Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

হেমন্ত কন্যার সুখ ড.এস.এ.তালুকদার ১১/১২/২১ হেমন্তের শিশির ভেজা শীতে শিরশির বাতাস মৃদুমন্দ স্রোতে পরিযায়ী পাখি আনন্দ খোঁজে। আবালবৃদ্ধবনিতা যেমন রোদে বসে মুড়ি ক্ষীরের স্বাদ পেতে। রৌদ্রোজ্জ্বল বিস্তৃত কৃষি মাঠে ধানের শীষে সোনা ঝরে কৃষকের মনে স্বপ্ন ফলে শুকনো ঠোঁটে হাসি ফোঁটে। থোকা থোকা শিম ফুলে ভ্রমর বিহার করে গুণগুণিয়ে কৃষক বধূর নাকের নোলক লকলকে লাউ শাকের ডগায় শিশির বিন্দুর মতো দোলে। পেঁয়াজ গাছের তীক্ষ্ণ ডগায় সূর্য হাসে শিশির ফোঁটায় এক শাড়িতে প্যাঁচানো শরীরে উদ্ভিন্নযৌবনা রূপসী কৃষক বধূ সাত সকালে সবজি ক্ষেতে সুখানুভবে মনোমুগ্ধকর চিত্র আঁকে। গোবরে লেপা তৈরী চাতালে প্রত্যুষে সিদ্ধ ধান বিছিয়ে লাউ দিয়ে শোল মাছ পিঠা পায়েস পুরি…

আরো পড়ুন

নিজের কাছে জবাবদিহি অহনা নাসরিন সূর্য ডুবে যাওয়ার মতো কিছু কথাও হারিয়ে যায় কথা কি আর জমিয়ে রাখা যায়! অনেক কথা বলার থাকে, গোপন কথা আপন কথা এমনকি প্রেমের কথা কথার পিছে কথা গেঁথে মালা গাঁথা কি সহজ কথা! রোজ কথা বলা যার স্বভাব সে কি আর কথা জমাতে পারে? ‘তুমি বললে কথা বলে কি হবে? সপ্তাহে একদিন- আয়েশ করে আমরা কথা বলবো।’ সপ্তাহকে দিন-ক্ষণ দিয়ে ভাগ করে খুব কাছে নিয়ে যাই মনকে সান্ত্বনা দেই- আহা আর কিছুক্ষণ; সময় আসে সময় যায়। হায় জমানো কথারা যেন কোথায় হারিয়ে যায়। একদিন আমিও কথার মতো হারিয়ে যাবো, সেদিন কিছুটা হলেও অনুতাপে পোড়বে…

আরো পড়ুন

সীতা সংহিতা মুহম্মদ নূরুল হুদা ১ নিমতিতা আর নিশিন্দা তিতা বুকে ধরে সীতার হরণ শুরু বিমানব রাবণের ঘরে। সীতা, তুমি না বনের, না রাজপ্রাসাদের; চিরকাল রাণী তুমি মনোসাম্রাজ্যের। না, তোমাকে নিয়ে যুদ্ধটাও নয় শুধু আমাদের। ২ গুলঞ্চ লতার বুক শুঁকে শুঁকে সীতা নিজেই নিজের ঘরে যদি অপহৃতা পাখিরা সন্ত্রস্ত চোখে মুখ তুলে চায় হানাদার বাহিনীর চোখ ঠুকরে খায় ভেষজের পাহারায় সীতা নবনীতা ৩ পঞ্চবট পঞ্চবৃক্ষ স্তম্ভ পঞ্চদিক অনন্ত অতন্দ্র তারা বনে দশদিক মাঝখানে সুরক্ষিত বেদী বারোহাত পঞ্চবটী বনে নামে ত্রিলোক-প্রপাত সতীত্ব সতীর অস্ত্র, সতীত্ব করাত ৪ নয় নির্বাসন, এই বন পুণ্যবতী সতীর আশ্রম; অশ্বত্থ সটান পুবে, পশ্চিমেও বট সমাগম; উত্তরে…

আরো পড়ুন

নতুন পথের সন্ধানে। ডাঃ গোলাম রহমান ব্রাইট ১০/১২/২০২১ খ্রিঃ অশ্রু টলটল অলক্ষ্যের অনল অন্তঃপুরেই দিচ্ছে হানা রক্তরাগে রঞ্জিত মূর্তমান ব্যকুলতায় চিত্ত বদন খানা নিদারুণ প্রহসনে চরম উন্মাদনা ক্রমাগত করে বাহানা অভিলাষী মন দেবো বিসর্জন অনুপ্রান্তে এসে দোটানা। তপোবন জর্জরিত অজস্র করাঘাতে ধূম্রের কুণ্ডলী চোখে সময়ের সন্ধিক্ষণে উন্মত্ত অভিষেকে ভগ্ন কুঞ্জও শোকে। দীপ্যমান সুধাকরের অস্পৃশ্য হাসি নির্ঘুম চোখে ভাসে অবাঞ্ছিত মেঘমালা নৈঃশব্দের তরঙ্গে বিদ্রুপ করে হাসে প্রলম্বিত ভগ্নাংশের নিঃশর্ত সমর্পণে আদি নৈবেদ্য হয় অমোঘ সান্নিধ্যে অমৃত রস-আস্বাদন দ্বিধা দুর্লঙ্ঘ্য নয়। অসাধ্য সাধনে অহেতুক বৈরিতায় বিপ্রতীপ ক্রিয়া নাই দুর্ভেদ্য প্রাচীরে আবদ্ধ যে অভিযান! ধৃষ্টতা হবেই ছাই। অর্বাচীনের মতোই নির্ভেজাল চিন্তায় ক্রমশ মগ্ন…

আরো পড়ুন

৮৪ তম জন্মদিনে মুস্তাফা জামান আব্বাসীকে নিয়ে লিখেছেন।  সালেম সুলেরী। কন্ঠকর্মা মুস্তাফা জামান আব্বাসীর প্রিয়দিন জন্মদিন ০৮ ডিসেম্বর। ২০২১-এ ৮৪ বছরে পদার্পণ।  গান-লেখা-সংগঠন-সফর আর মহান সৃষ্টিকর্তার গুণকীর্তন। বয়েস বাড়লেও তারুণ্য যেন আজীবনের লালিত সম্পদ। কণ্ঠে আড়ষ্ঠতাও প্রশ্রয় পায়নি। যেন চিরদরাজ, প্রবাহবান, প্রসারমান। পিতা কিংবদন্তী কণ্ঠশিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহমদ। মা বিশিষ্ট কবি লুৎফুন্নেসা আব্বাস। সহোদর বিচারক মোস্তফা কামাল ছিলেন প্রধান বিচারপতি। সহোদরা ফেরদৌসী রহমান দেশের শীর্ষ কণ্ঠশিল্পী। স্ত্রী আসমা আব্বাসী লেখিকা, রাষ্ট্রপতি পদকপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। কন্যাদ্বয় সামিরা আব্বাসী, শারমিনী আব্বাসীও গুণপনায় সুপরিচিত। মুস্তাফা জামান আব্বাসী অর্ধশত গ্রন্থের লেখকও। ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘নজরুল-আব্বাস সেন্টার’-এর প্রবক্তা। ব্যক্তিগতভাবে আমার বড়ো ফুপুর সুপ্রিয় সন্তান। অনেক না-বলা কথার আড়ৎ…

আরো পড়ুন

তুমি আসবে ভেবে। তানভীর আজীমি প্রতিদিন সাজিয়ে রাখি ফুলগুলো মনের ফুলদানীতে, এমনি ভাবে, তুমি আসবে ভেবে, কতো বাহারি ফুলের সমারোহ, কতো তাদের সুঘ্রাণ, এমনি ভাবে, তুমি আসবে ভেবে, আমার স্বপ্নের পালক রেখে দিই শিয়রে,তোমার আশায়, এমনি ভাবে, তুমি আসবে ভেবে, ফুলে ফুলে ছেঁয়ে যায় আমার উদাসীন আকাশ, ভুবন, তুমি আসবে ভেবে এমনি ভাবে, আমি নির্বাণ হয়ে উঠি বিশ্বাসে,তোমার বিশ্বস্ত অন্তরে, তুমি আসবে ভেবে এমনই ভাবে, ভালোবাসায় বিলীন হবো, দিবো প্রণয়ে ভরা অভিলাষ, তুমি আসবে ভেবে এমনই ভাবে, আমি অনুরণিত হই এক সুখের দহনে একাকী আনমনে, তুমি আসবে ভেবে এমনি ভাবে, কতো ভেবেছি তোমায়, আপন করে জেনেছে এ’হৃদয়, তুমি আসবে ভেবে…

আরো পড়ুন

আমি এখন অনেক ক্ষমতাশালী। সাজেদা পারভীন। কে বলে এই জীবন নেয়ার মালিক কেবল আল্লাহ? তোমরা কি জানো এখন আমার কত ক্ষমতা? ইচ্ছে করলেই টর্চার সেলে নিয়ে আমি নিয়ে নিতে পারি একটি জীবন। যে কোন অপকর্মই আমি করতে পারি, গড়তে পারি টাকার পাহাড়, পিষে ফেলতে পারি সব নিয়মকে, দেখাতে পারি দানবীয় আকার !! সকল সম্ভ্রম লুটতে পারি শিশু থেকে বৃদ্ধার, আমি অসুর হয়ে গেছি আমাকে ফেরায় সাধ্য কার?? সমাজের সব দূর্নীতি আমি গিলে খেতে পারি, ক্যাসিনোর আড়ালে ভালোই চলে ব্যবসায় নারী।। টক শোতে টক ঝাল মিশ্রিত কথা বলি, আমি যে সবার উপরে মাঝে মাঝে তা জানান দিয়ে চলি।। প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ আসনটিতে…

আরো পড়ুন

সৈয়দা রুখসানা জামান শানুর গল্পের বইয়ের আলোচনা: মো.নজরুল ইসলাম। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে শিশু-কিশোর উপযোগী রচনা নিত্যান্তই কম নয় । তবে এর মধ্যে প্রতিশ্রুতিশীল কবি-লেখক, সাংবাদিক, সাহিত্য-গবেষক সৈয়দা রুখসানা জামান শানুর রচিত ‘মহানায়ক মুজিব ভাইয়ের গল্প’ বইটি ব্যতিক্রম। বিষয়বস্তুর উপস্হাপনায় ভিন্নতা, চমৎকার পৃষ্ঠা সজ্জা ও বর্ণিল একাধিক দূর্লভ আলোক চিত্রের সংযোজনের ফলে বইটি ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। সাধারণত শিশু-কিশোরা ইতিহাসের বই পড়ার চাইতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে গল্পের বই পড়তে। রুখসানা জামান শানু’র বইটি ইতিহাসনির্ভর হলেও এটিকে নানন্দনিকতায় সাজিয়ে গল্পের মত করে শিশু-কিশোরদের পাঠ উপযোগী করে লেখা হয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে মৃদুল প্রকাশন। গত অমর…

আরো পড়ুন

আমার বাংলাদেশ। (লিজা চৌধুরী) আমার কাছে বাংলাদেশ মানে, চির পুরাতনে চির নতুন জীবন। ঠিক শিশুকালে মায়ের মিষ্টি চাপা স্বরে ঘুম পাড়ানি গানের মতন। ভোরের কোমল রাঙ্গা আকাশ, কিচিরমিচির পাখি ডাকা সকালের এক কিঙ্কিণী সুর। মায়ের কাছে আহ্লাদি বায়না ধরে স্কুলে যাবোনা বলে, শীতের নরম কুয়াশায় স্বপনে চলে যাই দূর বহুদূর। বাংলাদেশ আমার কাছে বরাবরই এক বিস্ময় নতুন খাতায় নতুন করে জানা নতুন অজানা পরিচয়। মেধার বিকাশে নামী ইংরেজি স্কুলে নাম লিখিয়ে তাতে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্হান অধিকার করেও, শিক্ষা ও সংস্কৃতির সঠিক ব্যবহার করছিনা ভেবে আমার শঙ্কিত বাবার বাংলা মাধ্যম স্কুলেপড়া নিয়ে ছিল তোড়জোড়। বাংলাদেশ মানে আমার মায়ের সার্বক্ষণিক কড়ানজর,…

আরো পড়ুন

গুণান্বিত মিনু আহমেদ। রূপের বড়াই করো না রূপ দিয়ে কী হয়! কর্মের মাঝে বেঁচে রবে তোমার পরিচয়। অহংকারী বদনখানি একদিন ক্ষয়ে যাবে। মুখের কথার মূল‍্য তুমি কভু নাহি পাবে। তুষ-আগুনে পুড়ে পুড়ে যখন ছাই হবে। তোমার পাশে আপন-স্বজন নাহি আর রবে! হাসনাহেনার গন্ধে মাতাল স্বর্গপুরের রানি। গোলাপ ফুলে পাগল-প্রেমিক আমরা সবে জানি। রূপে–গুণে গুণান্বিত হও গো যদি তুমি। সর্বকালে সর্বলোকের পাবে সালাম চুমি! কবিতাটি জন্ম তারিখ:- ২০/১১/২১ইং.

আরো পড়ুন