গতকাল ০৯.০৯.২০২২ তারিখ শুক্রবার বিকাল ৩.৩০ মিনিটে যমুনা ফিউচার পার্কে ফ্রাইডেস ফাস্টফুড এন্ড রেস্টুরেন্টে গোল্লাছুট পরিবারের গোল্লাছুট ফাউন্ডেশন এর জরুরী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ফাউন্ডেশনের সভাপতি লিমা সুলতানা। প্রাণবন্ত অনুষ্ঠানটিতে নির্বাহী পরিষদের সদস্যগণসহ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত সদস্যগণ অংশগ্রহণ করে মুল্যবান মত প্রকাশ করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহযোগিতা করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন লিমা সুলতানা (সভাপতি), মোঃ নজরুল ইসলাম (সহ সভাপতি), মাহফুজুর রহমান বিপ্লব (সহ সাধারণ সম্পাদক), খন্দকার আল-আমিন (সহ সাধারণ সম্পাদক), শাহনাজ পারভীন (অর্থ সম্পাদক), ইসমত আরা (সাংস্কৃতিক সম্পাদক), সালমা আজম, ডাঃ রাফেজা সুলতানা (বিসিএস স্বাস্থ্য), কবি ও সাহিত্যিক মাহবুবা ফারুক, নাজলা ফাতমী, মুননাজ ইতি, ইলোরা রাজ্জাক, মরিয়ম বেগম…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
“নারীর পোশাক নিয়ে দশ দিগন্তে দশ কথা” পারভীন আকতার নারী সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট এক মায়াবী রূপ। মাতৃ জঠর থেকেই মানবজাতির উদ্ভব এবং উত্থান।তাই নারী সবসময় আরাধ্যের স্থানে থাকে সৃষ্টির শুরু থেকেই।মানুষ হয়ে অন্য মানুষের গর্ভে ধারণ করেই কিন্তু মানুষের পৃথিবীতে আগমন। তাই প্রতিটি ধর্মে, নীতি নৈতিকতার গল্পে নারীই সেরা,সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী।একজন মা,স্ত্রী কিংবা বোন,মেয়ে খুবই সহজ সরল জীবনযাপনে অভ্যস্ত। কুটিলতা কেউ ঢুকিয়ে না দিলে এভাবেই পৃথিবীতে তাদের মায়ার পরশ বুলিয়ে প্রেম প্রীতি, আবেগ অনুভূতির জায়গাগুলো স্থির,সামঞ্জস্যতা বজায় রাখে।এটি না হলে পৃথিবীতে সংসার,সমাজ তথা একটি রাষ্ট্র কখনো সুগঠিত থাকার কিঞ্চিৎ সম্ভাবনা ছিল না।সৃষ্টির আদিকাল থেকেই এই ধারা অব্যাহত আছে।এটি অনেকটাই প্রাকৃতিক।নারী শান্তশিষ্ট,প্রকৃতির…
শরৎ সৌরভ ও জীবন, মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম অভিমানের আগুনে জ্বলছে নশ্বর পৃথিবী আলো নাকি আলেয়া কে বেশী মায়াবী! অজানা কে শিকার আর কে যে শিকারী আজব দুনিয়াটা বড় আচানক ও বাহারি, দিনে দিনে বাড়ছে দেনা বাড়ছে অনাহারী! শরৎ প্রভাতে ফোটে মনলোভা কিছু শিউলি ফুল রূপ মাধুরীতে বিধাতা দেয়নি তো ছাড় একচুল! ডুবোচরে প্রাণখুলে পানকৌড়ি দেয় ডুব চুপ চুপ, ধরাতল সাদা জোছনায় ঝলমল নদীরা নিশ্চুপ। শুভ্র মেঘদল গগনে ভেসে ভেসে খেলছে অবিরল, ঈশানকোণে নীলাম্বরী আনমনে বিছিয়ে নীলাচল। শশ শন কাশবন আনচান প্রকৃতির উচাটন মন, ধ্ববল শাড়িতে এই শরতে অরূপরূপে মহুয়াবন। কাশফুল ভরে গেছে দু’কূল আশারা করে লুকোচুরি শিশির ভেজা শেফালির ঘনসৌরভ…
হে রমনী মোঃ ইসহাক মিয়া আধুনিকতার নামে একি বস্ত্র পরি, অর্ধ উলঙ্গ পোশাকে ঘুর লোকালয়ে। নগ্নতার কাঁদাতে যে খাচ্ছ গড়াগড়ি, আছে কি হুঁশ তোমার, পণ্য যাচ্ছ হয়ে। বেলাল্লাপনায় ডুবে বলো আধুনিক, সত্যি কি তাই, কখনো ভাবছো কি হৃদে? মোহেতে পরে ভুলেছ যে দিগবেদিক, হেরি তোমাকে, মিটায় লোকে চক্ষু খিদে। কোন ধর্মে আছে বলা অশালীন চলা? তবে কেন চল তুমি এমনই ভাবে? দরজা জানালা সব এক পার্ট খোলা। তবে,ঘি ভাত শিয়াল কুকুরই খাবে। হে রমনী তুমি, মণি-মুক্তর চেয়ে দামি। খোদার জান্নাত থাকে মায়ের পা চুমি।
যে দিনগুলোতে বাংলাদেশের মানুষজন পছন্দের গান শোনার জন্য বেতারে কান রাখতেন, যখন দেশে টেলিভিশন চ্যানেল ছিল মাত্র একটি সেসময় দিনে অনেকবার শোনা যেত গাজী মাজহারুল আনোয়ার রচিত গান। আজ রোববার সকালে মৃত্যু হয়েছে বাংলাদেশের অনেক কালজয়ী দেশাত্মবোধক গানের রচয়িতা গাজী মাজহারুল আনোয়ারের। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। সকালে অসুস্থ বোধ করলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি একই সাথে চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, জনপ্রিয় অনেক চলচ্চিত্রের গানের গীতিকার। গাজী মাজহারুল আনোয়ার রাজনীতিতেও সম্পৃক্ত ছিলেন। কিন্তু পাঁচ দশকের মতো সময় তিনি দোর্দণ্ড প্রতাপে…
ভ্রমণ লায়ন এইচ এম রফিকুল ইসলাম প্রকৃতিই আসল শিক্ষালয় ভ্রমণে জ্ঞান অর্জন হয়। স্রষ্টার সৃষ্টি কত মহান বুঝতে পারবে ঘুরলে জাহান। ভ্রমণ যাহার নিত্য সঙ্গে, মন ভরবে তার কথার রঙ্গে। হরেক ভাষা ভিন্ন রীতি অবাক হবে কথার গীতি। ভ্রমণ ছাড়া বৃথা জীবন চোখ থাকিতেও অন্ধ ভুবন। নানান জাতি ভিন্নদেশ সংস্কৃতিও দেখতে বেশ। খাবার ম্যানুর নাইকো শেষ পোকা, মাকড়, আমিষ, ভেজ। দেখবে জগৎ ভরবে মন এসো করি বিশ্ব ভ্রমণ।
সত্য’ই সুন্দর সুমনা নাজনীন সমাজে যে তান্ডবলীলা চলছে – তা দেখে আজ আমরা সবাই বিচলিত। কেউ কি সাহস করে তার প্রতিবাদ করতে পারছি? পারছি না কালোকে কালো বলতে আর সাদাকে সাদা। আজ যেন আমরা মিথ্যাতেই অভ্যস্ত , সত্য কথা বলার নেই কোন অবকাশ। সত্যকে অস্বীকার করে জীবনে কে কবে সুখ পেয়েছে ! তা যদি একবার নিজেকেই জিজ্ঞেস করি, কোন উত্তর নেই। সত্য যেমনই হোক তা মেনে নেওয়া কঠিন হলেও পরিণতিটা সুমধুর- প্রশান্তির। তাইতো প্রতিটা ধর্ম গ্রন্থেই সত্যের প্রতি তাগিদ দেওয়া আছে, মিথ্যাকে ঘৃণা করা হয়েছে। তাই চলো আমরা মিথ্যাকে দুহাতে ঠেলে সত্যকে কাছে টেনে নেই – জাতিতে, ধর্মে, বর্ণে নির্বিশেষে।
মন যেতে চাই মরুর দেশে রোকসানা সিদ্দিক বুকের ভেতর জগদ্দল পাথর হয়ে বসে আছে একরাশ বিষাদ-বেদনা! ওদেরকে ছুটি দিতে চেয়েছি গেলো মৌসুমেই। ওরা ছুটি নিতে আসেনি। তাইতো বুকের ভেতরে এখনও চলছে- ভালো থাকার সাজানো মঞ্চনাটক। উনুনে চাপিয়েছি সুগন্ধি ফুলের আতর, অথচ হৃদপিণ্ড জুড়ে ছড়াতে চায় বিষাদের ঘ্রাণ! আমি উৎসুক দৃষ্টিতে দেখছি ভেতরের আদিমতা। কিন্তু, সব ফেলে এখন আমার মন ছুটতে চাইছে- ঝকঝক ট্রেনের গতিতে শুদ্ধ মরুর দেশে। ০৪.০৯.২২ ইং
বাংলার মাছ আজিজুন নাহার আঁখি ইলিশ হলো মাছের রাজা গভীর জলে তার বাস আইর মাছের তিন কাঁটা গায়ে নাই তার আঁশ। রুই কাতলা উঠছে ভেসে দেখতে লাগছে বেশ চিতল মাছের রুপের মাধুরী থাকবে অনিঃশেষ। বোয়াল মাছের লম্বা দাড়ি থাকে গভীর জলে অন্য মাছ সামনে পেলেই টুপ করে গিলে ফেলে। খলসে মাছের ছটফটানি পুঁটি মাছের হাসি সোল মাছের রঙিন পোনা ভাসছে রাশি রাশি। বাইম মাছ লুকায় গর্তে ধরা বেজায় কষ্ট শিং মাছের কাঁটার বিষে জীবন হলো নষ্ট। তেলাপিয়া মাথা বারিয়ে খাচ্ছে কতো কিছু টাকি মাছ দিচ্ছে ডুব টেংড়া নিচ্ছে পিছু।
রঙিলা চাদর জেবুন্নেছা এই, কি দিবো সখা! আদর নাকি চাদর? আদর চাদর দুটো ই দাও, রঙিলা নায়ের বাদাম তুলে দাও সুখে। চলে যাবো বহুদূর… হিজল, তমাল, শালবনের শাখে। আদর চাদর দুটোই চাও! বেশ তো, এতে কত কি হয়, জানো কি তবে? যদি ঢেকে যায় রঙিলা চাদরে। তা কি তুমি জানো না? হুঁ, খুব জানি.. তবে, চলো যাই, হাওয়ায় উড়ি নীল আকাশে কষ্ট খুঁজি। অবশ্যই, তবে চল… আকাশে উড়ে নীল চাদরে কষ্ট খুঁজি। সুখের পরশ বুলিয়ে দিয়ো আলতো হাতে। যৌবনে প্রণয়ের আদর সোহাগে। রঙিলা সুখে ভাসাবো দু’জনে, এসো তবে বুকে। এ কালে এসে তুমি ঘুম কেড়ে নাও সুখে। সে কালে আসোনি…
