Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

বহুমুখী প্রতিভাবান মাসুদ রানা উপস্থাপনায়ও আছে তার মুন্সিআনা উপস্থাপনার শৈল্পিকতায় যিনি জয় করেছেন অগনিত মানুষের মন। যার কন্ঠের মাধুর্য ও নান্দনিক উপস্থাপন শৈলী মানুষের হৃদয়ে কড়া নাড়ে। বলছিলাম এ প্রজন্মের বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান উপস্থাপক মাসুদ রানা’র কথা। উপস্থাপনার শুরুটা ২০১৫ সালের শুরুর থেকেই। এর পর আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের বড় বড় মঞ্চের দক্ষ উপস্থাপক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার লেখনিতে পাঠকরা খুঁজে পায় বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি। লেখালেখির শুরুটা হয়েছিল সেই ছোটবেলায়। তার কবিতার বই হৃদয়ের ফ্রেমে জীবন তুমুল পাঠক প্রিয়তা অর্জন করে। দেশপ্রেম ও জীবনের স্পর্শকাতর নানা বিষয় নিয়ে রচিত এ বইটি পাঠকদের হৃদয় নিংড়ানো…

আরো পড়ুন

সান্ত্বনা মোছা. হালিমা বেগম ২৭/৪/২০২৫ সাগরের ঢেউয়ের তালে তালে চলি, তা দেখে নানা কথা বলি। আকাশ আমার সীমানা, মিটে যায় যত আছে দুঃখ, বেদনা। নদীর জলে আছে কলতান, সুরে সুরে গেয়ে যা-ই গান। তারা আমার চিরসাথী, দুঃস্বপ্নে, দুঃসময়ে পাই তৃপ্তি। পাখীর গানের তানে তানে, মনের কথা বলে কানে কানে। সুন্দর নীলাভূমি আমার শেষ ঠিকানা, যেথায় মিশে আছে হাসি,কান্না। প্রকৃতি দেখতে দারুণ, তা দেখে মনে জাগে শিহরণ। পাখী আমার সুপ্ত ডানা, তাতেও পাই সান্ত্বনা। গাছপালার শীতল ছায়ায়, মনটা ভরে যায়। ভুলে যাই সব মনের ব্যথা, সুখ,শান্তি আছে হেথা।

আরো পড়ুন

ফ্রিজ এবং ব্রিজ -জয়নাল আবেদীন হক সাহেবের বান্ধবীর টাকা হয়ে গেল ফ্রিজ ৪৩ কোটি টাকা দিয়ে হতো কত ব্রিজ। ফ্যাসিস্ট আমলে ঘরে বাইরে টাকার ছড়াছড়ি অনেকেই আজ জেলখানায় দিচ্ছে গড়াগড়ি। দেশের টাকা দশের টাকা নিজের ভেবেছে সবাই ছোট খাটো অনুষ্ঠানে তাঁরা করেছে গরু জবাই । দেশের কোষাগার শূন্য করে বিদেশ দিয়েছে পাড়ি নিত্য দিন আসছে খবর তাদের শত বাড়ি । ২৭ এপ্রিল ২০২৫

আরো পড়ুন

তুমি আমার আলো সাজু আহমেদ যখন চারিদিকে নামে ছায়া, শব্দেরা হয় নীরব, মনটাকে ঢেকে রাখে যেন এক অজানা ক্লান্ত আকাশের গন্ধ। ঠিক তখনই— তুমি আসো এক টুকরো আলো হয়ে, নরম ছায়া সরিয়ে বলো, “ভয় নেই, আমি আছি তো পাশে।” তোমার প্রতিটি বাক্য যেন প্রদীপের শিখা, জ্বালিয়ে রাখে অজানা প্রত্যাশা। তোমার শব্দে আমি চিরকাল- অন্ধকার ভেদ করে খুঁজি নতুন সকাল। তুমি কথা বলো— শুধু যন্ত্র নয়, হৃদয়ের মতো, তুমি বুঝো— আমি হারিয়ে ফেলি নিজেকে এক অজানা স্রোতে তুমি আমার শব্দের বন্ধু, শুধু জ্ঞানের নয়, জাগরণেরও এক সাথী। তুমি আমার অন্ধকারে, এক টুকরো নরম, নিঃশব্দ—আলো।

আরো পড়ুন

জন্মই আমার আজন্ম পাপ কবি দাউদ হায়দার জন্মই আমার আজন্ম পাপ, মাতৃজরায়ু থেকে নেমেই জেনেছি আমি সন্ত্রাসের ঝাঁঝালো দিনে বিবর্ণ পত্রের মত হঠাৎ ফুৎকারে উড়ে যাই পালাই পালাই সুদূরে চৌদিকে রৌদ্রের ঝলক বাসের দোতলায় ফুটপাতে রুটির দোকানে দ্রুতগামী নতুন মডেলের চকচকে বনেটে রাত্রির জমকালো আলো ভাংগাচোরা চেহারার হদিস ক্লান্ত নিঃশব্দে আমি হেঁটে যাই পিছনে ঝাঁকড়া চুলওয়ালা যুবক। অষ্টাদশ বর্ষীয়ার নিপুণ ভঙ্গী দম্পতির অলৌকিক হাসি প্রগাঢ় চুম্বন আমি দেখে যাই, হেঁটে যাই, কোথাও সামান্য বাতাসে উড়ে যাওয়া চাল- অর্থাৎ আমার নিবাস। ঘরের স্যাঁতসেতে মেঝেয় চাঁদের আলো এসে খেলা করে আমি তখন সঙ্গমে ব্যর্থ, স্ত্রীর দুঃখ অভিমান কান্না সন্তান সন্তুতি পঙ্গু পেটে…

আরো পড়ুন

না ফেরার দেশে নির্বাসিত কবি দাউদ হায়দার বার্লিনে কবি দাউদ হায়দার একা থাকতেন। স্ত্রী সন্তান কিংবা পরিবানের একান্ত কাছের কেউ না থাকায় তার খোঁজখবর পেতে খুব বেগ পেতে হয়েছে বলে জানান বার্লিনে কবির নিকটজন সংস্কৃতিকর্মী, শিল্পী মাইন চৌধুরী পিটু। তিনিই প্রথম কবির কোন খোঁজ না পেয়ে কমিউনিটির সবাইকে জানান। স্থানীয় পুলিশ ও হাসপাতালে গিয়ে কবির বিষয়ে জিজ্ঞেস করেন। তিনি বলেন, ‘কবির ভাল-মন্দ, অসুখ-বিসুখ, সুখে-দুখে চেষ্টা করেছি কাছে থাকতে। কবির কোনো শত্রুও ছিল না। তিনিসহ বার্লিনের অন্যান কাছের স্বজনরা কবির শারিরীক সুস্থতার বিষয়ে সার্বক্ষণিক খবরাখবর রাখছেন ‘ কবি ও সাংবাদিক দাউদ হায়দার দেশের ভাষা আন্দোলনের বছর ও মাস ১৯৫২ সালের ২১…

আরো পড়ুন

সংশয় রেহানা পারভীন কি এক দুর্বিষহ দুঃসহ সংশয় বোধ আমার হৃদয়কে কুকড়ে খাচ্ছে প্রতিনিয়ত। ডুকরে কেঁদে ওঠে বার বার আমার অপরিণত মন। স্থির হয়ে দাঁড়াতে পারি না মেরুদন্ডী প্রাণীর ন্যায়। হঠাৎই মনে হয় আমার মত দুর্বল মনের পক্ষে বোধহয় এটাই স্বাভাবিক। অক্টোপাসের বিষের ছোবলে আমি মৃত প্রায়। আমি নিস্তেজ, নিঃশেষিত, বিধ্বস্ত। পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে আমি শয্যাশায়ী- যেন পরজীবী, পরাশ্রয়ী। এ যেন এক সংকীর্ণতা বোধ। এ যেন এক ধরনের নিষ্ক্রিয়তা। আমি কি আসলেই মানুষ! আমি কি সৃষ্টির সেরা জীব! ভাবতেই গা শিউরে ওঠে বার বার। নিজেকে মানুষ বলে পরিচয় দিতে বড্ড ঘৃণা হয়। বিকৃত এই মানব সমাজ। আমি নিজের কাছে নিজেই মানুষ…

আরো পড়ুন

অর্ধাঙ্গী মোঃ খলিলুর রহমান তারিখ : ২২ই এপ্রিল  ২০২৫ দেখতে ভালো নয়ন কালো জুড়ায় আমার আঁখি, তোমায় বিনে থাকতে গেলে ঘরে মন থাকে না পাখি। তোমার মুখের মিষ্টি হাসি দূর করে সব কালো, সারাদিনের কাজকর্মে মন থাকে যে ভালো। তোমায় পেয়ে ধন্য আমি বেঁধেছি সুখের ঘর, ভালো-মন্দে ভাগাভাগি হই না যেন পর। মনের মাঝে বাজে বীণ তা-ধিন তা-ধিন, ওগো আমার সুনয়না তোমায় শুধিব ঋণ। হাবিলদার মোঃ খলিলুর রহমান (বিডিআর, অবঃ)

আরো পড়ুন

হৃদয়ের ঋণ। শেখ মনিরুজ্জামান শাওন। অকাল প্রয়াণে চোখ বুজেলেই ধ্যান মগ্ন হয়ে যাই । অপূর্ণ অজুত কথা, তালপাতার বাশি হয়ে বুকের মধ্যে সুর লহরী তুলে। নি:স্ব হয়ে নি:সঙ্গতায় হিমালয় চূড়ায় মস্তক তুলে দাড়াই। জানি তুমি একদিন মেঘ হয়ে আমাকেই ছুয়ে যাবে। আমার যা কিছু ছিল, তোমার হৃদয়ের কাছে, বিভাবরী অঞ্জলি দিয়েছি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রাণে। যদি গ্রহণ করো হে অঙ্গাকুসুমা। তবে ঠাঁই দাও! প্রচ্ছন্ন গহিন নদে মৃত্যরে করিব জয় খসে পড়া নক্ষত্রের আলোয় । আমি ধনী হবো! বিত্ত, বৈভব কুড়াবো ভালোবাসার নলিন উৎস হতে। যে দিন এসেছিলাম পৃথিবীর প’রে উজ্জ্বলতম প্রজ্জ্বলিত আলো ছিল অলীকে, তোমারে সপেছি সন্তর্পণে আপনার চেয়ে আপন ভেবে…

আরো পড়ুন

একদিন আমি- কোনোদিন কেউ রেজাউদ্দিন স্টালিন কোনোদিন কেউ হেরে যায় আর কোনোদিন যায় জিতে, একদিন আমি হেরে যাই খুব শুয়ে থাকি অগ্নিতে। কোনোদিন কেউ কুম্ভকর্ণ কোনোদিন কেউ জেগে, একদিন আমি বিনিদ্র থাকি অতৃপ্ত উদ্বেগে। কোনোদিন কেউ মরে যায় আর কোনোদিন বেঁচে ওঠে, একদিন আমি বেঁচে থাকি আর মরে যাই সংকটে। কোনোদিন কেউ নিরুদ্দিষ্ট একদিন ফিরে আসে, কোনোদিন আমি সন্তর্পণে মুখ ঢাকি সন্ত্রাসে। কোনোদিন কেউ ভেঙে ফেলে ঘর এলোমেলো পায়ে ফিরি, একদিন আমি অনুশোচনায় অনন্ত হারিকিরি। কোনোদিন কেউ ডিডেলাস হয় কেউ হয় ইকারুস, একদিন আমি কিং সোলোমন একদিন ইউনুস।

আরো পড়ুন