Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

লোডশেডিং সমাচার (সাজেদা পারভীন) যাক্ না? সারাদিনে দু একবার ইলেকট্রিসিটি চলে যাওয়া সে কোন ব্যাপার না। যদি আমি সেটিকে পজিটিভলি নিতে শিখি। রাতে চলে যাবে দু এক ঘন্টার জন্য? মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে অনেকের। কিন্তু আমার তা হয় না। আমি খুব পজিটিভলি সেটি নিতে পারি। তখন বেশি বেশি মনে পড়ে শৈশবের কথা। একটা সময় বিদ্যুৎ মামা এতটা এভেইলেবল ছিল না। তারপরও দিন চলে গেছে। আমি বলবো খুব ভালোভাবেই গিয়েছে। রাতে বিদ্যুৎ মামার চলে যাওয়া মানেই মজার শুরু বিশেষ করে আমাদের ছেলেবেলায় তাইই মনে হতো। কত দৌড়াদৌড়ি করেছি, কত রকমের খেলা খেলেছি,হেসে কুটিকুটি হয়েছি। কারেন্টের অবাধ আসা যাওয়া থেকেই চাঁদকে ভালোবেসে…

আরো পড়ুন

সম্প‍্রীতিই ধর্মের সার। ।।ম.আ.কুদ্দুস পদ্মা।। পর বিশ্বাসে আঘাত মানবতা বিরোধী মতবাদ সম্প্রীতিই ধর্মের সার মনুষ‍্যের শ্রেষ্ঠ পথ। পর মত সহিষ্ণুতায় বাড়ায় নিজ ধর্মের ধর্ম গৌরব, মহিয়ান মহত্ব। ঠেলাঠেলিতে কি গৈরব? কোথায় রয় মানুষের মনুষ‍্যত্ব? সবাই সকলের তরে মিলিয়া মিশিয়া আমরা ভাই ভাই একই জাত জ্ঞ‍্যাতি মোরা, নাই ভেদাভেদ কিছু নাই। জাত অভিজাত থাকেনা লেখা গায়ে প্রকাশমান তাহা আচার ব‍্যাবহারে। কালো ধলো ছোট বড় সবারই ধমনীতে বয় লাল একই রক্ত কেনইবা জাতপাত লড়াইয়ের বিষাদ কুরুক্ষেত্র । ধর্ম বর্ণ ভাষা দেশ ভিন্ন ভিন্ন, অভিন্ন নহে জীবন মৃত‍্যু শাশ্বত ধনি গরীব শুদ্র ক্ষুদ্র অচ্ছুৎ সবারই অন্তিম ঠিকানার মানে একই তো! পরশ্রী পরনিন্দা মন্দ…

আরো পড়ুন

কন্যাদায় [ ইমতিয়াজ সুলতান ইমরান ] মেয়ের বাবা হয়ে মহাবিপদে পড়েছেন ইকরাম সাহেব। বিপদে পড়াটাই স্বাভাবিক। অষ্টাদশী শিক্ষিত রূপবতী মেয়ের বাবা। প্রতিদিন ঘটকরা এসে ঘোরঘোর করে বিভিন্ন পাত্রের ছবি আর বায়োডাটা নিয়ে। তিনি যতই বলেন, এখনই মেয়ের বিয়ের কথা ভাবছেন না। নাছোড়বান্দা ঘটকরা তার পিছু ছাড়ছে না। একটার পর একটা পান চিবিয়ে মিষ্টিমুখে বলবে, অমুক ছেলে শিক্ষিত সুদর্শন। তমুক পাত্র বড়লোক বাবার একমাত্র ছেলে। এই ছেলের চৌদ্দগোষ্ঠি লন্ডন আমেরিকায়। সেই ছেলে বড় চাকুরী করে। এমন ভালো-ভালো পাত্রের ঢাকঢোল প্রায়ই পিটিয়ে যায় ঘটকবাহিনী। ঘটকবাহিনীর ঢাকঢোল ইকরাম সাহেব কানে ঠাঁই না দিলেও অন্তরি বেগমের কান ঠিকই ভারী করে তুলেছে। ভারী হওয়াটাই স্বাভাবিক।…

আরো পড়ুন

বাংলায় “কি” এবং “কী”-এর মধ্যে পার্থক্য কী? আসলে বাংলা ভাষায় কিছু শব্দের ব্যবহার অনেক জটিল। তবে জানতে পারলেই সব সহজ মনে হবে। যেগুলো সবাই জানে না। কারণ স্কুলে এসব বিষয়ে কেউ গুরুত্ব দেয় না। যাই হোক, মূল প্রসঙ্গে আসি। আমার স্কুলের বাংলা শিক্ষক আমাকে এর পার্থক্য বুঝিয়েছিল এবং এর ব্যবহার-বিধি শিখিয়েছিল। আমরা যখন কোনো প্রশ্ন করি তখন কী/কি বলি।কিন্তু লেখার সময় বানান আলাদা হয়ে যায়। আমরা যখন কোনো প্রশ্ন করি। আর সেই প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ/না বা মাথা নেড়ে উত্তর প্রদান করা যায়। তখন সেক্ষেত্রে বাক্যের শেষে “কি” শব্দটি বসে। উদাহরণ- ১। তুমি কি লিখতে পারো? উ: হ্যাঁ। ২।তুমি কি সাঁতার…

আরো পড়ুন

ঘাত-প্রতিঘাতের নিষ্পেষিত বর্তমানের অনলাইন শিক্ষা [ রুমা পারভীনারা ] ‘শিক্ষা’ গতিশীল ধারণা বিশেষ। সময়ে সময়ে এর অর্থ পরিবর্তিত হয়।তার কারণ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন চিন্তা- ভাবনা, বিভিন্ন পরিস্থিতি শিক্ষার অর্থ, ধারাকে পরিবর্তিত করতে সচেষ্ট করে এবং এর ফলে শিক্ষা ক্ষণে ক্ষণে নতুনরূপে জন্ম লাভ করে আসছে আজও একই প্রক্রীয়ায়। বিকাশ প্রক্রীয়া যেমন জন্ম মূহুর্ত থেকে মৃত্যু পর্যন্ত চলে তেমনি শিক্ষাও বিকাশের মতই বৈশিষ্ট্য ধারণ করে নিরন্তর অঙ্গাঙ্গীভাবে চালিত করে আসছে প্রতিটি মানুষকে।এক্ষেত্রে বিকাশ যেমন শিশুর মনোভাব, আগ্রহ,প্রক্ষোভ সব কিছুকেই প্রাধান্য দিয়েই এগিয়ে চলে।তেমনি মানুষের বোধ শক্তির সমস্ত প্রক্রিয়াকে তীক্ষ্ণ ধারালো উন্নত মস্তিষ্কের উন্নত চিন্তাধারার ক্রমগতি সাধন করে তোলে। ‘শিক্ষা’ শব্দটি একটি…

আরো পড়ুন

শেফালির আত্মিক বিণ [ জেবুন্নেছা সুইটি ] দীর্ঘ বত্রিশ বছর পর, শেফালীর মনে এ কেমন আবছা আলোয় চকচক করছিল ঝরে যাওয়া কদমফুলের রেণু! কদমের তলে শেফালী তরে! শেফালির গায়ে কদমের রেণু! সতেরো বছর পর ফুটেছে তাঁরা আত্মীক বিণে! কেউ হয়তো জানতেই পারবে না, কি হ’য়ে গেছে তাঁদের মাঝে। একদিন শেফালী কদমকে জিজ্ঞেস করলো, “আমার কথা তোমার মনে আছে? কতদিন তুমি আমায় বিরক্ত করো না! মনে আছে, প্রতিদিন ঝিরিঝিরি বৃষ্টির ফোঁটায় তুমি আমায় গায়ে রেণু ঝরিয়ে দিতে। আমি চুপচাপ তোমার ঝরা ভালোবাসার ঘ্রাণ নিতাম। তুমি ভাবতে, আমার শোধবোধ কিছুই নেই। আমি তোমার ভাবনায় লুটোপুটি খেয়ে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি দিতাম ঘাসের বিছানায়।…

আরো পড়ুন

মাঝে মাঝে – ফারহানা আহাসান মাঝে মাঝে কিছু বর্ষণ কিছু ধূসর রঙের মন ছেয়ে যায় মেঘের আড়ালে রয়ে যায় বিবর্ণ হীন বর্ণ। কোথাও মুষল বর্ষণে কেপে উঠে মনের পাটাতন, কোথাওবা নিঃশ্চুপ মনের আহ্বান। আমার সুখের জানালায় এ কোন বিষাদের ছায়া হারিয়ে গেলো দূর আকাশে রৌদ্র মাখা হাসি। আধার যতো হোক কালো আলো আসবে হাতের মুঠোয় যদি ইচ্ছে হয় অটল।

আরো পড়ুন

আমার মাতৃচুম্বনের আদি স্বর মুহম্মদ নূরুল হুদা মেঘেদের আড়ালে হাসছিলাম হাহা। ঠা-ঠা ডিগবাজি খাচ্ছিলাম সপ্ত-ঋষির পবনে-পর্বতে। মুহূর্তের তিমিরাক্ষী আলোকপোশাক রূপবদলরত অনবরত। ভীতসন্ত্রস্ত আমি পালিয়ে বেড়াচ্ছিলাম স্বর্গমর্ত্য অমাদিগন্ত। আমার আগে-পেছনে আমাকে খুঁজে খুঁজে পাহারা দিচ্ছিল হাজারহাজার কোটিকোটি আমার আমি। যেহেতু আমার আগে-পেছনে আমার পেছনে-আগে ছুটছিলেন বড়শি হাতে আমার মানবজনক। জনক তো নয়, খলুই হাতে এক মৎস্যশিকারি। শিকারি তো নয়, সুদর্শন চক্র হাতে এক নিমগ্ন নিকারি। নিকারি তো নয়, ধনুক হাতে এক দোলনা-কারবারি… কত অনন্ত পার হতে চলেছে মা আমার সন্তানহীনা। মানুষজনের হাতে হাতে বেদনার বেহালাবীণা। না তিরস্কার, না পুরস্কার; বাবা আটকুঁড়া বাদশাহর ভুবনবিদারী হাহাকার। হাহা কার! হাহা কার? হাহা কার! আমি…

আরো পড়ুন

ডুব ডুবে যাওয়ার আগে চিৎকার করে ডেকেছি শুনেছিলে কি? হয়তো শুনেছো খুঁজেছো এতোটাই তলিয়ে গিয়েছিলাম তরঙ্গও থেমে গিয়েছিলো নিঃশ্বাসের বুদবুদও ওঠেনি শান্ত নিশ্চুপ কেউ কখনো ছিলো না যেনো! স্পর্শ এখন অন্ধকার এই খানে নক্ষত্রের নীচে মুখোমুখি আবছায়া ছায়ামূর্তি হাতে হাত ছুঁয়ে আত্মার উত্তাপ প্রবাহিত শিরায় শিরায় ধমনীতে আত্মার স্পর্শ স্বর্গীয় সুবাস ছড়ায় পৃথিবীর সময়ে দেখা হয়না মহাকালের সময়ে পাশাপাশি চিরকাল…..

আরো পড়ুন

আমরা শোকাহত: পৃথিবী নশ্বর, একদিন সবাই কে এই পৃথিবীর অলিক মায়া ত্যাগ করতে হবে। তারপর ও কিছু অকাল মৃত্যু মেনে নিতে কষ্ট হয়।কবি, বিশিষ্ট লেখক Kabir Hasanur আমি তাকে সরাসরি কখনো দেখিনি, ভার্চুয়াল পরিচয়। ভীষণ ভালো লিখতেন । আমাদের গ্রুপেই পরিচয়। লেখালেখি নিয়ে দুই একদিন মোবাইলে কোথাও হয়েছে। কিন্তু যতটা জানি অত্যন্ত বিনয়ী ভদ্র এবং রুচিশীল মানুষ। আমি তার লেখার একজন ভক্ত পাঠক। অসাধারণ আবৃত্তিও করতেন। আজকে যখন ফেসবুকে দেখতে পেলাম এই ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন ব্যক্তিটি পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে পরপারে চলে গেছেন, সত্যিই মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। জানি না বিধাতার কোন রহমত এখানে নিহিত আছে। তবে মহান আল্লাহ যা করেন তা-ই…

আরো পড়ুন