Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

একটা প্রেম চাই তসলিমা হাসান আমি একটা প্রেম চাই, প্রেম! যে প্রেম হবে মধুর, কষ্ট নামের শব্দটা থাকবে বহুদূর। আমি একটা মন চাই মন। যে মনে থাকবে না ছলনা, আমি এমন এক জোড়া চোখ চাই। যেথায় থাকবে না মিথ্যে কোন মায়াজাল। আর মুখে থাকবে না মিথ্যে আশ্বাসের ফুলঝুড়ি। আমি এমন একটা মনের মানুষ চাই। যার কাছে ভালবাসা নামের শব্দটা থাকবে স্পষ্ট। আমি একটা প্রেম চাই, প্রেম! যে প্রেমে থাকবে অনেক রং, প্রেমিক-প্রেমিকার সাথে করবে নাকো ঢং। এমন একটা প্রেম চাই, প্রেম! যে প্রেমে থাকবে খোলা আকাশ মিথ্যে নামের শব্দটা তথায় করবে না বসবাস। সত্যি আমি এমন একটা প্রেম চাই। কবিতাঃ-একটা…

আরো পড়ুন

সাহিত্য সমালোচনায় প্লেটো, এইচ বি রিতা সাহিত্য সমাজের খুব গুরুত্বপূ একট অংশ। সাহিত্যের উপাদানগুলির লক্ষ্য, দর্শকদের কাছে নৈতিক গুণাবলীর উপর নির্ভরকরার একটি মৌলিক উদ্দেশ্য। সাহিত্য উপাদান থেকে নৈতিক পাঠের প্রত্যাশা করা সুস্পষ্ট বলে মনে হলেও, সাহিত্যিক উপাদানের সমালোচনা বিশ্লেষণে নেতিবাচক প্রভাবগুলিও রয়েছে। সাহিত্যের প্রভাব নিয়ে বিতর্কিত সমালোচনা, মহান দার্শনিক প্লেটো এবং অ্যারিস্টটলকে সমাজে সাহিত্যের প্রভাবগুলি থেকে অনেকটা পৃথক করে তুলেছিল। সমালোচনা শব্দটাকে আমরা প্রায়শই নেতিবাচক ভাবে গ্রহণ করে থাকি। বিরূপভাবে কথা বলা বা অযৌক্তিকভাবে চাটুকারিতা, আঘাত করাকে বুঝে থাকি। মূলত সমালোচনা সাহিত্যের একটা উল্লেখযোগ্য বিভাগ৷ যে কোন সাবজেক্ট মেটার বা চেক্সটকে যৌক্তিক ভাবে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণসহ উপস্থাপন করাই সাহিত্য সমালোচনা। সেটা ইতিবাচক…

আরো পড়ুন

যেভাবে খুশি থাকলে কি ক্ষতি? ———————– সাফিকা জহুরা জেসী সাজানো গোছানো পরিপাটি ঘরবাড়ি জনমানবহীন! কি আসে যায়, এলোমেলো বিশৃঙ্খল অবস্থায় যদি প্রশান্তির বাস রয়! ধূলো জমা সেল্ফের ফাঁক হতে মুচকি হাসে বন্ধ ডায়েরি শোকে ভরা কাব্যকথা, তারও ভারী দায়! উল্লাসটুকু থাকুক না লুকিয়ে উড়োধুরো এলোমেলো চাওয়ায়! কতোভাবে সবে জীবন সাজায় জীবন কি মানে কোন জিওমেট্রি? স্বাধীনভাবে ঋতু-প্রকৃতির মত সুখ-দুঃখ পালা বদলায় মেনে নিতে বাধ্য! সয়ে নিতেই হয়! এক কাপ কফি, এক মোড়ক চিপ্স কি ক্ষতি তাতে যসি সন্তুষ্টি প্রাণোচ্ছ্বাসে ভরে দেয় চাওয়া পাওয়ার হিসেব না-ই মেলায় ছোট ছোট খুশীগুলো তালাবদ্ধ মঞ্জুষায়! সারাজীবন কত কি পেল সুনাম খ্যাতি ঐশ্বর্য্য তবুও কেন…

আরো পড়ুন

শিশুতোষ ছড়া: মুণ্ডু কচু ———————– সারওয়াৎ জাবীন লুবনা ———————- পড়তে কি ছাই ভাল্লাগেরে সকাল, বিকাল, সন্ধ্যে, মতি, যতি, পান্না দেখো ঘুরছে মহানন্দে! দাদাও কেমন চড়ছে গাড়ি আড্ডা ঘুরে দিচ্ছে, দুপুর বিকেল কুটুম বাড়ি যখন যেটা ইচ্ছে। সূর্য্যি যেমন জানলা গলে আমায় বলে,“আয় না! রোদ্রু মেখে যা না খেলে ধরেই না হয় বায়না! বিকেল রোদে ঘুড্ডি হয়ে নাটাই চেপে উড়িস্! শ্রাবণ মেঘের দোস্ত বনে আকাশ বাতাস ঘুরিস্! কিম্বা ঝেপে বৃষ্টি বলে, ঘরেই রবি বোকা! চুপচুপিয়ে ভীষণ ভিজে আসবি না রে খোকা? পিছল ছাদে কুত্কুতেরি ঘরতো আছে আঁকা, জলটা মেখে খেল না যেয়ে এক্কা থেকে দোকা! রঙধনুরই দোলনা চেপে রঙগুলো সব দুলছে,…

আরো পড়ুন

যন্ত্রণার অনল সেলিনা আখতার জীবন একটি জাদু খেলার মঞ্চ। মানুষের বুকের মধ্য থেকে যে সাধারণ শ্বাস-প্রশ্বাস বেরিয়ে আসতে দেখি আমরা অনেকেই জানিনা সেই শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে কতটা জীর্ণ ব্যথা কতটা ভাঙাচোরা আর চাপা কষ্টের উত্তাল ঢেউয়ের শব্দ বুক ভেঙে বেরিয়ে আসতে চাই। মানুষ রক্তমাংসের সৃষ্টি। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের ভেতরটা অতি যত্নের সাথে অতি সাবধানতার সাথে তৈরি করেছেন । যে কারণে মানুষ সমস্ত কষ্ট সহ্য করে হাসিমুখে পৃথিবীতে বিচরণ করতে পারে। পরিচিত-অপরিচিতকে উচ্চস্বরে বলতে পারে -আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। বিশেষ জাদুবলে পরিচালিত আমাদের এই মানসিকতা পরম আল্লাহতালার দান। এই পৃথিবীতে যে যতটা নিজেকে পরিপাটি ও হাস্যচ্ছল রাখতে পারে সেই প্রকৃত জাদুকর। ভেতরের…

আরো পড়ুন

গোলাম কিবরিয়া পিনু’র গুচ্ছকবিতা মৃত্যুর দণ্ডাদেশ মৃত্যু খিড়কি দুয়ার খুলে ঘরের ভেতর প্রবেশ করছে না! সে এখন— ক্রেন ও বুলডোজার নিয়ে ঢুকে পড়ছে—উঠানে উঠানে, বাড়ির ভেতর— ঘরের ভেতর! যাকে তাকে তুলে নিচ্ছে দ্রুত—যখন তখন, একসাথে বহুজনকে! কাছা পরে এসেছে সে— তার শরীরে পুরো পোশাক নেই, সে অনেকটা নেংটা! মৃত্যু যেন লাঠি হাতে—কারফিউ দিয়ে—শিস দিয়ে তার দণ্ডাদেশ মানতে বাধ্য করছে; মানুষেরা বিচলিত—দিশেহারা! সে অনেকটা যথেচ্ছাচারে—দ্রুত পা ফেলছে, যেখানে-সেখানে! লম্পট দুষ্ট ও লম্পট— বিকৃত রুচিতে প্রণয়ের স্নিগ্ধফুল নষ্ট করে, অষ্টধাতু দিয়ে তৈরী আংটি পরে থাকে! কত ছলনায়— চাতুরিতে গুণনিধি সেজে, নটখটে কাজে ব্যতিব্যস্ত হতে থাকে! তাদেরই কেন মঞ্চে তুলি? তাদেরই কথায়…

আরো পড়ুন

অপ্রাপ্তি নাফিসা খান আবৃত দশমিকের মনন থেকে উপচে পড়া ট্রাপিজিয়ামের উপর শব্দহীন দাঁড়িয়ে প্রাক্তন । দায় কার? দোষ কার ছিল? কে -কাকে ছেড়ে গিয়েছিল? অজুহাত? হৃদয়ের একাংশ টুকরোগুলো গলে নিঃসরিত , পান্নার রঙে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির সংক্ষিপ্তসার । স্মৃতির সুতো তর্জনীর ঘুড়ি কেটে ঘুমিয়ে পড়েছে মহাকালের মাথার বালিশে, আঁধার নেই, রেটিনা উল্কাবৃষ্টি সাথে বেছে নিয়েছে স্থবির ছায়াপুরুষ, প্রাক্তণ নয় ….. তবুও, হিমোগ্লোবিনে বাসি মাংসের গন্ধ, মৃত্যু অথবা শোধ …… সমাধির ফলক নাম বয়ে বেড়ায়, আর্য!

আরো পড়ুন

দুই শতাধিক বছর আগের এই ‘দানবীর’ সম্পর্কে যা জানা যায় বাঙ্গালি মুসলমানই শুধু নয়, এই অঞ্চলের শিক্ষা ও সামাজিক, দাতব্য কর্মকাণ্ডে যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি- সেই তালিকায় শীর্ষে থাকা একটি নাম হাজী মুহাম্মদ মহসিন। নিজের সকল সম্পত্তি দান করা, শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারে ব্যয় করার জন্য এই অঞ্চলে ‘দানবীর’ হিসাবে খ্যাতি পেয়েছেন হাজী মুহাম্মদ মহসিন। অকৃতদার, অবৈষয়িক মহসিন তার জীবনে বহু দেশ ঘুরেছেন। জীবন সম্পর্কে তার গড়ে উঠেছিল আলাদা ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি। ফলে তিনি যখন বোনের কাছ থেকে বিপুল সম্পত্তির মালিক হলেন, কয়েক বছরের মধ্যে সেগুলোর দানপত্র লিখে দিয়ে কোরান শরীফ কপি করে বাকি জীবন কাটিয়েছেন। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক…

আরো পড়ুন

টোল মনি জামান ফাগুন হাওয়া আজ আগুন দিল ঐ কৃষ্ণচূড়া বনে, চুপিচুপি আজ রঙ ধরেছে তোমার লাজুক দুচোখে চোখে। হৃদয় আমার নেচে উঠে কোকিলের কুহু কুহু তানে, রাঙা পলাশ হলুদ গাঁধা গন্ধরাজ তোমার ঐ খোঁপা বাঁধা। নিশি রাতে জ্যোৎস্না ঝরে তোমার রূপের বর্ণছটায়। মৃদু হাসি আজ টোল ফেলেছে আহা তোমার ঐ গালে। ———- তাং-৫-৯-২০২১

আরো পড়ুন

অভিনেতা ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম: শুভ জন্মদিন ৫ সেপ্টেম্বর প্রেম, বিরহ, পারিবারিক গল্পের ছবির বাইরে নব্বই দশকে চলচ্চিত্রে ‘মার্শাল আর্ট’ ঘরানার ছবির নির্মিত হতো। ওইসব ছবিতে অভিনয় করে রুবেল, ড্যানি সিডাক, ইলিয়াস কোবরার মতো অনেকে বেশ পরিচিতি পেয়েছিলেন। ছবিগুলো নির্মাণ ও প্রযোজনা করতেন জাহাঙ্গীর আলম। যিনি ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম নামে পরিচিত। ২০০০ সালের পর ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম চলচ্চিত্র থেকে দূরে সরে যান। ক্যারাটে মাস্টার, লড়াকু, মাস্টার সামুরাই, পেশাদার খুনী, কুংফু কন্যা, কুংফু নায়ক, ওস্তাদ সাগরেদ, প্রেমিক রংবাজ এসব মার্শাল আর্টের ছবি পরিচিতি এনে দিয়েছিল। এসব ছবি করতে তিনি রীতিমত যুদ্ধ করেছেন। প্রযোজক সমিতির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। পরে ভারপ্রাপ্ত…

আরো পড়ুন