সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়ন দলকে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক: বিসিবির পর এবার তমা গ্রুপের পক্ষ থেকেও সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়ন দলকে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তমা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ সভাপতি নোয়াখালীর জেলার কৃতি সন্তান আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক। আজ এয়ারপোর্টে বিজয়ী দলকে বরন করে নিতে এসে T Sports এর লাইভে তিনি এই ঘোষণা দিয়েছেন।
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
এখনই প্রেমালিঙ্গণের সময় – মুহাম্মদ শামসুল হক বাবু হে যুবক হে যুবতী, অষ্টপ্রহরে রাত যখন গভীর হয়- আলোকিত চন্দ্র জেগে থাকে হাওয়ায় হাওয়ায় গতর জুড়ায়, জোনাকিপোকার মেলা বসে ঝিঁঝি পোকা নৃত্যের তালে তালে গান গায় মধু পূর্ণিমার স্নিগ্ধ রজনীতে- দেবীকে শুধুই অনুভব করি, মনে হয় এখনই প্রেমালিঙ্গণের সময়! হে যুবক হে যুবতী, তাঁর কথা চিন্তা করে করে- পথহারা পথিক ক্লান্ত পরিশ্রান্ত হয়ে- যখন নীরবে নিভৃতে- একা এক খাটে- একা একা ঘুমিয়ে পড়ি- তখন রুবারুমাসীকে মনে পড়ে যায়, মনে হয় এখনই প্রেমালিঙ্গণের সময়!
পরিচয় নিশাত জেসমিন জানি বৃক্ষের পরিচয় ফলে বৃক্ষ চিনি ফল দেখে, তাহলে ফুলের পরিচয় কিসে? এ প্রশ্ন গেলাম রেখে। যে গাছেতে শুধু আম ধরে আমগাছ তারেই কয়, লিচুগাছেই কেবল লিচু হয় জামরুল কিন্তু নয়। গোলাপ বাগিচায় কখনো কি বলো ফুটেছে বকুল? কিংবা ধরো শিউলি গাছেতে রক্তিম শিমুল। জেসমিন ফোটে গভীর নিশিথে সুগন্ধে ধরা মাতোয়ারা, গন্ধরাজের খোশবুতে আকাশ বাতাস কি যে দিশেহারা ! বৃক্ষ চিনি সুস্বাদু ফলে আমরা রঙ ও সুরভিতে ফুল, তাই ফলই হলো বৃক্ষের পরিচয় সৌন্দর্যের আধার ফুল। ফল আর ফুল হলো আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত, ফুলে- ফলে ভরে উঠুক অবনী বর্ষিত হোক রহমত।
থামাটাও একটা আর্ট লাবণ্য সীমা আমার প্রয়োজন ফুরিয়েছে বাধ্যক্য শব্দ টির মধ্যে কেমন যেনো একটা মায়া লেগে থাকে। বাধ্যক্য মানেই হাতে গোনা কিছু প্রহর, হঠাৎ থেমে যাওয়া জমানো কিছু নিঃশ্বাস । মৃত্যু সত্য তবে এই শব্দের সাথে আমরা একটা অজানা দূরত্ব তৈরি করে রাখি। জীবনে পথ চলতে চলতে কখন যে সবার কাছে অপ্রয়োজনীয়, হয়ে গেলাম বুঝতেই পারলাম না। ক্লান্তিহীন শরীরের চলা দেখে, সবাই একসময় বলতো, এই মেয়ে তুমি যন্ত্রমানব নাকি? কেমনে পারো এই ভাবে প্রতিনিয়ত চলতে! সেই আমাকে, আজ আমারই ভেতর থেকে কেউ একজন বলছে, এবার তোমাকে থামতে হবে আমরা আর তোমার সাথে চলতে পারছি না। আমার শরীরও আমাকে জানিয়ে…
আসছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৩ বিমূর্ত দহন বইয়ের ধরন: উপন্যাস লেখক: জেবুন্নেছা (সুইটি) প্রচ্ছদ: আজমুল হক (স্থপতি) প্রকাশনী: প্রতিবিম্ব প্রকাশ। সম্পাদনায়: আবুল খায়ের। ISBN No: 978-984-96667-3-8 প্রতিবিম্ব প্রকাশ (সৃজনশীল লেখকের ঠিকানা) অফিস: বাড়ি: ০১ (চতুর্থ তলা), সড়ক: ১৪/বি, সেক্টর: ০৪, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। ফোন: ০১৭১৫৩৬৩০৭৯ ইমেইল: khair.hrm@gmail.com
নৈঃশব্দের কাব্য আয়শা সাথী অবিনস্ত পরাজিত পক্তিমালাগুলো কালের পরিক্রমায় অটল অবস্হানে, পরিণতি- নিবিড়ে নৈঃশব্দের কাব্যগ্রন্থ। নিশ্চুপ নিরবতাগুলো ক্রমশ ভাঙে চূর্ণ বিচূর্ণ পিছুটান, পথরোধ করে গতিহীন স্মৃতিচারণ। জানান দেয় অমোঘ উপস্হিতি দূর্বিনীত যত হতাশার প্রহসন, খেই হারায় সাবলীলতা, চলমান ছন্দ। সংযত চিত্তে তাই ভাগ্য বিধাতা মুছে চলে আগামীর হাতছানিগুলো। নিশ্চল অচলে ঠায় স্থবিরতা নিরব দর্শকের ভূমিকায় অবতীর্ণ, নিরাশার বালুচরে মুখ থুবরে পড়ে সকল চাওয়া, পাওয়া- না পাওয়া। অসহ্য, অসহনশীল বহমান ক্ষণকাল দমবন্ধ আর্তনাদে গুমরে মরে। মমত্বের আবেশে সুধায় কিছু জিজ্ঞেসা- তোমার কি মন খারাপ ? না-তো! এড়িয়ে চলা সহস্র প্রশ্ন ! চাপা দিতে অন্তহীন অভিযোগ নিত্য মুখোশের অন্তরালে চলে কতই না…
প্রিয় সেজেছে আজ মন আমার রঙিন সাজে সেজেছে মন আমার উতলা হয়েছে। মন আমার উদাসী হয়েছে মন আমার সবুজে ঘেরা অশান্ত বিকেল হয়েছে মন আমার আজ অবুঝ হয়েছে ভালোবাসার সাত রঙে রংধনু সেজেছে। আজ কিন্তু তোমাকে নীল শার্টে চাই মেঘ বর্ষায় সন্ধ্যায় একাকী হতে চায়। দুজন দুজনার হতে চাই আজ মন আমার রঙিন সাজে সেজেছে। দখিনা হাওয়া বইছে কানে কানে শরতের হাওয়া আমায় বলেছে তুমি ভালবেসেছ আমাকে। মন আমার উতালা হয়েছে আমি ভালোবাসায় হারিয়েছি। নীল আকাশের রঙে আজ আমি সেজেছি তোমাকে আজ নীল শার্টে চাই চাই। দেখো না একটু আমাকে চেয়ে আমি যে তোমার পথ চেয়ে। প্রথম দেখায় ভালোবেসেছি তোমায়…
তুমি শুধু আমার জানি না এ কোন মায়ায় আমি পড়েছি, তোমাকে ছাড়তে গিয়েও বার বার তোমার প্রেমে পড়েছি। হৃদয়ের বাঁধনে তোমায় বেঁধেছি, এ হৃদয়ে তোমায় নিয়ে কতনা খুনসুটি। মেঘের পালকের মত ভেসে ভেসে হারাবো দু’জন, বৃষ্টি হয়ে ঝরবো যখন তখন। আমার মনের নীল আকাশ দিবো তোমায় লিখে, তুমি হারিয়ে যেওনা কবু আমায় রেখে। বিষাদের যন্ত্রণা কেটে উঠলাম তোমার একটু ভালোবাসা পেয়ে, তোমার ভালোবাসা রোজ সিক্ত হই আমি অবশেষে। ফিরে এসে একবার দেখো এ মন হারায় তোমায় ভেবে, পারবো না পারবো না কবু তোমায় হারাতে। আজীবন তোমার অপেক্ষায় আছি, এ মন তোমার তরে পড়ে রয় দিবানিশি। কানাডা: ১১-০৯-২০২২ চলো আবার…
একজন আরাধ্যার জন্ম রেশমা আক্তার পর্ব-৪ বাচ্চার মুখ দেখে নার্সেরও বুঝি দয়া হলো। পৌষের শীত। তাই মানবিক কারণেই পাগলীর এইবার জায়গা হলো হাসপাতালের বারান্দার মেঝেতে। রাহেলা তাতেই খুশি। রাহেলা সব ঠিকঠাক করে দিয়ে ঘুমন্ত পাগলীর বুকের কাছে বাচ্চাটা জড়ো করে রেখে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে এলো। ফজরের আজান পড়েছে। লোকজনও বের হয়েছে রাস্তায়। রাহেলা বাসায় এসে গোসল সেরে, রান্না খাওয়া করে কাজে যাবার প্রস্তুতি নেয়। ছেলে দুটো স্কুলে চলে গেলে সেও কাজে বের হয়। সারাদিন কাজের ফাঁকে বারবার বাচ্চাটার কথাই মনে পড়লো তার। পাগলীটা বাচ্চাকে খাওয়াবে তো? কোলে নিবে তো? ফেলে রেখে চলে যাবে নাতো? হাসপাতালে কত লোকজন, নিশ্চই মানুষের…
মিতালী শাহ নাজমুল হুদা সৃষ্টির অপরূপতা মিলে মিশে একাকার, সাদা- কালো মেঘের আনমনা ছোঁয়াছুঁয়ি, ঘাসের গায়ে লেপ্টে থাকা শিশির বিন্দু, মাছরাঙ্গার হৃদয়হারী বরণ এর পাশে বিভীষিকাময় আবহ নিয়ে কটমট চোখে বসে থাকা নিরীহ পেঁচক, কোথায় যেন মিলের সঙ্গীত বেজে ওঠে। তোমার উচ্ছ্বাস, উচ্ছ্বল সুগঠিত তনু আর ঝাকানাকা বেশবাস। লালাভ আবরণ জুড়ে ভোরের স্নিগ্ধতা, কি রাজযোটক মিল। আকাশ স্তব্ধ হয়, পাহাড়ী সবুজ বিবমিষায় হারিয়ে ফেলে খেই, তার সর্বাঙ্গে মিতালী পাতানো ঢেউ।
