Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

শহীদি ঘ্রাণ বুকচেতিয়ে দেয় প্রাণ এস এম শাহনূর কেমন করে জানল সাঈদ বৃথা যায় না রক্ত দ্রোহের বারুদ ফাটিয়ে দিল দুপুর বেলার অক্ত। পথে পথে জীবন থামে মিছিল থামায় সাধ্য কার? বজ্রমুঠি উঁচিয়ে বলে, সবাই না-কি রাজা’কার। লাখো মায়ের ভালোবাসা হাজার ভাইয়ের বলিদান ঘোর কুপোকাত স্বৈরশাসক প্রাসাদপুরী খানখান। এস এম শাহনূর ১৬ জুলাই, ২০২৫ | ঢাকা

আরো পড়ুন

প্রেমঘাতের বিষবৃষ্টি প্রফেসর ডক্টর মোঃ মতিউর রহমান পরিচালক, আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট তুমি বলেছিলে “ভালোবাসি”— সেই শব্দটি তখন মনে হয়েছিল ঈশ্বরের কণ্ঠ, তোমার প্রতিটি ছোঁয়ায় আমি খুঁজেছিলাম চিরন্তন শান্তির আকাশ। ভেবেছিলাম, তুমি সেই আশ্রয়, যেখানে ঝড়েরও সাহস হয় না ঢুকতে! কিন্তু তুমি ছলনার এক নির্মম তীর ছুঁড়েছিলে, নির্বাক করে দিলে আমার সমস্ত বিশ্বাসকে। তুমি ছিলে আমার সর্বস্বের প্রতীক, আমি তোমাকে দেখতাম পবিত্র আরাধ্য রূপে, তোমার ভালোবাসাকে পবিত্র প্রার্থনার মতো জপতাম প্রতিদিন। তোমার স্পর্শে গলে যেত হৃদয়ের জমাট বরফ, তোমার হাসিতে আলো ছড়াত অন্ধকারেও। কিন্তু একদিন, হঠাৎ করেই বদলে গেলে তুমি! কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই চলে গেলে ঝড়ের মত, বজ্রপাতের চিৎকারে। তুমি…

আরো পড়ুন

একগুচ্ছ ছড়া মেহেদী ইকবাল ১) শিং ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর লাফায় ক্ষেতে ব্যাঙ! কুকুর ডাকে ঘেউ জাল নিয়ে আর ট্যাঁটা নিয়ে বিলের পানে কেউ। ডিং ডিডা ডিং ডিং চত্রা বিলে মফিজ চাচা ধরছে খালি শিং! ২) পাকশী পাকশী গিয়ে দুধ চা খাবো একটু চিনি কম ট্রেন উঠেছে রেলের ব্রিজে ঝম্ ঝমাঝম্ ঝম্! ঝুলছে তালা বন্ধ চাকা ঐ উড়ে যায় চিল দুপুর রোদে ঝিমায় বসে পাকশী পেপার মিল! ৩) মিল্লি চীন দেশে থাকে মামা চাচা থাকে সৌদি দাদা থাকে কোলকাতা শিলিগুড়ি বৌদি! করোনার দিন শেষে যাবি নাকি দিল্লী? দুপুরের মেন্যু আজ বীফ দিয়ে মিল্লি! ৪) ছেড়ে দে মা…

আরো পড়ুন

এক কিশোরী বধূ ও একটি নাকফুলের গল্প ফৌজিয়া বীথি ________________ আমাদের দেশে বিবাহিত নারীদের বিবাহের প্রতিক হিসেবে ধরা হয় তার নাকের নাকফুল. প্রত্যেক বিয়েতে স্বামীর তরফ থেকে নাকফুল দেয়া হয়. বিয়ের কালেমা পড়ার আগে কনের নাকে নাকফুল পড়িয়ে দেয়া হয়. এই নাকফুল পড়াকে স্বামীর কল্যাণ মনে করা হয়. বিবাহিত মেয়েরা নাকফুল পড়বে এটাই বাংলার রীতি, সংস্কৃতি , ঐতিহ্য. বিবাহিত নারীরা স্বামী যতদিন বেঁচে থাকে নাকে নাকফুল পরতে হয়. যদি কোন মেয়ে এই রীতির ব্যাতিক্রম ঘটিয়ে নাকফুল না পরে তবে অনেকের অনেক কথার সম্মুখীন হতে হয়. স্বামীর মৃত্যুর পর সেই নাকফুল খুলে ফেলা হয়. আবার কোন মেয়ের তার স্বামীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে…

আরো পড়ুন

বৈপরিত্য কবির আল মামুন তুমি দেখো রোদ, আমি দেখি কারো ঝলসে যাওয়া। তুমি দেখো ঝড়, আমি ভাবি সুখের দক্ষিণা হাওয়া। তুমি বলো বসন্ত , আমি শুনি যেন পাতার দীর্ঘশ্বাস। তুমি দেখো ঝরনা, আমি দেখি ঝরা জলের বসবাস। তুমি দেখো ফুল, আমি দেখি একটি কুঁড়ির মরণ। তুমি ভাবো হাসি, আমি জানি সেতো মূখোশ বরণ। তুমি বলো ভোর, আমি বলি নতুন রাতের প্রতীক্ষা। তুমি চাও আলো, আমি খুঁজি ছায়ার আশ্রয় দীক্ষা।

আরো পড়ুন

বিচিত্র অভিজ্ঞতা— সাঈদা আজিজ চৌধুরী একদা শিক্ষক ছিলাম। ছেলেমেয়েরা একে একে সবাই উচ্চশিক্ষার জন্য বিভিন্ন দেশের ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতে চলে গেছে।একেবারেই একাকী হয়ে গেলাম। কিছুই ভালো লাগে না। ছেলে পাশ করার পর জবে ঢুকেছে। ছেলে বললো, ‘আম্মা তুমি এখন ঘুরে বেড়াও। এতোদিন চাকরি করেছো,আমাদের মানুষ করেছো। তুমি এখন লিভ নাও।’ সময় ২০১৪ সাল। তখন লং লিভ নিয়ে প্রথমে পুত্রের কাছে লন্ডনে গেলাম। মাস ছয়েক থাকার পর ছোটো কন্যা তখন আমেরিকায় নর্থ ক‍্যারোলাইনা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পি এইচ ডি করছে—সেখানে গেলাম।বড় কন‍্যা থাকে সিডনিতে। সে খুব মন খারাপ করলো। আমি কেনো সিডনিতে যাইনি। ওর চার বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।সপ্তাহে দুদিন অফিস…

আরো পড়ুন

জীবিকা ছাড়া জীবন সুলেখা আক্তার শান্তা মন্টু ছিল পেশাদার চোর, তবে ছিঁচকে চোর। গরু-ছাগল চুরির মতো বড় কাজে সে কখনো হাত দিত না। সারাদিন প্রায় না খেয়েই কাটতো তার। রাতে সুবিধামতো কোন গৃহস্থের রান্নাঘরে ঢুকে পেট পুরে খেত। লোকমুখে শোনা কিছু মন্ত্র-তন্ত্র কাজে লাগিয়ে সে ঘুম না ভাঙানোর কৌশল প্রয়োগ করতো, যদিও এসবে তার বিশ্বাস ছিল না। এমন জীবন যাপন তার মোটেও পছন্দ ছিল না। মানুষ একটা পরিচয় নিয়ে সমাজে বাস করে। তার পরিচয় কী? চোর! এটা বলার মতো কোন কথা হলো। হ্যাঁ রে জীবন! তবে সে পেশায় একটা স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করত। যতটুকু দরকার, ততটুকু চুরি, কোনো উচ্চাকাঙ্খা নেই তার।…

আরো পড়ুন

অবুঝ আষাঢ় শেখ আল মামুন। প্রসারিত দু’বাহু মেঘ ছুঁয়েছে নিরন্তর, আকাশে আলোর রেখা ক্ষণে ক্ষণে মুছেছে অন্ধকার। জানালা দিয়ে কদমের ঘ্রাণ, বিস্তৃত ক্ষেত্রে বিদ্যুতের ঝলক। বাদলের এই আসা – যাওয়া এই সব হাজার বছর- অনন্ত বৈভবে জলদ মেঘের ঘ্রাণ, দিকচক্রবাল হতে কল্পনা অবধি, গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে ভেসে বেড়াবার একান্ত উত্তরাধিকার। শাওন মেঘেদের ঘিরে অবিরাম ধারা- কবিতার প্রচ্ছদ,গানের পান্ডুলিপি একাকি সন্ধ্যায় রূপকথার অন্ধকার, আধো ঘুম জাগরণে বিলাসী ভয়। গুটিসুটি কাঁথায় ফিরতি শৈশব- ভিজে চোখের পাতায় যাপিত জীবন। অনতি আর অবনতি দূর স্বপনের সাথে মিলাই সব লেন দেন। শাওন এসেছে বুঝি! আষাঢ় এসেছে বুঝি!

আরো পড়ুন

এক নজরে কবি প্রফেসর মো. আমির হোসেন-এর পরিচিতি: কবি, গীতিকার, গল্পকার প্রফেসর মো. আমির হোসেন। পিতা- আব্দুল খালেক। মাতা- সারবান বিবি। জন্ম ১৯৬৩ সালের ১ জুলাই। গ্রাম-কান্দারগাঁও, পোস্ট- শিবনগর, ইউনিয়ন-বড়কান্দা, উপজেলা-মেঘনা(পুরনো দাউদকান্দি), জেলা-কুমিল্লা। এসএসসি-১৯৭৯, মুজাফফর আলী হাইস্কুল, কান্দারগাঁও, মেঘনা, কুমিল্লা। এইচএসসি-১৯৮১, সরকারি হরগঙ্গা কলেজ, মুন্সিগঞ্জ। বিএ(অনার্স) ১৯৮৪, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এমএ(বাংলা) ১৯৮৫- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ডিপইনএড-১৯৯২- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। চাকরি- ১. শিক্ষক-মুজাফফর আলী হাইস্কুল(অনারারি) ২. প্রভাষক- আব্দুল মতিন কলেজ, মেঘনা, কুমিল্লা। ৩. প্রভাষক- ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর ডিগ্রি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ৪. প্রধান শিক্ষক- শিশুশিক্ষালয় হাইস্কুল, রামপুরা, ঢাকা। ৫. সহকারী শিক্ষক- তিতাসগ্যাস আদর্শ বিদ্যালয়, ডেমরা, ঢাকা। ৬. সিনিয়র শিক্ষক- যমুনা সারকারখানা হাইস্কুল, সরিষাবাড়ি, জামালপুর। ৭. প্রভাষক-…

আরো পড়ুন

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র কর্তৃক সরকারি অনুদানে দেশের বিভিন্ন পাঠাগারে বিতরণের জন্য প্রতিবিম্ব প্রকাশের নির্বাচিত বইসমূহ: ১) শ্রেষ্ঠ একশো কবিতা (কাব্যগ্রন্থ): রেজাউদ্দিন স্টালিন ২) জ্বলছি এখন (কাব্যগ্রন্থ): আতাহার খান ৩) আসাম ভ্রমণ উপাখ্যান (ভ্রমণকাহিনি): মুকুল রায় ৪) দেশভরা নদী (শিশুতোষ: ছড়া-কবিতা): গোলাম কিবরিয়া পিনু। সৃজনশীল লেখকের ঠিকানা: ________ অফিস/শো-রুম: বাড়ি ০৭, সড়ক ১৪/সি, সেক্টর ০৪, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। ফোন: ০১৭১৫৩৬৩০৭৯/০১৮২৬৩৯৫৫৪৯ ইমেইল: info@protibimboprokash.com ইমেইল: info@daiikprotibimbo.com পেইজ: প্রতিবিম্ব প্রকাশ-protibimboprokash ওয়েব: www.protibimboprokash.com ওয়েব: www.dainikprotibimbo.com

আরো পড়ুন