অবিশ্বাসের কীট। সুরাইয়া সুলতানা। ০২-০৯-২১ আমার ভালোবাসার উদ্যানে কখন বাসা বেঁধেছে কীট,বুঝতেই পারিনি, সবুজ যখন ফিকে রঙা হতে শুরু করলো, কলি গুলো একে একে নিশ্চুপ ঝরে পড়তে লাগলো, বুঝলাম কীটের বিস্তার। কোন কমতি ছিলো না আমার, সব চেষ্টাই করে গেছি সহাস্যে। তোমরা হৃদয় উদ্যানে ভালোবাসার ফুল ফোটানোর। যে চোখের গভীরতায় দেখতাম শুধু ভালোবাসার ছায়া, আজ সে চোখে দারুণ খরা, তোমর নির্মেঘ চোখে দেখছিলাম আমার সর্বনাশ। নদীর গভীরতার মতো বয়ে গেছে তোমার হৃদয়ে বিপুল ক্ষরণ, আমার সারাজীবনের সঞ্চয়, সাধনা, অফুরান প্রেমে যে ভালোবাসার চারাগাছগুলি বেড়ে উঠেছিলো, তুমি সেই উদ্যানে নির্বিঘ্নে পুঁতেছিলে কিছু ভুল বৃক্ষ, আমার অজান্তেই অবাধে বেড়ে উঠেছে, ছড়িয়েছে ডালপালা,…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
বাংলাদেশের সংগীতায়োজনে জীবন্ত কিংবদন্তি সাবিনা ইয়াসমিন। তার কণ্ঠের জাদুতে বিমোহিত শ্রোতারা। সংগীতাঙ্গনে এখনো নিয়মিত কাজ করছেন তিনি। এই খ্যাতিমান গায়িকার জন্মদিন আজ। এ প্রসঙ্গে সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, জন্মদিন এলেই আব্বা-আম্মা এবং আমার বোনদের খুব মিস করি। কিন্তু তারপর সবার ভালোবাসা পেয়ে আমি সে কষ্ট ভুলে থাকার চেষ্টা করি। দেশ-বিদেশ থেকে অনেকেই শুভেচ্ছা জানান। দিনটিকে বিশেষভাবে উদযাপনের কোনো ইচ্ছা নেই। ঘরেই সময় কাটবে। এটিএন বাংলা আজ আমার জন্মদিনকে বিশেষভাবে উদযাপনের জন্য নিমন্ত্রণ জানিয়েছিল। কিন্তু আমি আসলে সময়টা ঘরেই কাটাতে চাচ্ছি নিজের মতো। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমিও সবার জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন সবাইকে ভালো রাখেন, সুস্থ রাখেন। প্রয়াত বরেণ্য…
আকাশ কুসুম মেহেদী সালাউদ্দীন চাঁদের দেশে আলোর মেলা লাগে কত ভালো চাঁদের আলো ছড়ায় যখন ঘুচায় রাতের কালো।। খোকা দেখে খুকী দেখে আকাশ পানে চেয়ে চাঁদটা যদি যেত ছোঁয়া বাঁশের মইটি বেয়ে।। খোকা নিত খুকী নিত হত ভাগাভাগি কম পড়িলে সবার ভিতর হত রাগারাগি।। আকাশের চাঁদ আকাশে থাক দেখি নয়ন মেলে এইতো ভালো চাঁদের আলোয় যাচ্ছি মোরা খেলে।।
প্রেম বিরহের খেলা সুখ, দুঃখ খেলা করে রোজ হৃদয়ের উঠোনে, বাতাস ডেকে কয়, উড়াবে নাকি সুখের ঘুড়ি আকাশ পানে? যে আকাশে সাদা মেঘ বেঁচে থাকে নীলের আলিঙ্গনে, সেথায় রেখেছি আমার প্রেম সংগোপনে। উঠোনের মাটি ভিজে আছে যে চোখের জলে, সে জলের সাথে সন্ধি আমার জীবন আঁচলের! যে আঁচলে ঢাকি আমার দুঃখ গুলো, সেই শাড়ীর সুতোয় গাঁথা আমার বিরহ ধুলো। কলমে : আয়েশা সিদ্দিকা “কনক” / স্থান : টরন্টো, অন্টারিও, কানাডা তারিখ : মঙ্গলবার, ২৫ শে ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ / ৯ ই মার্চ ২০২১ খ্রীস্টাব্দ
উত্তম কুমার প্রয়াণ দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধা ৩ সেপ্টেম্বর ১৯২৬ – ২৪ জুলাই ১৯৮০। প্রকৃত নাম অরুণকুমার চট্টোপাধ্যায় ভারতীয়-বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা, চিত্রপ্রযোজক এবং পরিচালক। বাংলা চলচ্চিত্র জগতে তাকে ‘মহানায়ক’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। চলচ্চিত্রে অভিনয় ছাড়াও তিনি সফলভাবে মঞ্চেও অভিনয় করেছেন। উত্তম কুমারের আসল নাম অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায়। তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। কলকাতার সাউথ সাবার্বান স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন এবং পরে গোয়েঙ্কা কলেজে ভর্তি হন। কলকাতার পোর্টে চাকরি নিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও গ্র্যাজুয়েশন শেষ করতে পারেননি। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসে চলচ্চিত্র জগতে প্রতিষ্ঠা পেতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে তাকে। উত্তম কুমারের প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ছিল দৃষ্টিদান। এই ছবির পরিচালক ছিলেন…
অদৃশ্য ছায়া মিজানুর রহমান আমি নষ্ট, নষ্টতাই যেন ভরপুর পুরো মগজ। আমি ক্ষুদার্ত, লজ্জা যেন আমার কাছে বড্ড লজ্জিত। আমি হিংস্র, নিরাপত্তা আমার কাছে আতংকিত। আমি রুক্ষ, স্নেহত্ব যেন জিম্মি আমার কাছে। আমি মিথ্যা, সত্যটা আমার কাছে পদদলীত। আমি লোভী, সুন্দর বিনষ্ট করাই যেন আমার কাম্য। আমি আঁধার, আলোর বুকে ঝাঁপিয়ে পরলেই যেন তৃপ্তিত। আমি অবিশ্বাস, বিশ্বাসের টুটি চেপে ধরাই আমার বিলাসিতা। তবে আমি ভিন্নতার স্বাদ নিতে চাই থাকতে চাইনা এমন অভিশপ্ত ধারায়। শুদ্ধতার স্লানে পবিত্র হতে চাই। আছো এমন শুদ্ধময় আত্মা যার পরশে হয়ে যাবো খাটি পরশ পাথর।
অন্য ভুবন সাইফুল ইসলাম এই ভুবনের খুব নিকটে অন্য ভুবন আছে, দম ফুরালেই সেথায় যাবে সবাই আগে পাছে সেই ভুবনে যাইতে গেলে লাগে নারে ভিসা, হটাৎ করেই আসে চিঠি মিলে নারে দিশা। চর্ম চোখে জগৎ টারে দেখা যায় না কভু, দেখা যাবে ঠিক তখনি ডাক দিবে যখন প্রভু। সেই জগতের নাম দিয়েছে আল্লাহ পরকাল, সেথায় সবার থাকতে হবে ধরে চিরকাল। ইহ জগতের খোঁজ খবর সেই জগতে মেলে না, ইহ ভুবনের নিয়ম কানুন সেই ভুবনে চলে না। সেই জীবনে চলে শুধু এই জীবনের কর্ম সেই জীবনে শান্তির জন্য ইসলাম একমাত্র ধর্ম
ঘোড়াদাদু কবির কাঞ্চন টুম্পা মণি দাদুর কাছে বায়না ধরেছে তাই তো দাদু হাতি-ঘোড়ার পোশাক পরেছে। দাদুর পিঠে চড়তে মজা টুম্পা বলেছে তাই তো দাদু ঘোড়ার মতো ছুটে চলেছে।
বাহ্যরূপ বিশ্লেষণ সন্দীপ ঘোষাল কান্নার দোরগোড়ায় ধূর্ত চাহনি প্রাণের চিহ্ন হীন-ড্যাবড়াবে রাষ্ট্র! শেল বুলেটের ইশারায় কাহিনি যন্ত্রনা কাতর উন্মাদের কষ্ট! ক্ষোভ-চাপা দিল হার মানে মৃত্যুও কান্নার সিঁড়ি ভেঙে! নির্ভরতার বাহ্যরূপ বিশ্লেষণ জানে ঘর খোঁজা-মিথ্যবিকৃত-মতাদর্শের সঙ্গে!
আলো আঁধার খান জান্নাতুল ফেরদৌস আলাপী (অপরাজিতা) গৃহত্যাগী মানুষ গৃহ ছেড়ে যায় ঠিকই তবু গৃহ তার পিছু ছাড়েনা,বাড়ির টান মায়া এগুলো তাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায় তবু তাকে গৃহ ছেড়েই থাকতে হয়ে।অর্থাৎ আপন জন ত্যাগ করে দূরে বহুদূরে তাকে জীবন যাপন করতে হয়।এ জীবন বড়ো বেশি আঁধারে ঢাকা আলোর দিশা তাই তাঁর নিকট বর্তি। দূরে থেকে সাধনে সাধন করে তাঁকে সে ঠিকই পেয়ে যায় যে এমন মানব জীবন করল দান।জান্নাতে পাখিরা যখন কলরব করেন আল্লাহ মুচকি হাসেন তিনি খুশি থাকেন।সবুজ গালিচা বিছানো চাদরে হেলান দিয়ে যখন তাঁর প্রিয় বান্দারা বসবেন, তখন তিনি বলবেন, হে মুমিনগন আমিতো দুনিয়ায় তোমাদের দারিদ্রতা দান করেছি…
