অন্তর খোঁজে মিলে যে তরি ,মানুষ ভজে কেউ বুঝে ,কেউ বুঝে না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ , খ্রিষ্টান এক মহাজন বাজাই যে গান কণ্ঠে যে তাদের সুরের ব্যবধান। কেউ শুনে তা কেউ শুনে না । গোপন সঞ্চারী অবোধ পাপকারী পাপঘ্ন চিত্তে জ্বলে মরি , কেমনে বলো গুরু ধরি সহজ পথিক মন হলে না

আরো পড়ুন

সম্পর্কের অবহেলা এম এ হালিম শিশির ২৮-০৭-২০২১ইং অবহেলা আর অযত্নে বেড়ে উঠা এইজীবন, তবুও বলি না কারো কাছে আমি লাঞ্ছিত জখম। জীবন যুদ্ধে বারেবারে হেরেও সফলতার নেশায়, আজও আমি বক্ষে ধারণ করি বিষক্রিয়া যন্ত্রণা। বেঁচে থাকার বোধ শক্তি ধীরেধীরে যাচ্ছে পঙ্গু হয়ে, সঙ্গী পাবার আশায় অস্থির থাকি না এখন ভূখণ্ডে। পরিযায়ী জীবনে এখন নেই রজনীগন্ধার সুবাস, কারো সম্মুখে নিজেকে নিয়ে এখন করি না সংলাপ। প্রয়োজনে কাঁটা ফুলে সম্পর্ক হয় খাঁটি, অপ্রয়োজনে দেখিছি কতো সুসম্পর্ক হয় চূর্ণবালি। সমাজ সম্মুখে নিজের দুঃখ করে না যারা প্রকাশ, সম্মান কলঙ্কিত যেন না হয়, মেকি কথায় ব’লে প্রফুল্ল। কতোজন চলে গেলো অমিল সম্পর্কের আগুনে পুড়ে,…

আরো পড়ুন

প্রমোশন! প্রমোশন! পারভীন আকতার আমি বাপু ধান্ধাবাজ! ঝানু এক ফটকাবাজ! মুখে বলি রাম নাম ধুরন্ধর ক্ষ্যাপারাম! সামনে বলি চাচা চাচা পেছনে খুঁড়ি গর্ত চ্যাঁচা! হাসির ঝলক ঝলমল হিংসায় ঠাঁসা জ্বলজ্বল। ভালো মানুষ দেখলে করি ক্ষতি কৌশলে! বলে বেড়াই কুকথা, লোক ঠকায় যথাতথা! এবার হবে প্রমোশন! ধোঁকা বাজি উচাটন! লোক দেখানো এন্ট্রি হুকুম ঝাড়ে সেন্ট্রি! আমি শেষ জামানা পা চাটা কলিযুগের সুমনা! গড়েছি সম্পদ পাহাড়! ক্ষমতায় করি সব সাবাড়! প্রমোশন! প্রমোশন! মানবতা লঙ্ঘন! চলছে সার্কাস উত্তাপ! আমি পণ্ডিত চুপচাপ! —————- পারভীন আকতার শিক্ষক কবি ও প্রাবন্ধিক চট্টগ্রাম।

আরো পড়ুন

সমুখে প্রগাঢ় অন্ধকার মুহা্ম্মাদ কিবরিয়া বাদল বিভক্ত মানবতা- সবল আর দুর্বল,ধনী-গরীব, নর-নারী, কিবা- শিশু আর কন্যাশিশুতে, যে নামেই বলো- চিহ্নিত সকলই অনৈতিকতার মূলে। মানুষ নৈতিক জীব,এখন কথার কথা- মানবতার সাথে নির্মম রসিকতা! ক্রমেই দুর্বিষহ হয়ে উঠছে মানবিক জীবনাচার- কিবা নারী কিবা নর, অথবা নিরপেক্ষ লিঙ্গের অধিকারী! যার শক্তির প্রাবল্য যতো বেশী- সেই তত বড় যালিম, হউক সে নারী কিবা নর নতূবা অন্য কিছু- স্রেফ স্থান কাল পাত্র ভেদে। নৈতিক অবক্ষয়ের এ যে অনিবার্য ফলাফল। সকল অশান্তির মূলে অনৈতিকতা বা নীতিহীনতা, বিভক্তি বাড়ায় বিদ্বেষ আর ধ্বংস হয় মানবতা। রুখে দাঁড়াও, রক্ষা করো প্রজন্মরে- সমুখে প্রগাঢ় অন্ধকার!

আরো পড়ুন