যবনিকা আরজু আরা কেউ যখন কষ্ট দেয় নীরবে নির্জনে অশ্রু বিলায়। তাই তো একাকী আকাশ সারারাত কাটায় নিভৃত্ব হৃদয় নিয়ে নির্জলা উপবাস ! এক দ্বার থেকে আরেক দ্বারে নির্বিকার হয়ে তনয়না, ফিরে যায় কোন এক নির্জন নিপুবনে মেনে নিতে বাধ্য হয় একান্ত বনবাস ! প্রেমেরই এমনি ধারা বর্ষার মুষলকেও দেয় না ধরা। এর চেয়ে হংসমিথুন হয়ে জন্ম নেওয়াটা ঢের ভালো আকাশের দূর-দূরান্তে খুঁজে নেওয়া যায় অন্য স্বাদের আবিষ্ট। তবুও তো ভাগ্যন্বেষীকে দিতে হয় না কোন দোষ বা কৈফিরত। এ শুধু অবিচল ধাবমান, কোন এক রূপান্তরির অগ্নি জ্বালাময়রে যবনিকার পরীক্ষণের দৃশ্যমান।
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
অপেক্ষা রহিমা আক্তার লিলি এই যে ছেলে! শুনছো আমায়,টেলিফোনে? মনে পড়ে? এইতো সে দিন! গলির মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকে কোন ছেলেটা? বুক পকেটে লাল গোলাপের ঘোর হতাশা! অপেক্ষাতে প্রহর গুনে, আসবে কখন হরিণ চোখের সেই মেয়েটা। সেই ছেলেটার বুকের ভেতর খাঁ খাঁ করে চৈত্র মাসের ভরা দুপুর। আসবে কখন উড়িয়ে ধূলো রিনিঝিনি বাজিয়ে নূপুর। অষ্টাদশী কাঁপন তুলে সবুজ পাড়ের ওড়না দুলে বুকের ভেতর। চোখের কোণে বাউরি উড়ায় ফাগুন হাওয়া, চুলের ভাঁজে আটকে থাকে অচীন মায়া। সেই মেয়েটার পায়ের নূপুর পথের ধুলোয় গড়িয়ে পড়ে কোন বাহানায়? আড় চাহনি মুচকি হাসি ঝর তুলে যায় কোন সে গাঙে! স্বপ্ন বুনা কোন মোহনায়! এই যে…
১. আঁধার-কে ভালোবাসিনি আমি আঁধার কে ভালোবাসিনি শুধু তোমাকে চাইবো বলে। তুমি আলোগুলো সব এক লহমায় নিভিয়ে গিয়েছো চলে। আমি ব্যস্ত নাবিক ক্লান্ত শ্রমিক জীবনের পথে ঘাটে। তুমি আঁধার দিয়েছো আলোর ঠিকানা নিভিয়ে নিজের হাতে! আমি আঁধারকে ভালোবাসিনি তোমার আলোর ঠিকানা পেতে। তুমি আলো নিয়ে শুধু খেলে গেলে আমায় অথৈই আঁধারে রেখে। আমি আঁধারকে ভালোবাসিনি তোমার আলোগুলো ভালোবেসে। ২. ঠিকানা তোমার জন্য স্মৃতির কিছু পালক রেখে যাবো। ভোরের মতোই ঝাপসা সকাল -রাত্রি রেখে যাবো! দিনের গন্ধ ছুঁয়ে থাকা শিশির যেমন রোজ সকাল দেখার আকাঙ্খাতে হারিয়ে ফেলে খোঁজ। কোলাহলের ভীড়েরও যখন একলা হবে খুব সাদাকালো স্মৃতির খাতায় ডুব দিও চুপ…
স্নিগ্ধ ভোর সাগর শাহ্ আমি দুর্দিনের পথের যাত্রী দিবারাত্রি, নিশি করি ভোর। বাড়ি আমার অট্টালিকা জানি বহুদূর। আমি ঘুর্ণীঝড়ে ঘোর বিপাকে কোন দিকে নিবো মোড়। মরু পথে, ছায়া হাতে যাবো আমি, সেটা কতো দূর। আমি জাগরণে নিশি জাগি, স্বপ্ন দেখে আবার ভাগি যদি পেতাম কোনো একটা হুর, পাড়ি দিতাম অট্টালিকা, বয়ে যেতাম সাত সমুদ্র। আমার হয়নি দেখা, কেমন ছিলো সোনালি রোদ্দুর লোহিত লাভা, অগ্নিশিখা, পা ভিজাই আমি খুঁজে ফিরি শিশিরের স্নিগ্ধ ভোর। কবি পরিচিতি: জন্ম: কবি সাগর শাহ্ কিশোরগঞ্জ, কটিয়াদী, বনগ্রাম ইউনিয়ানের শিমুহা নেহারদিয়া গ্রামে ০৮ ডিসেম্বর ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মো: বাদল মিয়া ও মায়ের…
উপলব্ধি দিল আফরোজ রিমা পর্ব – ১ “তোমারেই যেন ভালো বাসিয়াছি আমি শতরূপে শতবার, জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার, চিরকাল ধরে মুগ্ধ হৃদয় গাঁথিয়াছে গীতহার কতরূপ ধরে পরেছ গলায়, নিয়েছ সে উপহার জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।” ঘুমের মধ্যেই কবিতার কথাগুলো নির্ঝরের কর্ণগোচর হয়। সে ডেকে ওঠে-“নীলাঞ্জনা — ছোট্ট হাতটি বাবার কপালে বুলিয়ে দেয় রিমঝিম, বলে-কি হয়েছে বাবা এইতো আমি তোমার পাশে বসে আছি। আমি কবিতা পড়ছিলাম। মাকে ডাকছ কেন ? নির্ঝর আবার চুপচাপ শুয়ে পড়ে। সে মনে মনে বলে- নীলাঞ্জনা শুনেছ ? তোমার মেয়ে তোমার পছন্দের কবিতাটি ঠিক তোমার মতো করেই আমাকে আবৃত্তি করে শোনায়। জানতো নীলাঞ্জনা, রিমিঝিম ছাড়া…
আজকে কবি আলী মুহাম্মাদ এর শুভ জন্মদিন: জন্ম: কবি, গবেষক ও দার্শনিক আলী মুহাম্মাদ ১৯৮৫ সালের ২০ শে অক্টোম্বর বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার ‘মাজিহাট’ গ্রামের সম্ভ্রান্ত পাঠানবাড়ী ‘সাত ভাই পাড়ায়’ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মোঃ আমোদ আলী পাঠান এবং মাতার নাম মোছাঃ রোমেলা বেগম। সাহিত্য চর্চা: তাঁর প্রথম কাব্য “যৌবন-২০০৬” সালের একুশে বইমেলায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এরপর সনেট কাব্য “মহামানব-২০১০ সাল” ও সনেট মহাকাব্য “ভোট-২০১০ সাল” সহ বিভিন্ন ধর্মদর্শনের বই তাঁর নিয়মিত প্রকাশিত হতে থাকে। বিশেষ করে “সনাতন হিন্দু ধর্ম পরিচিতি এবং ঔঁম ও কল্কি অবতার প্রসঙ্গ-২০১৯ সাল”-এ কলকাতার ‘রেনেসাঁ পাবলিশার্স’ থেকে ‘কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায়’ প্রকাশিত হলে পশ্চিমবঙ্গে…
বুক রিভিউ বইঃ বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মাদ (সাঃ) লেখকঃ ড. হিশাম আল – আওয়াদি অনুবাদকঃ মাসুদ শরীফ মোট পৃষ্ঠাঃ ১৩৮ প্রকাশনীঃ গার্ডিয়ান পাবলিকেশন প্রথম প্রকাশঃ ৩০ নভেম্বর, ২০১৭ হার্ডকাভার মূল্যঃ ২৫০ টাকা পেপারব্যাক মূল্যঃ২২০ টাকা রিভিউ লেখিকাঃ সেতারা কবির সেতু লেখক পরিচিতিঃ ড. হিশাম আল- আওয়াদির জন্ম কুয়েতে। পড়াশোনা করেছেন ইতিহাস, রাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও যোগাযোগ বিষয়ে। অধ্যায়নের সময়টা কাটিয়েছেন ক্যামব্রিজ, এক্সোটারসহ আরো কয়েকটি ব্রিটিশ ইউনিভার্সিটিতে। পিএইচডি ডিগ্রিধারী এই গবেষক একসময় অধ্যাপনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে। ড. হিশামের আগ্রহের বিষয় মানুষকে অনুপ্রাণিত করা, উদ্দীপ্ত করা। নিজে শেখা, অন্যকে শেখানো। অনুবাদক পরিচিতিঃ অনুবাদক মাসুদ শরীফ পড়াশোনা করেছেন ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং…
জোসনা দেখি না আমার জীবন আমার কাছে নদীর মত নয় দুঃখে সুখে জীবন চলে নেই কো কোন ভয়। আমবাগানে জোসনা রাতে এনিয়ে বিনিয়ে তোমার সাথে কত না কথাই হলো তিন সত্যি ভালোবাসি শতাধিক বার বলো। কোথায় তুমি কেমন আছো খবর জানি না চাঁদ জেগে রয় একা একা জোসনা দেখি না। তুমি আর আমি এম এ শোয়েব দুলাল হারাগাছ, রংপুর ভোরের দৃশ্যে তুমি আর আমি স্বপ্ন দেখায় রাত জাগা পাখি আকাশ হাসে আলোর ভেলায় ফিরছি নতুন দিনে। যুগলবন্দী ভালোবাসা সব আসবে কদিন পরে খেলবে শিশু উঠোন বুকে আমাদের হৃদয় জুড়ে। ভালোবাসায় ভালোবাসা নেই তোমাকে ভুলতে চাই কিন্তু পারি না তোমাকে…
শিশুসাহিত্যিক ও ছড়াকার আনজীর লিটন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির নতুন মহাপরিচালক (ডিজি): বাংলাদেশ শিশু একাডেমির নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) নিয়োগ পেয়েছেন শিশু সাহিত্যিক ও ছড়াকার আনজীর লিটন। অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে আগামী তিন বছরের জন্য তাকে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নিয়োগের শর্তাবলি অনুমোদিত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারণ করা হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে শিশু একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব মো. শরিফুল ইসলামকে সোমবার (১৭ অক্টোবর) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বদলি করা হয়।
অনন্তকালের বনসাই শিরীণ আক্তার আমি মুছে দিতে চাই সে অপেক্ষার প্রহর যেথায় অবহেলার রাজত্বে মাকড়সা জাল বোনে, ভুলে যেতে চাই সে ভালোবাসার স্মৃতি যেখানে অবহেলা উপেক্ষার মুচকি হাসি হাসে, নিভিয়ে দিতে চাই সে তুষের আগুন অপেক্ষাকে অবহেলা যেখানে পুড়ে করে ছাইমাখা কয়লা, উপড়ে দিতে চাই সে বিষদাঁত বিষাক্ত ফণা তুলে অবহেলা কামড়ে যেখানে বিষে জর্জরিত করছিলো, অপেক্ষার সাথে অবহেলা মিশ্রিত সে বরফের চাঁই তপ্ত মরুদ্যানে ঝরাতে চাই আমি। যাতে মুহূর্তেই অবহেলাকে ছাড়িয়ে খটখটে শুকনো মন পোড়া সে অপেক্ষা আমার সামনে এসে দাঁড়ায়, তবে সেদিন হতে তোমার প্রতীক্ষায় আমি অনন্তকাল অপেক্ষা করব। হতে পারি বট পাকুড়ের শতাব্দীকাল বেঁচে থাকা বনসাই, হতে…
