জন্মদিন-এর শুভেচ্ছা আজ ২৮ জুলাই খ্যাতিমান লেখক-অভিনেত্রী- বাচিকশিল্পী- উপস্থাপক- শিক্ষক শিরীন বকুল-এর জন্মদিন। তবে মঞ্চ, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও বেতারে নিয়মিত উপস্থিতির কারণে শিরীন বকুলের পরিচিতি প্রধানত অভিনয়শিল্পী হিসাবে। আবৃত্তিকার হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে তার। পাশাপাশি কিশাের বয়স থেকেই শুরু হয়েছিল সাহিত্য চর্চা। শিশুসাহিত্যে তিনি যেমন স্বতস্ফূর্ত বয়স্কজন পাঠ্য গল্প-উপন্যাসেও তেমনি স্বচ্ছন্দ। ইতােমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে একটি বয়স্কজন পাঠ্য উপন্যাস ও একটি ছােটগল্প সংকলন, রয়েছে একটি ছােটদের উপন্যাস ও তিনটি ছােটদের গল্প সংকলন। বাংলাভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর তিনি দীর্ঘকাল একই বিষয়ে ঢাকার একটি কলেজে শিক্ষকতাও করেছেন । সাহিত্যচর্চা তার শখের নয়, প্রাণের বিষয়। এখানে রয়েছে তার ধারাবাহিক…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
বাবা-মায়ের পাপের ফসল নাকি প্রতিবন্ধী সন্তান মনিজা রহমান, এস্টোরিয়া, নিউইয়র্ক, আমেরিকা শিরোনামটা দেখে সবাই চমকে উঠেছেন নিশ্চয়ই। কারণ এতদিন সবাইকে বলে এসেছি সৃষ্টিকর্তা স্পেশাল প্যারেন্টসকেই শুধু স্পেশাল সন্তান দেন! কিন্তু সম্প্রতি ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রচারিত এক বিশেষ নাটকে এমন ‘বার্তা’ ই দেয়া হল দর্শকদের। নাটকের নাম- ঘটনা সত্য, পরিচালক রুবেল হাসান, চিত্র নাট্যকার মাইনুল শানু এবং বাবা ও মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন আফরান নিশো ও মেহজাবিন চৌধুরী। নাটকটি প্রচারিত হবার পরে চারদিকে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। স্পেশাল নিডস সন্তানের বাবা-মায়ের আপত্তির মুখে নাটক সংশ্লিষ্টরা ক্ষমা চেয়ে ভুল স্বীকার করেছেন। আর জানিয়েছেন ‘অসাবধানতাবশত:’ এই কাজটি করেছেন তারা। একটি নাটক নির্মাণ এক-দুই…
যখনই নিজেকে ঈশ্বর ভাবো পতন তখনই শুরু লুৎফর রহমান রিটন (কানাডা) ক্ষমতা এবং টাকার দম্ভে অন্যকে ভাবো তুচ্ছ কাক ছিলে আগে কিন্তু লাঙুলে লাগিয়ে ময়ূরপুচ্ছ– সেজেছো ময়ূর। কিন্তু স্বভাবে থেকে গেছো সেই কাকটাই! পরনে যতোই শাদা পাঞ্জাবি-স্যুট-বুট-শার্ট থাক-টাই যতোই নিজেকে দাবি করো তুমি অভিজাত শ্রেণি, ব্রাহ্ম– ব্রাণ্ডের দামি জামার আড়ালে থেকে গেছো তবু গ্রাম্য! দর্পণে তুমি দেখো না নিজের সত্যিকারের হালটা সারা দেহ জুড়ে মুখমণ্ডলে চড়িয়ে বাঘের ছালটা বাঘ সাজলেও তোমার হালুমে আসে না বাঘের গর্জন প্রশ্নের মুখে পরে যেতে পারে তোমার সকল অর্জন। সব হয়ে যেতো চোখের পলকে তোমার একটু ইশারায়– ছিলো কতিপয় যারা ক্ষণে ক্ষণে চাটুকারিতায় দিশ হারায়,…
ফ্রিজ! রুমানা মোকবুল রবিন একজন ব্যবসায়ি। খুলনার ছেলে। মাসে মালামাল কিনতে দু’বার ঢাকা নারায়ণগঞ্জে আসে।দুরত্বের কারণে দিনে এসে দিনে যাওয়া সম্ভব হয় না। একদিন থাকতে হয়। আশেপাশে তেমন কোন আত্নীয় স্বজন না থাকায় একটা বাড়ির নীচ তলায় একটা রুম ভাড়া নিয়ে ওখানেই থাকে। যদিও মাসে দু-তিন দিনের জন্য তবুও এছাড়া কিছুই করার নেই। ভাড়া তেমন না। ওই মাসে হাজার টাকা দিলেই হয়। রবিনের সংসারে মোটে চারটে মানুষ। মা বাবা-মা আর একটি মাত্র বোন।মায়ের খুব ইচ্ছে রবিন বিয়ে করে ঘরে বউ নিয়ে আসুক।রবিন বলে, সময় হলে ঠিক করে নিবে। নারায়ণগঞ্জ আসা যাওয়া করতে করতে রবিন যে বাড়িতে থাকে সে বাড়ির বাড়িওয়ালার…
কেস স্টাডি ১. নাম প্রকাশ করছিনা । খবরটি আৎকে দেওয়ার মতো দেশের ্একজন নামকরা চিকিৎসক এবং ওনার স্ত্রীও একজন নামকরা চিকিৎসক । দু’জনের কর্মব্যস্ততায় দেশের সবচেয়ে বড় মেবিকেল কলেজটি যেন প্রাণবন্ত হয়ে উঠত।কিন্ত একদিন প্রিয়তমা স্ত্রীর স্তনে টিউমারের কথা শুনে হঠাৎই চমকে গেলেন ডাক্তার । সাথে সাথেই স্ত্রীকে গালমন্দ করলেন এবং এর বিশেষ ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব করলেন না। কেন স্টাডি ২.সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় পাস করা উর্মি। বি সি এস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ভীষণ ব্যস্ত। অনেক দিন ধরেই তার বা স্তনটা ব্যথা করছে কিন্তুসে দিকে তার খেয়াল নেই। এখাবে বেশ কয়েকদিন তার কেটে গেল । কিন্তু পরীক্ষার দিন আসতেই তার বা স্তনে প্রচন্ড…
খুকির বায়না রাশিদা আক্তার খুকি যাবে নানু বাড়ি ধরেছে সে বায়না, কিনে দিতে হবে তারে লাল জামা আয়না। লাল জামার সাথে সাথে লাল জুতো চাই, লাল ফিতা লাল টিপ তাও যেন পাই। এসব কিনে না দিলে নানু বাড়ি যাবে না, বাবার সাথে আড়ি তার ভাত সে আজ খাবে না।
বালিশ তুই কার? সেলিম ইসলাম খান হায়রে বালিশ! শুধাই তোরে বল না তুই কার? তোর তলাতে পিস্তল কেন বল নারে আবার। বালিশ শুধু মুচকি হাসে আমি মরি ত্রাসে, ঘাম নয়রে রক্ত বেরোয় এই বুকের ঘাসে। অমনি পাশে গর্জে ওঠে ঘুমাও তাড়াতাড়ি, কি আর করি বালিশ সাথে তখনি দেই আড়ি। ভাবছি তবু ঘুমিয়ে গেলে গালে কেন পালিশ? ঘুমহীন এই রাত যে গেল কারে করি নালিশ! বালিশও নয় পালিশও নয় মানবে না কেউ শালিশ! অবশেষে নিজের গালই করতে হল মালিশ!
আব্দুল আলীম এর জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধা জন্ম: জুলাই ২৭, ১৯৩১, তালিবপুর গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ মৃত্যু: সেপ্টেম্বর ৫, ১৯৭৪ “সব সখীরে পার করিতে নেব আনা আনা” কিংবা, পরের জায়গা পরের জমিন, নাইয়া রে নায়ের বাদাম তুইলা, সর্বনাশা পদ্মা নদী, হলুদিয়া পাখী সোনারই বরণ, এই যে দুনিয়া কিসেরও লাগিয়া, দোল দোল দুলনি রাঙা মাথায় চিরুনী, দুয়ারে আইসাছে পালকি নায়রি গাও তলো, মনে বড় আশা ছিল যাবো মদীনায়, এমন সব গানের ভেতর দিয়েই বেঁচে আছেন তিনি। কখনো, কোনকালেই বাংলা গানের ভূবণ থেকে হারিয়ে যাবেননা আব্দুল আলীম। বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে যাঁকে পরিচয় করিয়ে দেবার কোন অবকাশ নেই। বাংলা লোক সংগীতকে তিনি নিয়ে গেছিলেন…
খুকুমনি আজিজুন নাহার আঁখি আম পাকে জাম পাকে পাকে কলা লিচু, খুকুমণি রাগ করেছে খায় না সে কিছু। চাই তার লাল জামা চাই লাল ফিতে, সব কিছু না পেয়ে চায় না সে খেতে। মা বলে সব দিব রাগে না মামণি, খুকু বলে বাবাকে এনে দাও এক্ষুনি। বাবা যাবে হাটেতে জামা ফিতে আনতে, তাই দেখে খুকুমণি সাথে চায় যেতে। টুকটুকে লাল রঙে খুকুমণি সাজছে, খুশিতে সে চারদিকে ঘুরে ঘুরে নাচছে।
আসুক নূতন ক্ষণ খোদেজা মাহবুব আরা ২৭—০৭—২০২১ ইং জীবন ব্যাপ্ত আকাশ নক্ষত্র স্বপ্ন বিলাসে দুঃস্বপ্ন ছেয়ে থাকে দীর্ঘ আভাসে আকন্ঠ গড়লে বিষাক্ত জীবনের অন্ধকার থাবা দৃপ্ত অহংকারে আজন্ম নীল পরিসেবা। পার্থিব জীবন তৃপ্তিহীন এক অন্য অন্ধকার আলোহীন সব দ্বার রুদ্ধ তার লাভ ক্ষতির হিসেবেই কেটে যায় দিন জীবনের কাছে জমে আছে ঋণ। প্রকৃতির কাছে সপে দেয়া ক্লান্ত হৃদয় বিষন্ন সন্ধ্যায় ধূসর মনে হয় নতজানু প্রার্থনায় তাই নত মোর মন নূতন সম্ভাবনায় আসুক নূতন ক্ষণ।
