অভিনেত্রী, সুবর্ণা মুস্তাফা’র জন্মদিন পালন: অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা জন্ম: ২ ডিসেম্বর, ১৯৫৯ অভিনেত্রী, প্রযোজক ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সদস্য। তিনি প্রখ্যাত অভিনেতা গোলাম মুস্তাফার কন্যা এবং ক্যামেলিয়া মোস্তফার বোন। ১৯৮০-এর দশকে তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। বিশেষ করে আফজাল হোসেন এবং হুমায়ুন ফরীদির সাথে তার জুটি ব্যাপক দর্শক সমাদর লাভ করে। এছাড়া তিনি হুমায়ূন আহমেদের লেখা কোথাও কেউ নেই ও আজ রবিবার টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেন। টেলিভিশন নাটকের পাশাপাশি তিনি ২২ বছর মঞ্চে অভিনয় করেন। সুবর্ণা মুস্তাফা ১৯৫৯ সালের ২রা ডিসেম্বর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নিবাস ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
মাহফুজুর রহমান খান মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা জন্ম: ১০ মে ১৯৪৯ মৃত্যু: ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ বিনম্র শ্রদ্ধা চিত্রগ্রাহক। পেশাদার চিত্রগ্রাহক হিসেবে তিনি ১৯৭২ সালে প্রথম চলচ্চিত্রে কাজ করেন। তিনি আলমগীর কবির, আলমগীর কুমকুম, হুমায়ুন আহমেদ, শিবলি সাদিকদের মত চলচ্চিত্র পরিচালকদের সাথে কাজ করেন। চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণের জন্য তিনি নয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, আটবার বাচসাস পুরস্কার এবং একবার বিশেষ বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার লাভ করেন। মাহফুজুর রহমান ১৯৪৯ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম হাকিম ইরতিজা-উর-রহমান খান ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। তার পৈতৃক নিবাস ছিল লালবাগের চকবাজারস্থ হাকিম হাবিবুর রহমান খান রোডে। রোডটির নাম তার দাদা হাকিম…
তারেক মাসুদ পুরো নাম আবু তারেক মাসুদ জন্ম: ডিসেম্বর ৬, ১৯৫৬ মৃত্যু: আগস্ট ১৩, ২০১১ চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, লেখক এবং গীতিকার। মাটির ময়না (২০০২) তার প্রথম ফিচার চলচ্চিত্র যার জন্য তিনি ২০০২-এর কান চলচ্চিত্র উৎসবে ডিরেক্টরস ফোর্টনাইটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন এবং এটি প্রথম বাংলাদেশি বাংলা চলচ্চিত্র হিসেবে সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র হিসেবে একাডেমি পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশী নিবেদন করা হয়েছিল। তারেক মাসুদের পরিচালিত প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র সোনার বেড়ি (১৯৮৫) এবং সর্বশেষ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র রানওয়ে (২০১০)। চলচ্চিত্রে তার অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকে ভূষিত করে। ২০১৩ সালে নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের এশিয়ান/প্যাসিফিক/আমেরিকান…
খুঁজে চলি। রুণা বিশ্বাস তোমার প্রথম খোঁপায় গুঁজে দেওয়া গোলাপের সুবাস আজও ছড়িয়ে রয়েছে সারা ঘরময় । আজও অমৃতময় পরশ অনুভূত হয় তোমার সমগ্র স্মৃতির আলাপন জুড়ে- লক্ষ কোটি মানুষের ভিড়ে খুঁজে চলি তবু পাই না পায়ের চিহ্ন! বিনিদ্র রাত কেটে যায়- তোমারই অপেক্ষায়। বিস্তীর্ণ সুনীল আকাশে অপলক চেয়ে থাকি সারাক্ষন খুঁজি তোমাকে। অনুভব করি বাতাসের স্পর্শে। সূর্যাস্তের রক্তিম আলোক রেখায় খুঁজি বৃষ্টির ফোঁটায় কখনো ঘাসের শিশির বিন্দুতে তোমাকে খুঁজে চলি। দুর্ভেদ্য অন্ধকারে হাতড়ে বেড়াই তোমার অজস্র স্মৃতি। দিগন্ত রেখার ধারে ধারে যেখানে বৃত্তাকারে মিশেছে আকাশের প্রগাঢ় নীলিমা নিস্তরঙ্গ শান্ত দিঘীর ওপারে যেখানে বাসা বেঁধেছে পানকৌড়ির ঝাঁক আমি সেখানেও খুঁজে…
কষ্টগুলো মাহবুবা ফারুক অবহেলার রোদ বৃষ্টিতে পড়ে থেকে এক সময় পাথর হয়ে গিয়েছে কুড়িয়ে নেয়না কেউ গড়েনা গহনা অথবা কোনো প্রাসাদে ইমারতে লাগেনি কাজে, কোনো আঙ্গুলের জন্যে নির্ধারিত হয়না ভাগ্য ফিরানোর দায় নিয়ে, তার কোনো নাম নেই রঙ নেই দামি পাথরের যেমন থাকে। সেই পাথর একদিন তৈরি করে দিল মানুষ চেনার পথ। এই পথ ধরে যেতে যেতে দেখি মুছে গেছে অনেকের পায়ের ছাপ এত এত চেনা নাম ধরে ডাকি এত এত মুখ মনে করে খুঁজি কাউকে দেখিনা কেউ নেই পথের কোথাও, পাথরের কেউ থাকেনা শুধু চেনার চোখ ছাড়া। আর কষ্টের বুক ছাড়া।
হাস্যবটিকা উচ্চারণ। মেহবুবা হক রুমা। পার্লারে বসে আছি। হঠাৎ পার্লারের উপরের ছাদে এতো ভারী কিছু পড়ার শব্দ হলো চার পাশের ওয়াল সহ নীচের ফ্লোর কেঁপে উঠলো। আমি রীতিমত চমকে উঠে পার্লারের মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করলাম। কি সমস্যা কিসের শব্দ? মেয়েটা নতুন কথা স্পস্ট না। আজ ওকে নতুন দেখছি। মেয়েটা বললো উপরে একটা জীন আছে। এজন্য এরকম শব্দ হয়। আমি অবাক হলাম, বললাম তুমি সিউর উপরে একটা জীন আছে। ইতিমধ্যে আবার শব্দ হলো। মেয়েটা বললো ভারী ওয়েট উঠায় নীচে ফেলে তখন জীনের এমন শব্দ হয়। আমি বললাম,” তুমি জীনটা দেখেছো”? হ্যাঁ দেখেছি, আপনিও যাওয়ার সময় দেখে যান। চাইলে ভর্তি হতে পারেন। তখন…
অভিমান। তসলিমা হাসান। বললাম, আমি ওকে প্রায়ই স্বপ্নে দেখি। আর সে স্বপ্নগুলো কী যে জীবন্ত থাকে। ঘুম ভাঙার পর বেশ কিছুক্ষণ আমি বুঝতেই পারি না ঘটনাগুলো স্বপ্নে ঘটলো না বাস্তবে। শুনে সে বলল, হুম। এবার আমি সবিস্তারে বলতে থাকি, কয়েকদিন আগে আমার খুব জ্বর হলো। কী ভীষণ মাথা ব্যথা ছিল। আমি ঘুমাতে পারতাম না। ডাক্তার কত রকমের ওষুধ দিয়েছিল। তাতে পেইন কিলার আর ঘুমের ওষুধও ছিল। তবু আমার ঘুম হতো না। আমি ছটফট করতাম। শেষরাতের দিকে ঘুমিয়ে পড়েছি। তখনই ওকে স্বপ্নে দেখলাম। এবার সে নড়েচড়ে বসল। মনে হলো যেন আমার স্বপ্নের মধ্যে তিনি কোনো গল্প খুঁজছেন। আমি শুরু করলাম। জানেন,…
নোঙ্গরবিহীন যাত্রা। হাসিদা মুন। নোঙ্গর বিহীন যাত্রায় একাকী জগত যাপন এতে অনুপ্রবেশ নেই কারোতে কারোর, প্রলম্বিত দিন রাত্রির স্রোত তলিয়ে যায়- ঘোরে দুরন্ত নাটাই মোহমগ্নতায়…. কালের প্রবাহ গুটিয়ে নেয় ভগ্নাংশ ডুবো সাঁতারে সমর্পিত হয়ে নিঃশেষ আঁচড় কাটি , নীল পদ্মের বোটা ছিড়ে জলের সীমান্ত খুঁজি জলপথে ঠিকানা হারানো বন্দরে …. যেখানে ঝিমোয় তপ্ত দুপুর ঘামে হলাহল হলে নিরানন্দ প্রহরের লতা গুল্ম সরাই – জলচিত্রের জলের কণায় অসহিষ্ণু সুরার ফোটা পড়ে গন্তব্য ভুলি দূরের কণ্ঠস্বরে … অবাধ চেতন গোপনীয়তায় জেগে থাকে বাষ্প চুইয়ে পড়ে হৃদয়ের গহীনে বাষ্পীভূত হয়ে উধাও হতে হতেই আরেক কলসি ভরে দিয়ে যায় সময়… জ্যোৎস্নার অমরাবতী পরাগ সান্নিধ্য…
সাহসিকতা লুৎফুর রহমান চৌধুরী রাকিব লক্ষ কোটি মানুষের সাহসিকতায় দেশটি হলো স্বাধীন পালিয়ে গেলো পাকবাহিনী বাজলো যখন বীন। ওরা সবাই এক হয়ে যখন বুক দিলো পেতে বাংলার পবিত্র মাটি তখন খুশিতে উঠলো মেতে। জোয়ান বৃদ্ধ সবাই বলে চলরে সবাই চল বিজয়ের নিশান হাতে নিয়ে ছুটলো তরুণ দল। ওরা সবাই জাতির গৌরব বীরশহীদ তাঁদের নাম তাদের প্রতি আমরা জানাই লক্ষ কোটি সালাম। UK//
এক দীর্ঘশ্বাস। সুরমা খন্দকার (৩০/১১/২০২১) এক দীর্ঘশ্বাস সুরমা খন্দকার আমাদের ছিল এক দীর্ঘশ্বাস ভিতর জুড়ে রক্তের হাহাকার বিদীর্ণ হৃদয় বসবাস। কতোটা উতলা হলে নদী নতজানু হয়ে,ছুঁয়ে যায় ভূমি! কতোটা ভালোবাসলে হৃদয় খাঁটি হয়ে, হয় দীর্ঘশ্বাসের মরুভূমি! কতোটা একা হয়ে চাঁদ বিরহ ভরা জোছনা দেয়? কতো শূন্যতা চাপালে বুকে কলকল কান্না বয়।
