সুবর্ণসপ্তাহের স্বপ্নময় সখী সুচরিতা আহমাদ আশিকিন সিপু সুনসান সন্ধ্যার সময় সোনারসিংহ সরস্বতী সড়কের সরু সেতুর সুমিষ্ট সুবাসী সভ্য সুললিত স্বরে সুশ্রী সুচরিতা। সুচরিতা সুন্দরী, স্বপ্নবিলাসিনী, স্বচ্ছ স্বভাবের সরল সখী সেলাই-সুতো, সুর-সংগীত, সাহিত্য-সন্ধান সবেতেই সমান সক্ষম। সুবোধ সমাজের সকলে তাকে “সুবর্ণসপ্তাহের সোনালি সখী” সম্বোধন সারিত। সেদিন সে সংসারে স্নান সেরে সাদা স্বর্গীয় সূর্যের স্বর্ণছায়ায় স্বপ্নের সুরে স্নিগ্ধ স্মিত সদ্যস্নাতা সে সন্ধ্যার সায়াহ্নে স্বরচিত সংগীত স্বরলিপিতে স্বরাঘাতে সুর সাধিয়াছিল। সেই সময় সফেদ স্বভাবের সাগ্নিক সেন, সাহিত্যসভার সচিব, সেখানে স্নিগ্ধ স্বরে সুচরিতাকে সম্ভাষণ করিল, “সুচরিতা, সুশ্রাব্য সুরে স্বরচিহ্ন স্থাপন সত্যি সুদূরপ্রসারী! স্বপ্নলোকের সংগীতে সত্যিই সূর্যের স্নিগ্ধতা সঞ্চার করিলে।” সুচরিতা স্বভাবতই সংযত, সে স্বচ্ছ…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
বিপ্লবের পর মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা শ্রীলঙ্কায় বিপ্লবের পর দুর্নীতি গায়েব— মানুষের মুখে স্বাধীনতার হাসি, ভাতের থালায় ন্যায্য অধিকার, রাস্তায় মানুষের জয়ধ্বনি। আমাদের দেশে বিপ্লবের পর বিপ্লবই গায়েব— মাঠ খালি, স্লোগান নিঃশব্দ, পোস্টারগুলো দেয়ালে অনাথ, আর ক্ষমতার মঞ্চে ফিরে আসে সেই পুরোনো মুখোশধারীরা। এমন দেশ? না দেশের মানুষ? শাসকের দোষ? না শাসনের? প্রশ্নগুলো রক্তমাখা কাঁটার মতো আমাদের বুক বিদ্ধ করে, তবু আমরা রক্ত লুকাই, চোখ নামিয়ে নিঃশব্দে হাঁটি। শিক্ষা নেই, অভিজ্ঞতা নেই— ৭১-এর শপথ, ৫২-এর রক্ত, ৬৯-এর গর্জন, ৩৬ জুলাইয়ের ত্যাগ— সবই যেন স্মৃতির ফাইলবন্দি ইতিহাস, যেখানে কালি শুকিয়ে যায়, কিন্তু শাসকের লোভ কখনো শুকায় না। আমরা বারবার একই রাস্তায়…
প্রাণের স্পন্দন মো. দেলোয়ার হোসেন। তোমাকে চলে যেতে দিতে চাই না, না, মোটেই চাই না। তুমি চলে গেলে বড্ড একা হয়ে যাবো, আমি তো একা থাকতে অভ্যস্ত নই, কোনো মানুষই তা পারে না। সায়াহ্নবেলায় ভালোবাসার গল্প কিংবা মধুর প্রেমালাপ যতটা না হয়, ঝগড়াটা হয় ততধিক। ঝগড়া হোক বা প্রেমালাপই হোক, আলাপটা তো হয়! একেই বলে জীবনের স্পন্দন, বেঁচে থাকার প্রমাণ। ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দে জীবন আবর্তিত হয়। আসলে, সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য শব্দটা বড্ড প্রয়োজন। সেই শব্দ গাড়ির উৎকট হর্ন হোক কিংবা হোক- লোটাস টেম্পলের মধুর ইকো-ধ্বনি। এক জীবনে শব্দটাই হয়ে ওঠে নিঃসঙ্গতার সঙ্গী। তুমি চলে গেলে আমার জীবন শব্দহীন…
বিভৎস নগরী মোঃ ওসমান গনি নগরীর কোথাও ফুল নেই-জল নেই তৃষ্ণার সাধু-তপ ধর্মে পুড়ছে জোছনা নগরী লাউয়ের মাচা নেই-সজিনা গাছে সজিনা নেই প্রজাপতি নেই পীতবর্ণের ঘাসও নই কৃষ্ণচূড়ার মিহি সবুজ পাতা নেই বিবর্ণ ডালগুলি কেবলই এক একটা রুক্ষ কঙ্কাল খাঁ-খাঁ মরুভূমি একটার পর একটা মড়া পঁচার বিদ্ঘুটে দুর্গন্ধে কাক-শকুনের সারশূন্য হাড় টানাটানি কামড়া কামড়ির মহারণ আকাশের কোথাও মেঘ নেই বৃষ্টির সমুদ্রে ঢেউ নেই বাতাসের স্থির ঠাঁয় মৃত মাছের চোখের মতো সমুদ্রও তাকিয়ে রয় জলহীন মরুর বুকে শ্মশানের হৃদপিণ্ড একে একে খুড়ে খায় নৈরাজ্যের পঙ্ক পাল কোথাও ঠাঁই নেই দাঁড়াবার- কুকুরের জিহ্বার জল শুকিয়ে যায় মাছিদের উল্লাসে মহিশের ছুটাছুটি- চাতকের নৈশব্দ…
শনিবার আয়োজন করা হয় বিশেষ শারদীয় সন্ধ্যা, জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের উদ্যোগে: নীলাকাশে সাদামেঘের সাথে বনে বনে ফুটে থাকা সফেদ কাশফুলের সখ্যই আমাদের চিরচেনা শরত। এই ঋতু শুধু বৈচিত্র্যময়ই নয় সৃষ্টির আনন্দে ভেসে যাবারও। শরতরাণীকে কবিতায় গানে কথামালায় ভরিয়ে দেয়ার জন্য জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের উদ্যোগে শনিবার আয়োজন করা হয় বিশেষ শারদীয় সন্ধ্যার। নগরীর সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রের সত্যেন বোস মিলনায়তনে ফোরামের সভাপতি কবি শাহীন রেজার সভাপতিত্বে এতে যোগ দেন দেশের বিশিষ্ট কবি সাহিত্যিক শিল্পী ও সাংবাদিকেরা। সূচনা বক্তব্যে প্রবীণ কবি কামার ফরিদ বলেন, চিরায়ত বাংলাকে খুঁজে পাবার ঋতু শরত। উৎসব আনন্দে ভেসে যাবার ঋতু শরত। বিশিষ্ট প্রকাশক জাকির হোসাইন বলেন, শরতের নীলাকাশ…
একটি ফুলের ভাঙা স্বপ্ন জাকিয়া সুলতানা শিল্পী স্কুলের ঘণ্টা বাজলেই আকাশ চোখে চোখ রেখে মেঘলার দিকে তাকাত। মেঘলা, যে সবসময় ফুলের বাগানের কোণে দাঁড়িয়ে থাকত, যেন সেখানেই তার জীবন গাঁথা। সে যখন হাঁটত, আকাশের মন যেন এক অদৃশ্য সেতু দিয়ে তার দিকে ছুটে যেত। একদিন, বাগানের পাশে আকাশ বলল— “মেঘলা, তোমার চোখের এই আলোটা… যেন ফুলের গন্ধের মতো।” মেঘলা হেসে বলল, “তুমি কি আমাকে ফুলের সঙ্গে তুলনা করছো?” “হ্যাঁ, কিন্তু শুধু তুলনা না। তোমাকে দেখে মনে হয়, ফুলও তোমার মতো ভাসে হাওয়ার সঙ্গে।” আকাশের চোখে এক অদ্ভুত লাজ, এক অদ্ভুত উচ্ছ্বাস। “তুমি বড় মিষ্টি কথা বলো,” মেঘলা হেসে চোখ নামিয়ে…
গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শুক্রবার দিনব্যাপী বাংলা একাডেমির কবি জসিমউদদীন ভবনের হলে বাংলাদেশ পোয়েটস ক্লাবের ১৭তম জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন ২০২৫ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কবিবৃন্দ। প্রধান অতিথি ছিলেন বরেণ্য সংস্কৃতি পন্ডিত অধ্যাপক ড. নিরঞ্জন অধিকারী স্যার।বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট নজরুল অনুরাগী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুর রহিম মাঝি। বিশেষ আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট কথাশিল্পী মনি হায়দার, বিশিষ্ট লেখক কবি ড.শহীদুল্লাহ্ আনসারী,গোলাম কাদের। নির্বাহী পরিচালক হিসেবে উপস্থিত ছিলাম আমি ঢালী মোহাম্মদ দেলোয়ার। অধ্যাপক মিলন রায় ও ডা.জান্নাতুল ফেরদৌসীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান উদবোধন করেন সংগঠনের সভাপতি কবি মুস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী।
কবি ও গল্পকার সুরমা খন্দকার’র সাড়া জাগানো কাব্যগ্রন্থ : হে অনির্বাণের আলো, আসছে শিগগির: অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ এর বই বইয়ের ধরন: কাব্যগ্রন্থ বইয়ের নাম: হে অনির্বাণ আলো বইয়ের লেখক: সুরমা খন্দকার প্রচ্ছদ: এ আই রানা চৌধুরী প্রকাশক: প্রতিবিম্ব প্রকাশ প্রকাশকাল: অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ বিনিময় মূল্য: ৩০০ টাকা। আইএসবিএন : 978-984-3996-17-6 সৃজনশীল লেখকের ঠিকানা: ____________________ প্রতিবিম্ব প্রকাশ অফিস/শো-রুম: বাড়ি ০৭, সড়ক ১৪/সি, সেক্টর ৪, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। ফোন: ০১৭১৫৩৬৩০৭৯/০১৮২৬৩৯৫৫৪৯ ইমেইল: info@protibimboprokash.com পেইজ: প্রতিবিম্ব প্রকাশ-protibimboprokash ওয়েব: www.protibimboprokash.com ওয়েব: www.dainikprotibimbo.com
কবি আবু তাহের সরফরাজ’র সাড়া জাগানো সাহিত্য আলোচনা/পর্যালোচনা : কাজী জহিরুল ইসলামের কবিতা শৈল্পিক সৌন্দর্য ও কৃৎকৌশল, আসছে শিগগির: অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ এর বই বইয়ের ধরন: সাহিত্য আলোচনা/পর্যালোচনা বইয়ের নাম: কাজী জহিরুল ইসলামের কবিতা শৈল্পিক সৌন্দর্য ও কৃৎকৌশল বইয়ের লেখক: আবু তাহের সরফরাজ প্রচ্ছদ: মোমিন উদ্দীন খালেদ প্রকাশক: প্রতিবিম্ব প্রকাশ প্রকাশকাল: অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ বিনিময় মূল্য: ২৫০ টাকা। আইএসবিএন : 978-984-3996-15-2 সৃজনশীল লেখকের ঠিকানা: ____________________ প্রতিবিম্ব প্রকাশ অফিস/শো-রুম: বাড়ি ০৭, সড়ক ১৪/সি, সেক্টর ৪, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। ফোন: ০১৭১৫৩৬৩০৭৯/০১৮২৬৩৯৫৫৪৯ ইমেইল: info@protibimboprokash.com পেইজ: প্রতিবিম্ব প্রকাশ-protibimboprokash ওয়েব: www.protibimboprokash.com ওয়েব: www.dainikprotibimbo.com
১৫ অক্টোবর ২০২৫ দুপুর দুইটায় ঢাকার তেজকুনিপাড়া, তেজগাঁও ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ববাংলা সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক পরিষদ-এর মাসিক সাহিত্য আসর। দুপুরের খাবার পরিবেশনের পরেই শুরু হয় মূল পর্ব। এতে উপস্থিত ছিলেন: “প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, জীবন বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ” গানের রচয়িতা, গীতিকার মনিরুজ্জামান মনির। আরো ছিলেন: কেন ভালোবাসা হারিয়ে যায়, দুঃখ হারায় না, এই রকম অসংখ্য জনপ্রিয় গানের গীতিকার শামসুল আলম, অ্যাডভোকেট হাছিব চৌধুরী, অ্যাডভোকেট শিল্পী রেহানা বেগম, কবি কাওসার জাহান লিপি, কবি রিমি কবিতা, কবি তন্ময় হারিস (সাবেক সচিব), কবি ও প্রকাশক আবুল খায়ের, গীতিকার সামান্তা আলম, গীতিকার মীর লিয়াকত আলী, সাংবাদিক সায়েক, কবি শিব্বির আহমেদ। কবি ও…
