Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

আত্ম-পরিচয় রহীম শাহ তোমরা জানতে চাও কি আমাকে–কোথা থেকে আমি এলাম? কোথায় জন্ম, কী করে আমার নামধাম খুঁজে পেলাম? কে আমার মা, কে আমার বাবা–তোমরা জানতে চাও? বলছি, বলছি–শোনো, সবটুকু লিখে নাও, লিখে নাও। আকাশকে দেখো, সাগরকে দেখো–দেখো সবুজের বুক দেখো, দেখো ওই আকাশের তারা সুহাসি চাঁদের মুখ; সন্ধ্যাকাশের লালরং টিপ রাতের জোনাকিগুলি পদ্মা মেঘনা যমুনা সুরমা শঙ্খ কর্ণফুলী আর ওই পাখি, রাঙা রাঙা ফুল পাহাড়ের নীল তনু সকালের রোদ, নিঝাপ দুপুর বিকেলের রংধনু, উড়ে আসা মেঘ–যাদের রয়েছে নানান রঙের ডানা ওই প্রজাপতি-ফুলের শরীরে প্রতিদিন দেয় হানা ওই দেখো বিল, হাওর-বাঁওড় জলাশয়, ধানিমাঠ– যুগ যুগ ধরে যারা দিয়ে যায় জীবনের…

আরো পড়ুন

একটা বৃষ্টিস্নাত রাত শারমীন ইয়াসমিন “দুঃখটাকে পুষে রাখি মনের ঐ অতল গহীনে যতন করে তারে রাখি লোকচক্ষুর আড়ালে লোকে বলে কত সুখি আমি কত সুখি রে।” আজ ভোরটা খুব রোদেলা।আমার বারান্দায় রোদ পড়ছে। চায়ের সাথে তোমায় ভাবতে বেশ লাগছে – গতরাতের কথাগুলো সুর হয়ে বাজছে।তোমার সেই টিনের ঘর,মেঠো পথ, আইল পথ,তোমার শৈশব সব যেন চোখে ভাসছে- আর তোমার সেই প্রিয় শহর, যার অলিতে- গলিতে সর্বএ ছিল তোমার পদচারণা। তুমি ছিলে এখানে রাজা- মহারাজা।আর ছিল কত প্রণয়! কোথায় গেলো সেইসব আজ? ইচ্ছে করে না, ফিরে পেতে,সেই রঙিন দিনগুলো,একান্ত আপন করে।আমার তো খুব ইচ্ছে করে- তোমার হাতটি ধরে- একটা বৃষ্টিস্নাত রাতে টিনের…

আরো পড়ুন

মুজিব মানে (১৬/০৮/২১) মুজিব মানে একটি গণ আন্দোলন মুজিব মানে একটি গণ অভ্যুত্থান মুজিব মানে একটি ভাষা আন্দোলন মুজিব মানে একটি স্বাধীনতা সংগ্রাম। মুজিব মানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ মুজিব মানে দেশ গঠনের ছয়দফা মুজিব মানে দেশ প্রেমের প্রেরণা মুজিব মানে ৭ মার্চের ভাষণ। মুজিব মানে ৭০’ এর নির্বাচন মুজিব মানে ৭২’ এর সংবিধান মুজিব মানে বাঙালির মহাকাশ মুজিব মানে দেশ প্রেমের দৃষ্টান্ত। মুজিব মানে বাংলার ধ্রুব তারা মুজিব মানে অগ্রগতির বাতিঘর মুজিব মানে প্রতিবাদী বজ্রকন্ঠ মুজিব মানে কোটি বাঙালির প্রতিচ্ছবি। মুজিব মানে স্বাধীনতার স্বপ্ন পুরুষ মুজিব মানে শত্রুর জন্য মহা আতঙ্ক মুজিব মানে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা মুজিব মানে মাথা নত না…

আরো পড়ুন

এক শরৎ প্রভাত লেখক: দেবাশীষ দাস তারিখ: আগস্ট ১৮, ২০২১ রাজুদের বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মনু নদী। রাজুদের বাড়ির পশ্চিম দিকে মনু নদীর এক বিশাল বালুচর রয়েছে। এই বালুচর চাষবাসের অযোগ্য ছিল। তবে ঘাস এবং বেশকিছু ঝোপঝাড় ছিল, গরু ছাগল চড়ানোর উপযুক্ত ছিল। বালক রাজু প্রতিদিন বিকেল সেখানে গরু চড়াতে যেত। রাজুদের তিনটি গাভী ছিল, চার/পাঁচ টা বাছুর ছিল। রাজুর সাথে রাজুর বন্ধুরাও প্রতিদিন সেখানে গরু চড়াতে যেত। অনামিকা লাবণ্যা তুলসী ইন্দ্রনাথ শ্রীকান্ত বিনোদ কামিনী শুক্লা প্রকাশ এরা সবাই রাজুর বাল্যবন্ধু। সবাই রাজুর প্রতিবেশী এবং সমবয়সী। সকালবেলা সবাই একসাথে স্কুলে যেত। স্কুলে পড়াশোনার পাশাপাশি সবাই মিলে খেলাধুলা করত। দুপুর…

আরো পড়ুন

নবী মোদের করবেন পার হানিফ শমশের শ্রেষ্ঠ উকিল আছেন আমার পীর ধরার কি দরকার? শেষ বিচারে, পীর লাগবে না কোনো কাজে নবী মোদের করবেন পার আমি গোনাহগার, নবী জামিনদার। আখিরাতে পানা চেয়ে, উম্মতের লাগিয়া জান্নাতের সাফাই করবেন সেজদাতে পড়িয়া, খুশিতে বলবেন আল্লাহ, রহমতের আম্বিয়া যত খুশি উম্মত নিয়ে জান্নাতে যান চলিয়া। হাশরেতে তৃষ্ণাতে থাকবো যখন হাহাকার নবী মোদের পান করাবেন হাউজে কাউছার নবীকে ভালোবেসে, মধুর হাসি হেসে আল্লাহর ভালোবাসায়, খুলবো জান্নাতের দোয়ার। রচনাকাল।  18/8/2021 ইং রাত্রি বেলা

আরো পড়ুন

ঢাকাইয়া ছড়া সিরিজ–০২ লুৎফর রহমান রিটন ০১. নাম যদিও ‘আলী’ কিন্তু সবাই ডাকে ‘আইলা’ বেলে মাছের ঝোল খায়া কয়– ‘বাইলা’ এইটা ‘বাইলা’! রেস্টুরেন্টে চা খায় হালায় পিরিচটাতে ‘ঢাইলা’! চেইতা গেলে ভাইঙ্গা ফালায় পাতিল, মানি ‘পাইলা’! ০২. এক যে পোলা ঢাকাইয়া, যা-ই দেখে সে অবাক হইয়া কেবল থাকে তাকাইয়া। কথা কয় সে জ্ঞেনির লাহান বাবড়ি মাথা ঝাঁকাইয়া। সহজ কামেও গিট্‌ঠু লাগায় ঝুট-ঝামেলা পাকাইয়া। পুলিশ দ্যাখলে ঘাবড়ায়া যায় দিশাবিশা না পাইয়া– উলটা দিকে লৌড় পারে সে অল্লিগল্লি কাঁপাইয়া! পুলিশ তারে ধরার লিগা জিপগাড়িটা হাঁকাইয়া– পিছন পিছন যাইতে থাকে হাতের লাঠি বাঁকাইয়া। কিন্তু পোলা ঢাকাইয়া– পলান দিয়া ড্রামের ভিত্রে চক্ষু দুইটা পাকাইয়া বইয়া…

আরো পড়ুন

বর্ষা মানে রহমত ষড় ঋতূর বাংলাদেশে বর্ষা যখন এসেই যায় বৃষ্টি ভেজা ফলের ঘ্রাণে জ্বীভে জল রাখা দায়। বর্ষাকালে জল নুপুরে খোলসে পুঁটির কলরব বর্ষা মানে গায়েন কবি’র কাব্য নিয়ে উৎসব। টিনের চালে পড়লে বারিষ রিমঝিম ছন্দ হয় ফুটো চালে পড়লে বারিষ লাগে বড় বিষাদময়। গান কবিতার পাতা দিয়ে বুনে দিবো ফুটো চাল আমার মত তারাও যেনো ভালো থাকে বর্ষাকাল। কাঁদা মাটির কবি হৃদয় বারিষ লেগে ভিজে যাক কদম তলে কবির মেলা কাব্য লিখায় ডুবে থাক । বর্ষাকালীন বসুন্ধরা যেই প্রভূ করেন দান কবির কলম প্রকাশ করে সেই প্রভূর গুনগান। বারিষ ঢেলে গাছের পাতা প্রভূ যেমন ধুয়ে দাও তেমনি করে…

আরো পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রে নোয়াখালীর যুবকের সাহসিকতার ভিডিও ভাইরাল! সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির পাতাল রেললাইনের ইউনিয়ন স্কয়ার স্টেশনে ঘটে যাওয়া একটি দৃশ্যের ভিডিও ইন্টারনেটে ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ট্রেন আসার কয়েক সেকেন্ড আগে এক বৃদ্ধ লোক হুইলচেয়ার নিয়ে রেললাইনে পড়ে যান। লোকটিকে নিরাপদে তুলে নেয়ার জন্য এগিয়ে আসেন এক যুবকসহ অন্য এক যাত্রী। ট্রেন আসার আগেই ওই বৃদ্ধকে উদ্ধারে সক্ষম হন তারা। হুইলচেয়ারে থাকা বৃদ্ধকে নাটকীয়ভাবে উদ্ধার করা বাংলাদেশি ওই যুবকের নাম জাবেদ আহম্মেদ। তিনি নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার সিংবাহুড়া গ্রামের আনোয়ার উল্যাহ ডাক্তার বাড়ির বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের বড় ছেলে। জাবেদ হোসেন ৩৪তম বিসিএসে চাটখিল পাঁচগাও মাহবুব সরকারি কলেজ ব্যবস্থাপনা বিভাগে…

আরো পড়ুন

নারী রাশিদা আক্তার। নারী তুমি মহীয়সী তুমি কল্যাণময়ী তুমি বিধাতার সেরা দান, প্রেরণা দিয়েছ সাহস দিয়েছ সহিয়াছ তুমি শত অপমান। নারী তুমি জন্মদাত্রী তুমি সর্বংসহা তুমি জগৎমাতা সবার, কষ্ট সয়েছে লাঞ্চনা সয়েছে ধর্ম দিয়েছে তোমায় পূর্ণ অধিকার। নারী তুমি ভগ্নি তুমি কন্যা তুমি ত্যাগী বড় মহীয়ান, তোমার প্রেরণায় ছিনিয়ে এনেছে জগতের বড় বড় জয় অভিযান। নারী তুমি অর্ধাঙ্গিনী তুমি কর্ম নিপুণা সাজিয়েছ গৃহ সংসার, আদরে সোহাগে ভরিয়ে দিয়েছ তুমি পৃথিবীর অহংকার।

আরো পড়ুন

সে আমার গোপন কথা সবিরাম বর্ষণ, কচুপাতায় বারি বিন্দু, জলহাওয়ার এলোমেলো কথা; মনাকাশ তছনছ। তুমিতো আসনি তবু এত আসা যাওয়া, সে জমানো আলো অন্ধকার; শুধুই তোমার! মন্দাকিনী বয়ে যায়, বুকের মান্দার বনে; একান্ত গোপনে! খোঁজ পৃথিবীর কোণায় কোণায় ছানবিণ, খড়ের গাদায় সুঁচ অন্বেষণ। একতুমি ছড়িয়ে পড়েছ, আনবিক হয়ে। লাগেজ সহ খোঁজ চলেছে এক এয়ারপোর্ট থেকে, অন্য এয়ারপোর্টে। অধরা জলে বুনি কবিতা অক্ষর। পেতাম যদি বটজন্ম কবিতার; ঝুড়িনামা মাটিতে শিকড়। নদী জলে অভ্র জোৎস্না কতটুকু স্থায়ী? বরফে কবিতা লেখা, গ্রীষ্মে গ’লে যাবে খুব জানি। ঘূর্ণির পাঁকে পাঁকে প্যাচ, শান্ত হ’লে অস্তিত্ব কোথায়? হাতড়ানো চক্ মকি্ পাথরের খোঁজ, একজন্ম যথেষ্ট…

আরো পড়ুন