ফেরারীর কাঠগড়ায় সাকেরা নাছরিন বলতে পারো ওরা কারা? প্যান্ট ছেঁড়া মাথা ন্যাড়া! বলবো আমি? নেই কি কাম! নাই বুঝি আমার মাথার দাম? যাচ্ছে কোথায়? মন যেদিক চায় নাই তো হুশ! ওদের কি দোষ? বাপ মা কারা? গডফাদার যারা কিসের তাড়া দিশেহারা ফিরবে কখন? যখন তখন ডাকো ওদের, বলবো কথা, নেইতো ওদের মাথা ব্যথা কি করা যায়? শুধু হায় হায় ওরাতো সব ছাওয়াল পাওয়াল! ওদের পিছে ধূর্ত শেয়াল! হত যদি তোমার ছেলে? একটি একটি দিতাম জেলে? আর গডফাদার? লুকিয়ে আঁধার, আরে আরে! গডফাদার কারা? জানেন না বুঝি? ওরা কাঁচাটাকায় মোড়া! এ সমাজের বিষফোঁড়া! আরে বোকা সত্য ঢাকা, যায়না রাখা! মুখোশগুলো তাড়িয়ে…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
জসিম মৃত্যু বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা চলচ্চিত্র অভিনেতা জন্ম: ১৪ আগস্ট ১৯৫০ মৃত্যু: ৮অক্টোবর ১৯৯৮ আবুল খায়ের জসিম উদ্দিন।পেশাদার নাম জসিম নামেই অধিক পরিচিত। চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, ফাইট পরিচালক ও একজন মুক্তিযোদ্ধা। অনেকেই তাকে বাংলা চলচ্চিত্রের অ্যাকশনের পথপ্রদর্শক হিসেবে মনে করেন। তিনি প্রখ্যাত অভিনেতা আজিমের হাত ধরে চলচ্চিত্রে আসেন। ১৯৭২ সালে ‘দেবর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। জসিম ১৯৫০ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বক্সনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম আবদুল খায়ের জসিম উদ্দিন। জসিম ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে একজন সৈনিক হিসেবে দুই নম্বর সেক্টরে মেজর হায়দারের নেতৃত্বে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। ৯০ এর দশকে একটি ছবির…
নয়নের আরশি শাহানা চৌধুরী নয়নের আরশিতে দেখেছি তোমার মুখ, ওগো মোর সুন্দর, হেরীতে দাও তোমার মুখ খানি , মোর নয়ন মাঝে । ছিলাম আমি ফুলের বনে ঘুমিয়ে তুমি ভ্রমর গুন গুনিয়ে ভাঙালে সে ঘুম, আমি দু’চোখ খুলে তোমাকে হেরিলাম , ওগো মোর মন চোর স্বপ্নে ঘেরা – জীবন আমার তোমাতে মুগ্ধ যে , হারিয়ে গিয়েছি কখন আমি তোমার হৃদয় গভীরে, তুমি দু’হাত বাড়িয়ে নিলে আপন করিয়া । অন্তত কাল ভাসবো মোরা প্রেমের সুখের সাগরে, যদি ঝড় আসে তুমি দু’বাহু দিয়ে ভালোবাসার চাদরে জড়িয়ে রেখ এই মোরে যদি পথ ভুলে তুমি চলে যাও বহু দূরে, যদি আর কভু নাহি আস ফিরে,…
অঞ্জলি মঞ্জিলা শরীফ মানবতার বিপর্যয়ে সমাজের অবক্ষয়ে অজস্র দানবের কড়াল থাবা রুখতে হয়তো তুমিই গেয়ে যাবে শিকল ভাঙার গান, ফুলে ফেঁপে উঠা কষ্টগুলো ডালপালা ছড়ায় জুলুম আর অত্যাচারে স্বপ্নরা যখন বুক পাঁজরে মুখ থুবড়ে পড়ে, রক্তের কণায় কণায় তখনও তোমার নীরব কণ্ঠের তুমুল বিদ্রোহ। রক্ষাকবচ তুমি, তুমিই সাহিত্য ভূমে দক্ষ চাষি, তাদের কাছে হলুদ ফুলের স্বপ্নগুলো সাজিয়ে দিতে, সকাল হতে দুপুর পরন্ত বিকেল মাঝরাতে অন্ধকারের সীমানার ওপাড়ে বিরহী বাদুরের মলিন ডানায় নকশি কাঁথার ফোঁড়ের প্রতি পরতে তোমার আশার শব্দ ছড়াও। আদিঅন্তের ইচ্ছাগুলোয় অঞ্জলি দিতে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে তোমার খড়স্রতা নদীর তীরে একা পিঁপিলীকার ছোট্ট পায়ে নরম স্পর্শিত চিহ্ন রেখে যাই একান্তে…
পিতা রবিউল ইসলাম তোমার সাথে আমার রক্তের বন্ধন তুমিই তো আমার জন্মদাতা পিতা, তোমার সাথে ভালোবাসার চিরবন্ধন যেমন করে জড়িয়ে থাকে বৃক্ষলতা। সন্তানকে অনেক করতে চাই বড় ঝরায় যে গায়ের কতো ঘাম, আমার মুখে হাসি ফুটাতে বাবা খেটে যায় কতো অবিরাম। বাবা একজন তিনি শুধুই বাবা, যায় আসে কি বাবার পেশা, হাজার অপরাধের অপরাধী বাবা তবুও নিরপরাধ বাবার ভালোবাসা। এই জগতে অগণিত কতো বৃক্ষ বটবৃক্ষের মতো নেইকো ছায়া, এই জগতে অগনিত কতো মানুষ বাবার মতো কেউ করে না যে মায়া। সন্তান বাবার কলিজার টুকরো সন্তান বাবার দুই নয়নের আলো । পৃথিবীর এপারে পৃথিবীর ওপারে সব বাবাকে আল্লাহ রাখুন ভালো।।
জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন’র জন্মদিনে নিবেদিত কবিতাটির জন্যে ধন্যবাদ জানালো বেবী নাজনীন। আঞ্চলিক ভাষায় রূপান্তরের আহ্বান– পাঠকবৃন্দের প্রতিও ♦ সালেম সুলেরী বেবী নাজনীন ব্ল্যাক ডায়মন্ড-খ্যাত জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী। ‘মেরিল প্রথম আলো’ অনুস্ঠানে নায়িকা পূর্ণিমা খেলা দেখালেন। বেবী’র কন্ঠ নকল করে গাইলেন বহুচেনা গানটি।”কাল সারারাত ছিলো স্বপনেরও রাত…”। দর্শক দারুণ উপভোগ করলেন। কিন্তু অনেকের আক্ষেপ– প্রিয় শিল্পী বেবী কোথায়! কতোদিন ধরে বাংলাদেশ তাকে পাচ্ছে না। সেই যে বেগম জিয়ার কারাবরণের পর গেয়েছেন কারামুক্তির গান। সেই থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখে পড়েছেন। তবে না, হয়রানিমূলক কোন মামলা-মোকদ্দমা নেই। দীর্ঘদিন ধরে সার্বজনীন শিল্পী হিসেবে বিচরণ বিদেশে। বিএনপি দলীয় রাজনীতিসিক্ত হলেও গানের বেলায় ভিন্নচিত্র। অনুষ্ঠান-আয়োজনে বেবী…
বিশ্ব শিক্ষক দিবস হাসানা হেনা আজ ৫ অক্টোবর। বিশ্ব শিক্ষক দিবস। বিশ্ব শিক্ষক দিবস ও আমার কিছু আত্ব কথন। ১৯৮২ সাল। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহের কোন একদিন অর্থাৎ স্কুল জীবনের বিদায়ের দিন। আমরা বিদায়ী ছাএ ছাএীরা শিক্ষকদের বক্তৃতা শুনছি আর কান্না কাটি করছি। এমন সময় মাইকে ঘোষণা শুনলাম হেড স্যার বক্তৃতা দিবেন। এ ঘোষণার কয়েক মিনিট পরে ই শুনতে পাচ্ছি স্যার বলতেছেন ” আইজ্য তোমাদের এমন একটা জিনিস দিউম যা টাকা দিই পাইতা নো” স্যার এতটুকু বলেই থেমে গেলেন।আমি কান্না বন্ধ করে মাইকের দিকে কান খাড়া করলাম জিনিস টা কি যা টাকা দিয়ে পাওয়া যায় না। আরও ২/১ মিনিট পর…
মনে রেখো মোঃ মাইদুল ইসলাম’ আমি বলছি কেউ শুনছে কি জানি না, আমি বলব কেউ মানবে কি জানি না, আমি আছি আমি থাকবো যেকোনো প্রয়োজনে, এটাই সত্যি মিথ্যা নাটক আমি জানি না, বন্ধু দেখো চারপাশ আঁধারে ঢাকা, বলো কতদিন? এভাবে চলবে প্রহসন। আমি ভাবুক বলবো কথা আজীবন, নাই ভয় জীবন তো আমার একটা, কি দাম? এ বেঁচে থেকে সবার, হও সোচ্চার নাও ফিরে তোমার অধিকার, মনে রেখো এ জমিন তোমার আমার। ৩-১০-২১
হুইঞ্চেননি (নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় লেখা) শাহানা সিরাজী হুইঞ্চেননি ও রুনুর বাপ আইজ্জা একখান নোয়া শাই হিঞ্চি হগলে আঁর মুইয়া, এম্মা, কী বেতাইল্লা চাই রইছে! আঁই তো শরমিন্দা হই গেছি শরমে লাগে যেন মরি যাইয়ের গৈ! কই, আন্নে তো একবার কইলেনও না ও রুনুর মা তোয়ারে হাড়ি হাতার নানি লাইগছে! আজ্ঞো দইন বাইর মনিরুইল্লা আছে না, হেতেভমাড়ি কাডের কোদাইলদি, আঁই যাইয়ের শাক তুইলতাম আঁর হাঁর আওয়াজ হাই, হেতে কোদাইল হালাই খা-ই গেছে হেতার চোখ দুইয়ান,আন্নে বিশ্বাস কইত্তেনন, লাগে যেন কনে মদিচ লাগাই দিচ্ছে, এইক্কা লাল অইছে! কঞ্চাই আঁর নোয়া শাইর লগে হেতার কীয়ের রিলেশন! আঁই গাল ভেংগাই চলি আইছি কইছি কিয়া…
কাঁটা রহস্য: অহনা নাসরিন কতোবার তোমাকে বারণ করলাম খোঁজ না কাঁটা রহস্য মানলে না এ বারণ। আবার ত্রিশ বছর পর জাগিয়ে তুললে- পুরনো সে ক্ষত ভালোবেসে মনের বাগানে গোলাপ ফোটাবে তার পাশে সন্দেহ কাঁটা রাখবে সে তো ফুটবেই; ফুলের কি দোষ! সুবাস নিবে যখন বুকে রক্তক্ষরণ হবে না! কি করে ভাবলে? নারী, ফুটন্ত গোলাপ; বহুমাত্রিক হৃদয়ে সুবাস ছড়ায় তাই বলছি তোমায়- ভুল করেও কাঁটারহস্য কখনো উন্মোচন করো না।
