হে ইসরাইল মোঃ মাইদুল ইসলাম মার গুলি প্রাণ নেয় তবুও অধিকার দেয়, বুকের জমানো ব্যথা উঠবে ঝড় হুঁশিয়ার হও দখলদার। বিশ্বের কোণে কোণে জন্ম নিচ্ছে নব্য তুর্কি কত রুখবে, কত আছে তোর বন্দুক, উত্তাল সমুদ্রে তুই শুধু এক কণা “হে ইসরাইল” এখন থেকে হও সাবধান। রক্তের হোলি দেখে, জানি তোর চোখ কাঁদে না তোর অনুসারী যারা, তারাও মানবতা মানে না। তুমি আজ অন্ধ সব জায়গায় করো দ্বন্দ্ব, আর নয় বসো এক টেবিলে দোহাই খেলো না আর নতুন খেলা। ভেঙে দিও না ধৈর্যের বাঁধ অপেক্ষায় থাকো আসবে নতুন আঘাত, অনেক হারিয়েছি আর নয় প্রতিশোধ নেওয়ার এখনই সময়।
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
বঁধু বেদনা লিপি আক্তার কেন বেদনা ওঠে উথলি কেন মন নদী টলমল, কেন এত মায়া কেনইবা আঁখি জল! কেন এ আকুতি বঁধু মোর দূরে গেলে, কেন শূন্য লাগে চারিদিকে চাহিলে! কেন পোড়ামন বারবার বঁধু পানে যায় ছুটে, কেন হৃদয় অকারণ ব্যথায় লুটে! কেন বঁধু দুখ-যাতনা সদা বুকে বাজে, কেন তব হিয়াতলে ক্ষণে শিহরণ জাগে! কেন বঁধু তরে পুড়িতে সাধ হয়, কেন অবুঝ হৃদয় দিবা-রাতি হয় ক্ষয়!
আমজাদ হোসেন জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জন্ম: ১৪ আগস্ট ১৯৪২ মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ অভিনেতা, লেখক এবং চলচ্চিত্র পরিচালক। ব্যতিক্রমধর্মী এই চলচ্চিত্র নির্মাতা তার কর্মজীবনে ১২টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন। সাবিনা ইয়াসমিনের (১৩টি) পর তিনি সর্বাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী। এছাড়া তিনি প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন এবং এক আয়োজনে পাঁচটি বিভাগে (গোলাপী এখন ট্রেনে চলচ্চিত্রের জন্য) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। পরবর্তীকালে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে এই দুটি কৃতিত্ব গড়েন গাজী রাকায়েত। আমজাদ হোসেন জন্ম১৪ আগস্ট ১৯৪২ জামালপুর, বাংলাদেশ মৃত্যু১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ (বয়স ৭৬) ব্যাংকক, থাইল্যান্ড সন্তান সাজ্জাদ…
রঙিন দিনগুলো মনিরুজ্জামান মনির আগের রঙিন দিনগুলো ছিলো কত সুন্দর, মানুষজনও ছিলো ভালো ভালো ছিলো অন্তর । এখনকার দিনে কেউ কাউকে করে না সহযোগিতা, দিন দিন খারাপ কাজের হচ্ছে– প্রতিযোগিতা । দাঁড়িয়াবান্দা, গোল্লাছুট খেলতে যেতাম মাঠে, খেলা শেষে গোসল করিতাম শান বাধানো ঘাটে । গাজী কালুর কিচ্ছা শুনতে যেতাম পাশের গ্রামে, সারা রাত্র শুনিতাম কিচ্ছা পাটিতে বসে আরামে । পৌষ আর মাঘ মাসে যতোই করিতো শীত, দল বেধে যাত্রা পালার শুনতে যেতাম গীত । খেলা ধুলা, গান বাজনা যতোই ছিলো নেশা, সংসার ধর্ম সাজিয়ে এখন কর্মটা হলো পেশা । বর্তমানে এগুলো আমি যতোই বলি অল্প, নতুনরা মনে করবে আবোল তাবোল…
১৫ ই আগস্ট শোকাবহ দিন ফরিদা বেগম 15/8/2021/ বঙ্গবন্ধু ছিলেন আমার শ্বশুর ডাক্তার কে আহমেদ-এর সমসাময়িক। তার সঙ্গে বঙ্গ বন্ধুর অন্তরঙ্গতা ছিল। বঙ্গবন্ধু মাঝে মাঝে রাজনৈতিক কারণে ঝিনাইদা আসতেন। ঝিনাইদা আসলে তার বাড়িতে আসত। আমার শ্বশুরের মুখেই শুনেছি বঙ্গবন্ধুর বিশাল হৃদয়ের কথা। সেই থেকেই বঙ্গবন্ধুকে বুকে ধারণ করেছি। মনের গভীরে শ্রদ্ধা আর সম্মান এর স্থান দিয়েছি। প্রায় ৩০ বছর আগে একদিন ঢাকায় তার ধানমন্ডির ৩২নম্বর-এর বাড়িতে ছুটে গেলাম কৌতুহলী এবং গভীর ভালোবাসার টানে। যেখানে বন্ধবন্ধু এবং তার পরিবার পরিজন ঘাতকের আঘাতে শাহাদাত বরণ করেছিলেন। সঙ্গে ছিল আমার হাজব্যান্ড এবং আমার বড় ভাসুরের ছেলের বউ ঝুমুর। বাড়িতে ঢুকতেই একটা থমথমে বিষন্ন…
সেবা প্রকাশনীর জনপ্রিয় গোয়েন্দা সিরিজ ‘মাসুদ রানা’র বেশিরভাগ বই এর লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন নন, বরং শেখ আবদুল হাকিম।ধ্বংস পাহাড় দিয়ে মাসুদ রানা সিরিজের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এবং এই সিরিজের স্রষ্টা হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন কাজী আনোয়ার হোসেন। মাসুদ রানা সিরিজের এ পর্যন্ত বই বেরিয়েছে ৪৬০টিরও বেশি। জনপ্রিয় এই সিরিজের প্রথম দিকের গুটিকয় বই ছাড়া বেশিরভাগ বইয়ের লেখক শেখ আবদুল হাকিম- এতদিন এই তথ্যটি জনশ্রুতি আকারে থাকলেও রোববার কপিরাইট অফিস এক রায়ে জানিয়েছে, মাসুদ রানার লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন নন, শেখ আবদুল হাকিম। সেবা প্রকাশনীর অসম্ভব জনপ্রিয় গোয়েন্দা সিরিজটির প্রথম ১১টি বইয়ের পর ২৬০টি বইয়ের লেখক শেখ আব্দুল হাকিম। এক…
এন।-145. ডি. আর. এ. লেখক মার্কো নুনেজ জি ইকুয়েডর 12-08-2021 শিরোনাম: যদি তুমি আমাকে চাও তুমি আমার চুলকানি কি করেছ যে এই সুফ্রন আমার ঠোঁটে তোমার চুম্বন কি করেছে তোমার ঠোঁট দিয়ে ভরা । যে ভালোবাসা দিয়েছিলে সে ভালোবাসা আমার মাঝে আটকে ছিলো আর আজ অসুস্থ আর আমি মরে যাচ্ছি । যদি তুমি চাও আমায় দয়া করো । আর তোমার কাছ থেকে আমার ভালোবাসাকে দূরে যেতে দিও না । আমরা দুইজন লুসেরা ছিলাম যে রাতে আমরা আমাদের শরীরে চুম্বন এবং যত্নসহকারে উষ্ণ থাকি । তোমার প্রস্থানের সাথে সাথে সবকিছু বদলে গেছে । ইতোমধ্যেই আমার শরীর ঠান্ডা লাগছে তোমার আত্মার স্পন্দন…
সর্বনাশ কাজী মুহাম্মাদ রাকিবুল হাসান ।। চট্টগ্রাম ।। মনলোভা নিসর্গের পরতে পরতে পরম চোষ্য অকল্মষ সুগভীর চুম্বনে – সেঁকে তুলে আনি যত সুষমা, অমৃত নির্যাস, কেঁপে কেঁপে উঠে ভূমি সমগ্র থেকে আকাশ। ফুঁসে উঠুক মলয়, নেমে আসুক প্রলয়, ধ্বসে যাক নিলয়, উবে যাক বলয় – নিশ্চয় বিনিশ্চয় অত্যাশ্চর্যপূর্বক সর্বনাশ, শেষ চুমুকে অত্রস্ত তৃপ্ত কবি কিংবদন্তি! -সেইই হয় নুহাশ, যেটি হয় ইতিহাস ।।
ফেরা হাসান ওয়াহিদ পথতরুর ছায়ায় দুপুর গড়িয়ে যায় ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘে লেগে থাকে ফিকে গোলাপি রং একটা ঘুড়ি হয়ে আকাশে প্রায় একটা বিন্দু হয়ে বাতাসে সাঁতার দিই বিস্ময়ের সঙ্গে আনন্দ মিশলে যেমন হয়। সোনালি রোদ গায়ে মেখে আকাশ ছোঁয়ার খেলায় মেতে উঠি যদিও সে উড়ায় ঘুঘুর ডাকের মতো একটুখানি একাকিত্ব লেগে থাকে। নিচে কাশফুল, পাশে আলোর ইশারা ছিঁড়ে নেয় মায়াজাল কেড়ে নেয় স্বপ্নের মুকুল হয়ে ফুটে ওঠা। যার খুশিতে উড়ছিলাম তারই ইচ্ছা মেনে গাঢ় সন্ধ্যায় এই শহরের কোনো এক ঘরে ধুলোমাখা আসবাবপত্রের আলোর আড়ালে ফিরে যাই।
মিশুক মুনীর, পুরোনাম আশফাক মুনীর চৌধুরী, (২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯ – ১৩ আগস্ট ২০১১) সাংবাদিক। তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর মেজ ছেলে। তার জন্ম নোয়াখালী জেলায়, তিনি একাধারে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, সাংবাদিক, চিত্রগ্রাহক এবং চলচ্চিত্র ভিডিওগ্রাহক। মিশুক মুনীরকে “বাংলাদেশের টেলিভিশন সাংবাদিকতার পথিকৃৎ” বলা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষ করে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিক বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেন। তিনি প্রথম ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে “ভিডিও জার্নালিজম কোর্স”-এর সূচনা করেন। ১৯৯৮ সালে তিনি শিক্ষকতা ছেড়ে পুরোদস্তুর সাংবাদিকতায় যুক্ত হন। মিশুক মুনীর ১৯৯৯ সালে একুশে টেলিভিশনের প্রথম যাত্রায় হেড অফ নিউজ অপারেশনের দ্বায়িত্ব নিয়ে দেশে আন্তর্জাতিক ধারার টেলিভিশন সাংবাদিকতার…
