ষাটের দশকে আবির্ভূত সৃজনশীল কথাশিল্পী বুলবুল চৌধুরীর জন্মদিন আজ (১৬ আগস্ট)। ১৯৪৮ সালের ১৬ আগস্ট গাজীপুরের দক্ষিণবাগ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ৬৯তম জন্মদিনে প্রখ্যাত এ সাহিত্যিকের প্রতি রইল জাগো নিউজ পরিবারের শুভকামনা। স্বাধীনতা-পরবর্তী কথাসাহিত্যে একেবারে নতুন আদলের সাহিত্যকর্ম নিয়ে প্রবেশ করেন বাউল-স্বভাবী বলে পরিচিত গুণী কথাকার বুলবুল চৌধুরী। তার প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ `টুকা কাহিনী`। আত্মপ্রকাশের শুরুতেই এ গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি সাহিত্য জগতে সাড়া ফেলতে সক্ষম হন। প্রান্তিকবাসী মানুষ ও জীবন নিয়ে নিজস্ব ও নতুন এক গদ্য-ভাষায় নির্মিত তার এই গ্রন্থ সাহিত্যবোদ্ধাদের চমকে দেয়। তিনি নিজের অধিকাংশ লেখায় গ্রামীণ জীবনকে নানা আঙ্গিকে যেমন উপস্থাপন করেন, তেমনি নগরায়নের জটাজালও তার লেখালেখিতে অনন্য…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
আমি মাটির বংশধর কামরুন নাহার রুনু তারপর ডুবে যাই অন্ধকারে, হাতে লেগে থাকে গেরুয়া মাটির গন্ধ! আপদমস্তক ভিজে যাই মলাটবন্দি শীতলতায় মনে পড়ে- আমি ছিলাম জেলে পাড়ার মেয়ে, ঘোলা জলে মাছের সাথে আমার ভীষণ ভাব, আমি যে উলো পাড়ার ভোরের কারিগর, ধানের শীষ ঠোঁটে বাবার পান্তা ভাতের খোরাক, আমি গোয়ালা পাড়ার জ্ঞাতি, আমার জাত-গোষ্ঠি কামার,কুমার,তাঁতি! ভাষা চাষা-মালকোঁচা, বাউলের দেহাতি সুর, আমার ভাষা শস্য-লতাগুল্মের সুবজ থেকে সোনালি আভা, এই গালে-মুখে লেগে আছে মাটির তর্জমা, আমি মাটির বংশধর- সুপারির ডালে ধেয়ে আসছে শৈশব, বন্ধুর যমজ ছায়ায় ভাসছে রোদেলা দুপুর আমাদের কথাগুলো জমা আছে নদীর কাছে,গাছের বুকে, আছে মৃত্তিকার প্রতিটা বাঁকে! জেনে গেছি-…
ক্ষুদে চিত্রশিল্পী সৈয়দা চামান নেগার-অংকন চিত্রশিল্পী’র নাম: .সৈয়দা চামান নেগার বয়স: ১২ বিষয়: .প্রকৃতি ও পিরামিড স্কুল:সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ।
ব্রাজিলের লেখক পাওলো কোয়েলহো-এর বই আলোচনা: তসলিমা হাসান বই: ইলেভেন মিনিটস লেখক: পাওলো কোয়েলহো এই প্রথম বই সমালোচনার মত কঠিন একটি কাজ করছি আমি! #পাওলো কোয়েলহো নাকি ব্রাজিলের হুমায়ূন আহমেদ তাই তার বই পড়া শুরু করলাম, আর হুমায়ূন আহমেদ স্যারের আমি অন্ধভক্ত! আমি মনে করি #ইলেভেন-মিনিটস পাওলো কোয়েলহোর সেরা বই! তবে এটি পুরোপুরি প্রাপ্তবয়স্ক উপন্যাস! মারিয়া নামের এক সুন্দরী তরুণীর গল্প ‘ইলেভেন মিনিটস’। সে বাস করত ব্রাজিলের এক গাঁয়ে। জীবনের প্রথম প্রেমেই ছ্যাকা খায় মারিয়া। কৈশোরে তার ধারণা হয় সে কখনোই প্রকৃত ভালোবাসার সন্ধান পাবে না। সে বিশ্বাস করত, ভালোবাসা এক ভয়ঙ্কর জিনিস-যা শুধুই কষ্ট দেয়।’ হঠাৎ করেই একটি সুযোগ…
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, চিন্তাবিদ, কলামিস্ট, বুদ্ধিজীবি ও দৈনিক নয়া দিগন্তের নিয়মিত কলাম লেখক প্রফেসর এবনে গোলাম সামাদ আর নেই। রোববার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। রাজশাহীতে ১৯২৯ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রফেসর এবনে গোলাম সামাদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষক। উদ্ভিদবিজ্ঞানের অধ্যাপক হলেও বিভিন্ন বিষয়ে বহুমাত্রিক লেখার জন্য তিনি পরিচিত। দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকায়ও তিনি নিয়মিত কলাম লিখে আসছিলেন। পরিবারের সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকেই তিনি বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। এক মাস আগে শারীরিক অসুস্থতায় তিনি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে সুস্থ হলে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। মাঝখানে…
ক্ষুদে চিত্রশিল্পী আরাফাতের চোখে: আমাদের স্কুল চিত্রশিল্পী’র নাম: আরাফাত খায়ের বয়স: ৭ বিষয়: আমাদের স্কুল স্কুল ও খেলার মাঠ । স্কুল: চাইল্ড হ্যাভেন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা।
সিনেমার শীর্ষ সংগীতে ঐশী ফাতিমা তুয যাহরা ঐশী ‘দামাল’ নামে একটি সিনেমার শীর্ষ সংগীতে কণ্ঠ দিয়েছেন। শীর্ষ সংগীতটি লিখেছেন রাসেল মাহমুদ এবং সুর সংগীত করেছেন আরাফাত মোহসীন নিধি। নিধি জানান, দামালের পাঁচটি গানেরই সুর সংগীত করছেন নিধি। শীর্ষ সংগীতটিতে ঐশীর সঙ্গে গেয়েছেন সাকিব চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘এই গানে ঐশীকে নেয়ার কারণ হচ্ছে তার কণ্ঠে এক ধরনের ক্ষমতা আছে, যা এই গানের জন্য খুব দরকার ছিল। ঐশী এক কথায় দারুণ গেয়েছে। আমি খুব আশাবাদী গানটি নিয়ে।’ ঐশী বলেন, ‘দামাল সিনেমার শীর্ষ সংগীতটি গাইতে পেরে আমার কাছে ভালো লেগেছে। গানের কথা যেমন দারুণ, ঠিক তেমনি গানের সুর সংগীত আরও অসাধারণ। এই গানটি…
ধানমন্ডি লেকের আর্তনাদ ড. হাসিনা ইসলাম সীমা দেখেছি সেদিন উদাত্ত বাংলার রক্তাক্ত বুক পনেরো আগস্টের দুর্বিষহ শোক একে একে সতেরোটি লাশের স্তুপ। দেখেছি সেদিন অধমাধমদের চরম দ্বন্দ্বের গর্জন অমানিশায় অস্ফূট ঊষার ক্রন্দন বুলেটের বিধ্বংসী আওয়াজের শ্লোগান। দেখেছি সেদিন সজ্জনকে হতে দুর্জন আপনজনকে হতে পরজন ভালোবাসার কঠিন ছন্দপতন। দেখেছি সেদিন মানচিত্রে স্থপতির ব্যবচ্ছেদের নারকীয়তা স্বপ্ন দু:স্বপ্নের মেরুকরণে হারিয়েছে জাতীয়তা কুচক্রী দস্যুদের হোলি খেলার দু:সহ আততায়িতা। দেখেছি সেদিন বুলেটবিদ্ধ নিথর দেহে বাংলার রবি মধুমতি পাড়ের সেই বালকের অসহায় ছবি নির্বিগ্নে- নি:শব্দে প্রস্থান রাজনৈতিক মহাকবি। কেবল……… কালাগ্নিতে থমকে যাইনি আমি কাল থেকে কালান্তর সাক্ষী হয়ে জেগে রইলাম দেখবো বলে সহস্র পাণ্ডুলিপিপূর্ণ নৈসর্গিক ভূমি।
কবিতার বই: কেউ কেউ কেবল কাঙাল হয় লেখক: কবি ও কথা সাহিত্যিক তসলিমা হাসান প্রচ্ছদশিল্পী: গৌরব চন্দ মূল্য: ১৫০ টাকা
মানুষের জয় সাকেরা নাছরিন একূলে দাঁড়িয়ে অকূলের খোঁজ কেমনে পাইবো তারে? চলেছি তো পথ অযুত বছর জানতে পেরেছি কি আপনারে? হাতে হাত রেখে খুঁজেছি পথ পেরিয়েছি শত বাধার গিরিসঙ্কট গ্রহ থেকে খুঁজেছি গ্রহে নক্ষত্র থেকে নক্ষত্রে গুণিয়া গুণিয়া মহাযুগ শেষে হিসেবের খাতা শূন্যই অবশেষে। তবু যেটুকু পেয়েছে আপন হৃদয় না হোক তার অতটুকু ক্ষয় বিন্দু থেকেই মিলবে সিন্ধু, হবেই হবে মানুষের জয়।
