রহমাত কা বারিশ লায়ন, এইচ, এম রফিকুল ইসলাম রহমতকা বারিশ হুরাহা হে বাহারমে, দিল যানা চাহতাহে বাহার ছুর দে মুঝে। সোবহানাল্লাহ সোবহান্নাল্লাহ দিলছে আতাহে, খোদা বিনা এছা কাভী কোহী নেহি বানছাকতেহে। হামারা দিলকা রুনা বন্দ মাত কর দে, মেরে গুনাহ কা লিয়ে রুনা চাহতাহে। মোহাম্মদ( সাঃ) কা রওজা মুঝে নজর কর দে, সালাম দেনাহ উনিহ (সঃ)কো রওজা মে। ওহ মেরে মাওলা দিলকা দার্দ তো জানতেহে, তেরে রাহমত ঢালকে হামকো খুশ করদে। হাম গুনাহগার কো কবুল কর নে, তেরে বিনে কোহি নেহী যো মাফ কর দে। মেরে জবান মে তেরা নাম মশগুল কর দে, মওত কা ওয়াক্ত মে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ নসীব…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
‘জয় বাংলা বাংলার জয়’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বল রে এবার বল’, ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়’, ‘গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে’, ‘আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল’সহ অসংখ্য গানের গীতিকার, চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক গাজী মাজহারুল আনোয়ার মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে সারফরাজ আনোয়ার। জানা গেছে, আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যাওয়ার সময় পড়ে যান গাজী মাজহারুল আনোয়ার। এরপর হাসপাতালে নিলে তিনি সেখানেই শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। গাজী মাজহারুল আনোয়ার এক ছেলে ও এক মেয়েকে রেখে যান।…
গত ০৩/০৯/২২ ইং শনিবার বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় গাঙচিল উত্তরা শাখার আয়োজনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী এবং দাদু খান আখতার হোসেনের সংবর্ধনা উপলক্ষে সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি — বীর মুক্তিযোদ্ধা এ টি এম ফারুক আহমেদ সভাপতি, গাঙচিল উত্তরা শাখা প্রধান অতিথি — মোঃ মিজানুর রহমান অতিরিক্ত সচিব, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং সভাপতি, গাঙচিল কেন্দ্রীয় কমিটি প্রধান আলোচক — গ্রুপ ক্যাপ্টেন ডক্টর ইদ্রিস আলী মহাসচিব, গাঙচিল কেন্দ্রীয় কমিটি বিশেষ অতিথি — শিউলি খান মুখ্য সমন্বয়ক, গাঙচিল কেন্দ্রীয় কমিটি মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ উপদেষ্টা, গাঙচিল কেন্দ্রীয় কমিটি রবিউল আলম রবি সরকার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, প্রাচ্য বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ শাহনাজ খান…
তুমি যা দেখছো তা আমি নই তসলিমা হাসান এই যে তুমি আমায় যা দেখছো তা আমি নই, সভ্যতার সাথে সাথে আমি হারিয়ে গিয়েছি কয়েক শতাব্দী আগেই। তুমি খোঁজনি আমায়, খোঁজ রাখোনি আমার অস্তিত্বের! দিন রাত্রির কোন ক্ষনে তোমার মনে হয় নি আমার স্পর্শ; আলাদা করে সময় রাখোনি আমাকে শোনার জন্য। তোমাদের লোকালয়ের কোলাহলে আমি মৃত প্রায়, জানতে চাওনি কীভাবে একটা মানুষ ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যায়, পুড়ে যায় অসহায়ত্বের অনলে! তুমি ভাবছো বেশ দেখাচ্ছে, সাজলে আমায় বেশ লাগে; কয়েকটা সুন্দর বিশেষণে গাল মুখ ফুলে লাল হচ্ছি আমি। তুমি জানো না কীভাবে আড়ালে আড়ালে মানুষ হারিয়ে যায়! তুমি জানো না কীভাবে আলোয়…
তৃষ্ণার জল দাও মাহমুদা শিরীন কত রঙে কত ঢঙে প্রকাশ করো নিজেকে নিত্য দেখাও কত দেবত্ব। সহিষ্ণুতায় হৃদয় তোমার জাগেনি কখনো, তৃষ্ণার জলটুকু দাওনি সতত ৷ ক্ষণে ভাবি, অভিমানী হয়ে থাকবো চুপটি করে তবু অকারণে নেত্রদ্বয় কেনো হয় সিক্ত! সকাশে এসো… বুক পাঁজরে নিবিড় করে মিশে যাও৷ প্রেম তো একা নয় কারও…. অধিকার আছে আমারও।
অবিনাশী সাফিকা জহুরা জেসী খুব করে মনে পরছে আজ তোর কথা তোর সেই হাসি মাখা মুখ; দুষ্টুমিতে মাখা! পাঞ্জাবীর পকেটে আজও কি যত্ন করে রাখা… আমার দেয়া রুমালটি… সুন্দর ভাঁজে? কনকনে শীতেও ঘাম মোছার অজুহাতে গালে, কপালে ঠোঁটে ছোঁয়ানোতে, আমিই মুখ লুকাতাম লাজে! খুব করে ভালো বাসতে মন চাইছে আজ তোকে অভিমানে দূরে সরে গেলে, যে আদর সোহাগ দিতি সেই রোদেলা দুপুর, প্রেম ছড়ানো থোকা থোকা জ্যোৎস্নাকে! চুলে ফুল পরানো, রবীন্দ্রগঙ্গীতে ঘুম পাড়ানো চোখের পাতায় উষ্ণ হাওয়ায় চুপটি করে ঘুম ভাঙানো আকাশের মতো পেতে দিতি, মিস করছি সেই বুকটাকে! খুব করে ফিরে পেতে ইচ্ছা হয় তোকে বারেবার তুই যে ছিলি…
মা, আমার মা। ফরিদা বেগম মাকে নিয়ে ভাবছি আমি, মা ছিল মোর মাথার মণি। মায়ের মনটা ছিল বেজায় নরম, দিত মোদের সোহাগ পরম। মায়ের স্নেহের ছিল না অন্ত, মা ছিল মোদের প্রেরণার মন্ত্র। মায়ের গানের কোনো জুড়ি নেই, সেই সুরের টানে হারিয়েছে খেই। টাকা দিয়ে যায় না কেনা, মায়ের স্নেহ, প্রীতি ভালোবাসা। এখন মা মা বলে ডাকি যখন, মা তো দেখা দেয় না তখন। মা এখন দূর আকাশের তারা সেজে, মিটিমিটি আলো জ্বালায় মনের মাঝে।
অবুঝ প্রেম নিলুফার জেসমীন রুমা জানি না কখন কী কারণ মনে মনে মন হারালো! রঙে রঙে ফুল-চন্দনে কে আমায় সাজালো? বন ময়ুরী পেখম তুলে আপন মনে নাচে, শরতের মধুঝরা সন্ধ্যায় ঝিকি মিকি তারায় মাধবীলতা দোলে ইশারাতে। গুঞ্জরিয়া উঠে ভ্রমর পুষ্প মঞ্জুরির গায় মাতাল করা সুর ভাসে দক্ষিণা বায়, বাহির পানে হাত বাড়িয়ে ডাকছে কে আমায় চুপিসারে ? বাঁধবো না আর অবুঝ প্রেম বুকের পিঞ্জরে! শিউলি ফুলের মালা গেঁথে তাই খোঁপায় পড়েছি পথ হারাবো বলেই আমি ভালোবেসেছি।।
“সাধারণ তুমিটাই আমার অসাধারণত্বের ভাণ্ডার” তসলিমা হাসান অসাধারণ কেউ নয় খুব সাধারণই হইও তুমি এমন একজনকেই চাই জীবনে যার পুরো পৃথিবীটাই হবো আমি। টাকা-পয়সা রূপ-যৌবন নয় চাই সুন্দর একটা মন যে মানুষটা আগলে রাখবে আমায় সারাটি ক্ষণ। ভালোবেসে যেমন আগলে রাখবে ভুল করলে তেমন শুধরে দিবে ছেড়ে যাওয়ার বাহানা না খুঁজে আমার ভালো-মন্দ সবটাকে নিজের করে নিবে। সাধারণ তুমিটাই যে আমার অসাধারণত্বের ভাণ্ডার আমি যে তোমাতেই পরিতৃপ্ত হতে চাই তুমিই যে এই জীবনের কান্ডার। “সাধারণ তুমিটাই আমার অসাধারণত্বের ভাণ্ডার” কানাডা,০২-০৯-২০২২
মেঘের ডানায় ওড়ানো আবেগ মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান কবেকার কোন ভাদ্রের এমন রৌদ্রদহন দীঘল দিনে সুখের বদলে কিনেছিলাম বকের মতো সাদা সাদা মেঘ উড়ন্ত মেঘের ডানায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়েছিলাম অন্তরের অসীম আবেগ। আবেগগুলো আকাশময় ঘুরে ঘুরে ওড়ে প্রগাঢ় নীলের প্রস্থে লীন হয়, দিন হয়, রাত্রি হয় রাত্রির রূপালী বুকে জোছনার কোমল কাঁচুলি হয় কখনো কখনো বৃষ্টির নূপুর হয়। ছন্দে ও আনন্দে – পাহাড়ের চূড়া ছোঁয়, পুষ্পের – বৃক্ষের প্রজাপতি বুক ছোঁয় তারপর খুঁজে পায় মাটির বুকের শীতল আশ্রয় কেন জানি আজো পারেনি তোমাকে ছুঁতে অনিন্দিতা। তুমি কোথায় লুকিয়ে আছো অনিন্দিতা? চুকিয়ে দাও ভাদ্রের দিনে পোয়াতি ভদ্রার জলস্পর্শে করতলে চিরকাল মিশে থাকবার অলিখিত…
