বাংলা একাডেমির সভাপতি ও কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের ৭৬তম জন্মদিন আজ। প্রখ্যাত এই ঔপন্যাসিক ১৯৪৭ সালের ১৪ জুন রাজশাহী শহরে জন্মগ্রহণ করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৭ সালে বাংলায় বিএ অনার্স এবং ১৯৬৮ সালে এমএ পাস করেন। কর্মজীবনে সেলিনা হোসেন দীর্ঘদিন বাংলা একাডেমিতে চাকরি করেছেন। একাডেমির পরিচালক পদে থাকা অবস্থায় তিনি অবসর গ্রহণ করেন। পরে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির। নন্দিত এ কথাসাহিত্যিকের লেখালেখির শুরু ষাটের দশকের মধ্যভাগে রাজশাহী মহিলা কলেজে পড়ার সময়। সে সময়ের লেখা নিয়ে তার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘উৎস থেকে নিরন্তর’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৯ সালে। তার রচিত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে – ‘উত্তর সারথি’ (১৯৭১) ‘জলোচ্ছ্বাস’ (১৯৭৩), ‘জ্যোৎস্নায় সূর্যজ্বালা’…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
মেঘলা আকাশে আকাশে কালো ঘন মেঘের সাথে ঝিরঝির বইছে বাতাস , রিমঝিম বাদলে প্রেমের বৃষ্টি ধারায় ভিজে যায় চারপাশ। মেঘের স্বচ্ছ স্ফটিক জলে ভেসে হৃদয় হয় সিক্ত, চমকিত তড়িৎ-এ ভালোবাসার ছোঁয়া লেগে মন হয় রিঔ। পুবালি বাতাসে ভিজে যাওয়া আঁচলে লেখা হয় প্রবন্ধ, মেঘলা আকাশের গুরু গুরু ডাকে জেগে ওঠে ছন্দ। তোমার মনের রংধনু গায়ে মেখে দীঘিতে ফোটে পদ্ম, পুলকিত হৃদয়ের বন্ধ জানালাটা খুলে ছড়ায় সুবাসিত গন্ধ ।। তসলিমা হাসান কানাডা: ১৩-০৬-২০২২ বিরহ রোদন কবিতা লেখার অপরাধে নাম হয়েছিল নষ্টা, চরম শাস্তি হলো হয়ে গেলাম একা । বিনিদ্র রজনী কাটে একাকী প্রতিটা প্রহর, প্রকৃতি সেদিন ছিল পাশে হয়ে বিরহ…
সীতাকুণ্ডের অগ্নি গ্রাসে (এম এ বাশার) জ্বলছে আগুন সীতাকুণ্ডে পুড়ছে মানুষ মরছে মানুষ, আহাজারি চলছে দেশ জুরে। সীতাকুণ্ডের অগ্নি গ্রাসে কত শিশু বাবা হারালো! মা হারালো তাহার সন্তান, দেশ হারালো তাহার মান! ফায়ার ফাইটার পুলিশ সবে চেষ্টা করে জীবন দিয়ে অগ্নি নিয়ন্ত্রণে, আগুনে পুড়ে মরছে মানুষ মরছে পুলিশ ফায়ার ফাইটার! সব মিডিয়া প্রচারে বিশ্ববাসী জানে, পুড়ছে মানুষ ভয়াবহ আগুনে! সবে মোরা দোয়া করি আল্লাহর দরবারে সবাই কে রক্ষা করো আল্লাহ, সীতাকুণ্ডের অগ্নি থেকে সকল জনতারে। এম এ বাশার নয়াপাড়া-মাটিফাটা, শ্রীবরদী-শেরপুর।
তোমাকে ভালোবেসে সেই ধোঁয়াশার গহীনে, আলো-আঁধারের লুকোচুরি। যেখানে জীবন বুকভরা আশা নিয়ে ভালোবাসা পাবার আহাজারি। যেখানে ভোরের ঝিলমিল সোনালী আভায় প্রাণ দোলা দেয়, যেখানে ক্লান্ত দুপুর আর পড়ন্ত বিকেল মায়ামাখা আমেজ ছড়ায়। সেখানে তুমি এসেছিলে হাস্যউজ্জ্বল রবি হয়ে আর প্রাণের সব সুরগুলোর ভালোলাগার তাল নিয়ে। শুরু হয় প্রতীক্ষার শুধু তোমাকে ভালোবেসে আরো কাছে পেতে চাই । ভালোবাসা দিতে চাই, ভালোবাসা পেতে চাই । অনুভবের গভীরে যেতে চাই তোমাকে কাছে পেয়ে পেয়ে। ভালোবাসার সাজা এই দগ্ধ হৃদয়ে বিষাদের কান্নার মূর্ছনা মনের জানালায় আজ কালো মেঘের ছায়া হৃদয় চিরে তুমুল বর্ষণ… কোথাও কেউ নেই বড়ো একা তুমি ছাড়া বড্ড বেশি ভালোবেসেছিলাম…
টরন্টো শহরে আত্মপ্রকাশ করলো আবৃত্তি সংগঠন ‘কণ্ঠচিত্রণ’: গত ১১জুন কানাডার টরন্টো শহরে বেশ আনন্দঘন পরিবেশে আত্মপ্রকাশ করলো আবৃত্তি সংগঠন ‘কণ্ঠচিত্রণ’। এই শহরে বাংলা কবিতা পাঠ বা আবৃত্তিকে জনপ্রিয় করেছেন – এমন অনেকেরই একাগ্রতা আর নিবিষ্টতারই ফলশ্রুতি আজকের নতুন প্রজন্মের মাঝে কবিতা নিয়ে এই উদ্দীপনাপূর্ণ আলোড়ন। হাসান মাহমুদ, রূমানা চৌধুরী, হিরু ইসলাম, রাশেদা মুনীর, সুমি রহমান, মৌ মধুবন্তী, মেহরাব রহমান, অনন্ত আহমেদ, আহমেদ হোসেন, শেখর গোমেজ, মেরী রাশেদীন প্রমুখ শিল্পী ব্যক্তিগত কিংবা দলগত পরিবেশনার মাধ্যমে টরন্টো শহরে বাংলা কবিতা আবৃত্তির শ্রোতার সায় সৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। এবং এখনো এই সাধনায় তাঁদের অনেকেরই নিমগ্নতা বিদ্যমান। ‘কণ্ঠচিত্রণ’ তাদেরই কবিতা প্রেমের বহুদা বিস্তৃত…
জলের ঢেউ (নাসিমা খান) তুমি কোথায় যাও? আমিতো বলতে পারিনা যেওনা তুমি কেন চোখের ভাষা বুঝে নিতে পারো না? জলজ মাছের মতো কার একুরিয়ামে ভিজতে যাও? একটু দাঁড়াও! ওটা ডাহুকী জলজ পাখি তুমি আর ঐ জলে নেমো না! এখানে এক বুক শুভ্র সফেদ ফেনা এখানে জলজ নদী, উছলে পড়া ঢেউ এই বুক শুধুই তোমার নিরবধি, আমি শুধু আর নয় কেউ জল তোমার তৃষ্ণা জুড়ায় জল তোমার পরিচিত কেউ তাই এখানে রেখেছি আমি এক বুক জলের ঢেউ
জীবন হবে অলংকার (ফরিদা ইয়াসমিন) ০৯/০৬/২০২২ (বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে) বিশ্বে এখন পরিবেশ পরিস্থিতি ভয়ানক মহাবিপর্যয় , একের পর এক মহামারী গ্রাস করেছে সারা বিশ্বময় । যুদ্ধ কামান গোলা বারুদ মিসাইল বোমাবাজির ক্ষয়, মানুষই তার পৃষ্ঠপোষক অস্বীকার করার কথা নয়। জাপানের নাগাসাকি হিরোশিমায় আণবিক বোমার বিস্ফোরণ! বিশ্ব যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় হৃদয়ে এখনও বইছে রক্তক্ষরণ। চেরনোবিল এর আণবিক চুল্লী দুর্ঘটনা ভীষণ শঙ্কাময়। শারীরিক-মানসিক আর্থিক সর্বক্ষেত্রেই বিশ্বে মানুষেরই পরাজয়। গ্রীষ্মে নদ নদী শুকিয়ে মরুভূমি হয়েছে পানির সংকটে, গভীর বালি সারাক্ষণই হচ্ছে ভরাট নদ-নদীরই বুকে। হাওর বাওর খাল-বিল নিত্য বইছে উজান পানির ঢলে, রক্ষা বাঁধের ফাটলে গ্রাম প্রান্তর ডুবেছে পানির তলে। ঠাঁই নেই কোথাও…
খাবার থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করে শরীর। তাই বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার। বাংলাদেদেশ সারা বছরই বিভিন্ন ফল পাওয়া যায়। সেসব ফল পুষ্টিগুণে ভরপুর। অনেকেই সারা বছর অপেক্ষা করে থাকেন সুস্বাদু আমের জন্য। তবে গ্রীষ্মকালের বেশিরভাগ ফল রসালো ও পুষ্টিগুণে ভরপুর। আমাদের দেশে বেশিরভাগই আমের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে খেতে ভালোবাসেন। ম্যাঙ্গো-মিল্কশেক নামেও পরিচিত এই খাবার। কেউ আবার ভাতের সঙ্গে আম-দুধ খেতে ভালোবাসেন। আম একটি পুষ্টিকর ফল, এদিকে দুধও পুষ্টিকর। এই দুই খাবার একসঙ্গে কি শরীরের জন্য উপকার করে? এ নিয়ে ভারতীয় চিকিৎসক ডা. দীক্ষ্মা ভাবসার পরামর্শ- আম-দুধের উপকারিতা আম ও দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে অনেকগুলো উপকার মেলে।…
বিছনাকান্দি-সিলেট পরিভ্রমণ। (জেবুন্নেছা সুইটি) অনেক দিনের ইচ্ছে, ঘর হতে দু’পা ফেলিয়া দেখে নিব নিজের স্বদেশ, দেখে নিবো ঘাসের উপর সেই শিশির বিন্দু। সে ইছেরই বাস্তব রূপায়নের মানসেই রওয়ানা হলাম বিছনাকান্দি সিলেটের উদ্দেশ্যে। প্রথমেই চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে এসে “উদয়ন এক্সপ্রেস নামে ট্রেনে উঠলাম রাত নয় টায়। সকাল পাঁচটায় সিলেট রেলস্টেশন গিয়ে পৌঁছলাম। হোটেল ভ্যালি গার্ডেনে আগে থেকে রুম বুকিং দেওয়া ছিল। বিসমিল্লাহ পড়ে, সিলেট শাহজালাল মাজার পরিদর্শন করলাম। তারপর দুপুরে “পানসী” রেস্টুরেন্টে চার রকমের ভর্তা ডাল গরুর মাংস দিয়ে গরম ভাত খেলাম। সারাদিন শহরে ঘোরাঘুরি শেষে রাতে পাঁচ ভাই রেস্তরায় ডিনার করলাম। খাবারের স্বাদ বিশ্লেষণ করলে, পানসীর চেয়ে পাঁচভাই রেস্তরার খাবার বেশি…
“তোমাকে আমার লাগে” (ফেরদৌসী শারমীন সুমী) তুমিময় ছিল বেশ ক’টা মাস সবসময় তোমাকে লাগতো আমার! সকালে ফুল ফুটলে, দুপুরে রোদ পড়লে, বিকেলে চা টা খেলে, সন্ধ্যায় অনবরত স্মৃতি জ্বললে, তোমাকে আমার লাগতো! একটি গানের অস্থায়ীতে, একটি গানের সুর-তাল-লয়ে, তোমাকে আমার লাগতো! রান্নার তেল মশলা ঝালে, বাজারের বাড়াবাড়ি দামের হুলস্থুলে, বাড়ি ফেরার আগের ডুব সূর্যে, তোমাকে আমার লাগতো! নিবিড় কোন সবুজের ঘোরে, বৃষ্টির শেষে নির্জন প্রহরে, রিক্সার অবিরাম প্যাডেলে প্যাডেলে, চেনা রাস্তার অচেনা মোহে, তোমাকে আমার লাগতো! বই পড়ার মাঝে হঠাৎ না বোঝায়, কিছু ভুল লেখা, ভুল চেতনায়, ধুপ করে বন্ধ করে দেয়া কালো জানালায়, তোমাকে আমার লাগতো শহরের রোদ ঘামে,…
