Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

কেউ একা হয় কেউ অনেকের মাঝেও একা রানা মাসুদ নীলাম্বরী বলো কি দোষ আমার? যখন ফুটেছিল হিজল তখন পাইনি আলো যখন জ্বলেছিল দীপ প্রদীপ ছাড়া উনুনে তখন তো শব্দের বর্ণিল মালা বুকের অনলে অথবা প্রেমের অনিরুদ্ধ শব্দ হয়েছিল চাষ। একদা একলা ছিল পথচলা গহীনের পানে দু হাত ছিল প্রসারিত আমৃত্যুর আলিঙ্গনে ছিল মৃদুলা চঞ্চল কল্লোল কাকলিতে ভরা ভবিষ্যত সেও ছিল একাকী মসৃণ তটরেখা নদী ছিল জল ছিল তেপান্তর ছিল আমাদের ছিল ভয় রাক্ষস দৈত্য দানবের, হলো কাল। দৈত্য এলো না এলো ঝড় বৈশাখী অথবা মনশাখী, মনের বাঘে খেয়ে গেল গোলা ভরা ফসল তখন; তারপর যা হবার তাই হলো চৈত্র ছেড়ে…

আরো পড়ুন

অসূর্যস্পশ্যা সময় মাহবুবা চৌধুরী যেখানেই দাঁড়াই সূর্যাস্ত নেমে আসে পায়ে পায়ে দূরে চলে যায় আলো অন্ধকার হাসে কথা বলে বস্তু ছায়াহীন নিঃসঙ্গের ঘরে শরীর ও মন আঁধার বিছিয়ে রেখে অন্ধকারে সমর্পিত হয়। বৈপরীত্যে চলা দীর্ঘ অর্থহীন নিরম্বু জীবন কঠিন সংহত যার মানবিক প্রাণের গঠন তাঁকে খুলে রাখি বহতা জোয়ারে ঊর্মিল সমুদ্রে। গোধূলি বিবর্ণা হলে অন্ধকারে ঝরে নিরবতা অর্ধমৃত বিধ্বস্ত হৃদয়ে শুনি আনন্দ উল্লাস অসূর্যম্পশ্যা সময় ধীরে নামে আঁধারের স্তরে হৃদয়ের বিভোর সম্ভোগে স্ফটিক শীতল স্পর্শের আরাম। এমন একটা জীবনের জন্যই কি এতো আয়োজন? প্রশ্নগুলো অহেতুক খোঁচাখুঁচি করে মনে মনে আলোঘর কোলাহল হয়তো সবার জন্য নয় আঁধারেও আছে এক অনুপম দিব্যরশ্মি…

আরো পড়ুন

পদ্মা সেতু উন্নয়নের মাইলফলক ও ইউক্রেন-রাশিয়া সংকট উত্তরণ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার-২০২২ অনুষ্ঠিত। দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম বাংলাদেশ চ্যাপ্টার :পদ্মা সেতু উন্নয়নের মাইলফলক ও ইউক্রেন-রাশিয়া সংকট উত্তরণ শীর্ষক” আন্তর্জাতিক সেমিনার-এর আয়োজন করেন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২ বিকাল ৪ টায় ২২/১ তোপখানা রোডস্থ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ-এর কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। সার্ক জার্নালিস্ট ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল মোঃ আব্দুর রহমানের সঞ্চালনায় ও সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম বাংলাদেশ চ্যাপ্টার-এর প্রেসিডেন্ট আবুল কালাম আজাদের সভাপত্বিতে উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইভাইস ইউনিভার্সিটি’র ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডক্টর জাকারিয়া লিংকন, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের স্বনামধন্য সাহিত্যিক দিলীপ রায়,…

আরো পড়ুন

অবোধ স্বজন আখতার জাহান শেলী তুমি খুবই নিম্নমানের প্রেমিক- খুবই। সুতোর ওপারে কার মন খারাপ ভীষণ, ভীষণ কেন জানো না? কেন জানো না বয়ে যাওয়া হৃদ যমুনায় কার মিশে যায়,অসুখী কষ্টের নীল বিষ স্রোত! কেন জানো না কার নগরে লেলিহান শিখা নিত্য গ্রাসে জীবনের সুখ তোরংগে তোলা নিভাঁজ স্বপ্ন, কোন আঙ্গিনা মাধবীলতা, হতাশার কীট কুরে কুরে খায়,পুড়ে মরে যায় বিনা সিঞ্চনে যক্ষপ্রিয়ার ফুলবনে ফুল। কোনও একদিন শুধরে যাবে, বুঝবে সবই কেমন করে ভেংগে চলছি নিত্যদিনের চড়াই উৎরাই ছুটে চলেছি ক্লান্ত পায়ে জ্বালিয়ে রেখে আশার তারা, নীল জোনাকী, তোমারি অসহযোগিতায় মৃতপ্রায় সব, প্রান্ত ছুঁয়ে আছে,বিনাশের ঘনায়মান ক্রান্তিকাল শুধু তোমারই অযোগ্যতায় একমাত্র।…

আরো পড়ুন

তোমাতেই বসবাস লাবণ্য সীমা মোর আপনালয়ে তোমার নিত্য আসা যাওয়া, বলতো? কতটা ভালোবাসলে আগুন আমাকে স্পর্শ করবে না কবির বোধে, “যতটা ভালোবাসলে সন্ন্যাসী হওয়া,যায় ততটা” এত জ্ঞান অর্জন করতে করতে তুমি সন্নাসীর পথ ধরো পথিক তোমার ঠিকানা পেয়ে যাবে নিশ্চিত। মন কে বলেছি, বন্ধ করো তোমার দ্বার ভালোবাসাকে রূদ্ধশ্বাসে দম বন্ধ করে হত্যা করো! তোমাকে ভালোবেসে, আমি আগুনের সাথে দ্বন্দ্ব , আর প্রতিহিংসার সাথে আপোষ করেছিলাম। তাতে কোনও লাভ হলো না আমার। তুমি আমার ভালোবাসাকে উপেক্ষিত করে আমারই সহপাঠী করলে নিমন্ত্রণ । তোমার হৃদয়ে আমি ছবি হয়ে গেলাম কখন তা নিজেই জানতে পারলাম না। আমি দাড়িয়ে রইলাম সে পথ দিয়ে…

আরো পড়ুন

বাতিঘর নিশাত জেসমিন [ (প্রিয় শিক্ষক ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারকে নিবেদিত কবিতা, স্যারের জন্মদিনে) ]  নদী ও চাষীর গল্পে হয়েছিল বাংলার কৃষকের স্বপ্ন বোনা বহে জলবতী ধারা কুলকুল রবে মাঠে ফলেছে সোনালি শষ্যকণা। অসীমের ভেলায় চড়ে কেটেছিল আহারে আমার বোকা শৈশব ভাঙো দুর্দশার চক্র তোমরা প্রাণ থেকে প্রাণে হোক নিত্য উৎসব। সুফলা ধরিত্রীর বুকে কেবল শুধুই ফল-ফসলের গান মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় এটা তোমার আশা জাগানিয়া শ্লোগান। আমার উপস্হাপক জীবন তখন তোমার সঙ্গে হয়েছিল অন্তরঙ্গ আলাপ দেখ খর যৌবনের বন্দি বকছে অপ্রস্তুত কলামে কি প্রলাপ! যখন আমার ওড়াউড়ির দিন কেবলই মনে হতো হারানো দিনের কথা…

আরো পড়ুন

দহন পিওনা আফরোজ একটা রাত, অতলান্ত অন্ধকারে ডুবে আছে কি ভীষণ মায়া, কি গভীর স্পর্শ অনুভবের। একটা রাত, কি তৃষ্ণা , কি তৃষ্ণা বুকে, আলজিভে গভীর শূন্যতায় আর্তনাদে ফেটে পড়ে বারুদের ছাই বাড়ায় দহন, পোড়ায় ভীষণ। একটা রাত, দুলে উঠে শরীরের সুবর্ণ শেকড় একটাও তারা নেই স্বয়ং রাতও থাকবে না অবশিষ্ট সারা বুকে শুধু কামনা আছে, হৃদয়ে ভালোবাসা আছে বুক পেতে কে নেবে কাছে? শীর্ণ শিরা বেয়ে শুধু দুঃখ নেমে যায় শুধু তুষের অনল জ্বলে, তীব্র দহন জ্বলে স্বপ্নের বাঁধ ভেঙে ঘননীল বুকের মায়ায়।

আরো পড়ুন

আশা আরজু আরা দিনের শেষে আভাস আলোয় ডাকছে ডাহুক ত্রাস ডাকে বুঝতে চায় না, তারই সঙ্গীনী এই ত্রাসের ডাকের মধ্যখানি স্খলিত হচ্ছে এক করুন কলকন্ঠ। যায় দিন , করে না তো কারো জন্য অপেক্ষিত, হায় ! এই ধারার সীমাহীন চাওয়া, তবুও তো কেউ ছাড়ি না চেয়ে থাকি অবধারিত। এ কোন আশা ,যে আশার আলো মৃনালের পত্রাঙকুর মত। অধরার পিছে নিরুদ্যম যাত্রা, কুন্ডলিত কংকনে বাজে কি রিনি ঝিনি শব্দ নির্ঘুম রাত, তাই কাটে একাকিত্ব । ছুটছি আর ছুটছি, যেন রানারের মত ছুটে চলা কোন প্রেয়সীর অপেক্ষারত পত্র এ হাত থেকে আরেক হাতে পৌঁছে দেওয়া । তবুও তো হয়, রানার ছুটার এক…

আরো পড়ুন

রত্নছায়া কণা মির্জা এই শহরের অলিতে গলিতে নিয়ন বাতির তলে যখন আপনার রত্নছায়া দীপ্তি হয়ে ভাসে। আপনার ছায়া সঙ্গী হয় সকল অভিসারে, আপনার পুরাতন আপনার অসুখ আপনার ছায়া দীপ্তে আমার সুখ। প্রেমে পড়া বারণ হাত ধরা বারণ আপনার ছায়া স্পর্শে আপ্লুত হয় দেহ মন। কতটা কাছে দুজন মুখোমুখি আপনার ছায়াতে কতো চুম্বন আঁকি, জীবনের সত্য সম্পর্ক অজ্ঞাত চিত্রে অস্পষ্ট নিরব স্বরে শুধু ভালোবাসি।

আরো পড়ুন

ধ্রুবতারা শামীমা আহমেদ ঢেউয়ে ঢেউয়ে নীল তরঙ্গে ভেসে ভেসে মন বিহঙ্গে এ আমি কোন কিনারায় এলাম! ঘন ঘন নিঃশ্বাস পতনে উষ্ণতার স্পর্শের ছোঁয়াতে এ আমি কোন সমুদ্রে ডুবে গেলাম! টুকরো টুকরো কথালাপের বিঁনুনিতে বিন্দু বিন্দু আবেশের অলংকারে এ আমি কোন মায়াজালে জড়ালাম? সুক্ষ্ম সুক্ষ্ম অনুভূতির সম্মোহনীতে এ কোন মাদকতায় বুঁদ হলাম? পলে পলে অপেক্ষার অবসানে— এ কোন বারতা পেলাম? চৌদিকে বইছে দখিনার সুবাতাস মৌ মৌ করা সুগন্ধের কারাবাস। —সূর্য যেমন স্থির ঐ বিস্তীর্ণ গগনে তুমি থেকো তেমনি আমার এই জীবনের অবশিষ্টাংশে চন্দ্র যেমন শোভিত ঐ অবারিত আকাশে আমায় রেখো তেমনি তোমার অনন্ত অবকাশে ক্ষণে ক্ষণে দিশেহারা দিকভ্রান্ত পথ বেভুলা নিন্দুক…

আরো পড়ুন