ব্যথার অনুভূতি রাবেয়া আহমেদ চামেলী অনেকেই জানতে চায় ব্যথার সংজ্ঞা কি? ব্যথা শব্দটা এমন একটা শব্দ যা কষ্টের বহিঃপ্রকাশ করে নিস্তব্ধতায়। মানুষ জাতি মানুষকে শুধু আঘাত আর ব্যথা দিয়েই থাকে। ব্যথা সহ্য করার ক্ষমতা অনেকেরই থাকে না। নিঃশেষে কষ্টের পাহাড়ের এক বিশালতায় মনের ব্যথা শারীরিক ব্যথা কষ্টের ব্যথা সব যেন এক ত্রিত হয়ে প্রকাশ করতে পারে না সহিষ্ণুতায়। যন্ত্রণা কাতর মন নিয়ে এই ব্যথার অনুভূতি গুলো জানিয়ে দেয় সৃষ্টিকর্তায়। সুন্দর ব্যবহারের অন্তরালে কি বর্তায়? জীবনের পাতায় পাতায় জীবন যুদ্ধে থেকে যায় শূন্যতায়! কেন বলো তো মনের ভাবের উদারতার প্রকাশ নাই কেন বিশালতায়। সবাই যেন এক যন্ত্রনায় কাতরায়, প্রকাশ করা যায়…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
স্বপ্নের রং ডঃ ফারহানা শওকত জানি না স্বপ্নের কি কোন রং আছে কিনা লাল নীল সবুজ কিংবা হলুদ কিন্তু স্বপ্ন পোড়ার রং দেখেছি বিভৎস লাল থেকে কালো… ধুসর থেকে ছাই… ঘুমন্ত পৃথিবীর নিস্তব্ধ বুকে কোন কোন ভোর হয় কিন্তু আলো থাকে না কুন্ডলী পাকানো ধোঁয়া গিলে খায় স্বপ্ন সবুজ পাতা থেকে হলুদ তারপর কালো ছাই বেদনার পাহাড়সম ভার চারদিকে শুধু চাপা কান্না! কারো পুড়ে, কারো পোড়ায়.. কেউ কেউ আবার অট্টহাসে আড়ালে বৃষ্টি সবার জন্য আসে কিন্তু ভেজে কেউ কেউ মন পোড়া গন্ধ কি সবায় পায়? জেনো রঙ শুধু আলোক বর্তিকা তরঙের প্রতিফলন যখন স্বপ্ন বুনে বুনে ক্লান্ত রেটিনাতে ঢেউ উঠে…
বিদ্যা বেলাল আহমেদ বিদ্যা থাকিলে থাকবে না অপলালসা বিদ্যা থাকিলে জেগে উঠবে ভালোবাসা, বিদ্যা থাকিলে থাকবে না অন্ধকার বিদ্যা থাকিলে জীবন সুন্দর সবার। বিদ্যা থাকিলে থাকবে না বিশৃঙ্খলা বিদ্যা থাকিলে সর্বক্ষেত্রে থাকবে শৃঙ্খলা। বিদ্যা থাকিলে থাকবে না রেসারেসি বিদ্যা থাকিলে রবে সবাই পাশাপাশি। বিদ্যা থাকিলে থাকবে না কুসংস্কার বিদ্যা থাকিলে সমাজ হবে সংস্কার, বিদ্যা থাকিলে থাকবে না বাল্য বিবাহ বিদ্যা থাকিলে জীবন হবে অর্থবহ। বিদ্যা থাকিলে থাকবে না ভিন্ন দুর্নীতি বিদ্যা থাকিলে রাষ্ট্রের হবে উন্নতি, বিদ্যা থাকিলে থাকবে না সমাজে মাদক বিদ্যা থাকিলে তৈরি হবে সাধক। বিদ্যা থাকিলে থাকবে না কোন কাজে হারাম বিদ্যা থাকিলে জীবন হবে সবার আরাম, বিদ্যা…
নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ ২৯ এপ্রিল শনিবার ১২.০০ ঘটিকায় ঝালকাঠী জেলায় রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের মিয়া বাড়ী (শেরে বাংলার জন্ম স্থান) পরিদর্শনে যান শেরে বাংলা একে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসার নেতৃত্বে বিচারপতি সিকদার মকবুল হক, অর্থ মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব পিরজাদা শহিদুল হারুন, সর্বভারতীয় বেঙ্গল এডুকেশন ডেভেলমেন্ট ফাউন্টেশনের সাধারন সম্পাদক এবং অল ইন্ডিয়া মহাত্মা গান্ধী কম্পিউটার সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজির চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার প্রকৌশলী সাজাহান মন্ডল, নয়াদিল্লির বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ নূর ইসলাম বিশ্বাস এবং নাট্য ব্যক্তিত্ব কাইছ খান এবং সাতুরিয়া ইউনিয়নের পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মাইনুল হায়দার নিপুনসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। স্থানীয় চেয়ারম্যান সৈয়দ মাইনুল হায়দার বলেন, ৪০০ বছরের…
পৃথিবী আমাকে ডাকছে কামরুন নাহার (পলিন) আমার শরীর থেকে যে দিন রক্তের প্লাবন হলো দেহ জোয়ারে… পরিবর্তন হলো আমার দেহ,আমার মন! সেদিন থেকেই আমি নারী হলাম, শিশুর হামাগুড়ি থেকে কিশোরীর আগুন ঝরা পলাশে l আমাকে বেড়াজালে আটকে দেয়া হলো পুরুষের লোভনীয় লালসার চোখের আড়ালে l আমি ভোরের তাজা বেলীর মতো হাসতে থাকলাম খেলতে থাকলাম,আমার শৃঙ্খল পরিমন্ডিত মন্দিরেl এতো কিছুর পর যৌবন আমাকে বাধঁতে পারেনি আমি শিহরত হলাম কোন এক পুরুষের আহ্বানে বেলীর সুবাসে কোন ভোমর মধুতে হলো নিবিড় আলিঙ্গনl আমি নারী হলাম নতুন কোন স্বাদের সুপ্রভাতেl যে দিন আমি মা হলাম, নারী জন্মের আরেক ধাপ… সে দিনটা আমাতে আমি সত্যিকারের নারীত্বকে…
ভালোবাসা নাকি মোহ স্বপন কুমার বৈদ্য সেদিন স্টেজ শোতে দর্শক সারিতে তোমাকে দেখার পর হতে প্রতিটি ভোরে আকাশের আঁচলায় তোমাকে খুঁজি প্রতিটি দুপুরে মেঘের ছাদ হতে বৃষ্টি নামাই প্রতিটি বিকেলে গঙ্গার ধারে ছুটে যাই পাড়া মহল্লা বন বাঁদাড় কিছুই বাদ রাখিনা শুধুই খুঁজি খুঁজি খুঁজি তোমাকে আরেকবার দেখার প্রবল ইচ্ছায় ; প্রতিটি রাতে ভালোবাসার বীজ বপন করি অন্ধকারের বীজতলায় মস্তিষ্কের স্নায়ু ছিঁড়ে কুটি কুটি করি তোমার অস্তিত্ব খুঁজে বের করতে ; কখনো সারারাত জেগে জেগে কবিতা লিখতে শুরু করি দেয়ালে তোমার ছায়া দাঁড় করিয়ে রেখে , কবিতাগুলো আর কবিতা থাকে না এক একটা আরব্য উপন্যাসে পরিণত হয় লিখে চলেছি তো…
সহমরণ রিমি কবিতা বৈশাখের দাবদাহে রক্তে লেগেছে নাচন, তোমার ঘাম তৃষ্ণায় হৃদয় জুড়ে আকন্ঠ দহন। যে প্রচন্ডতায় হৃদয় নিংড়ে ভালোবেসেছিলাম, তার চেয়েও তীব্র প্রচন্ডতায় খানখান করে দিয়েছো আমার হৃদপিণ্ড। চুপটি মেরে থাকি বলে ভেবো না আঘাতে কষ্ট পাই নি! অযাচিত মৃত্যু যন্ত্রণা কেমন হয় জানি না, তবে এর চেয়ে ভয়ানক হয় না বোধ হয়। সরে এসেছি বলে ভেবো না খোঁজ নেই না তোমার, প্রতি মুহুর্ত জড়িয়ে আছি তোমার এপাশ ওপাশে। যতটা আস্থায় জড়িয়েছিলাম তার চেয়ে দ্বিগুণ দ্বিধায় ছাড়িয়ে নিলে নিজেকে। যতটা নির্ভরতায় আঁকড়ে থেকেছিলাম তার চেয়ে অনেক বেশি নির্মমতায় নিমজ্জিত করলে অন্ধকারে। তোমার চোখের দিব্য প্রেমে এক নিমিষেই যে জীবন…
একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে রেজাউদ্দিন স্টালিন ঠিক মতো কিছুই হয় না বাড়ি থেকে বেরুনোর সময় দরোজার মুখে কুলুপ আঁটা হয় না জামার একটা বোতাম সাবানে খাওয়া প্যান্টের ভেতর থেকে শার্টের বিদ্রোহ জুতোর ফিতে ক্ষুধার্ত বলে ঠিক মতো দাঁড়াতে পারে না চশমার জানালায় মেয়াদোত্তীর্ণ কাঁচ দ্বিখণ্ডিত শ্বাসকষ্টে ঘড়ির কাঁটার নিঃশ্বাস নিভে আসছে সূর্য স্থির বলে কতদিন প্রিয়জনের সাথে দেখা হয় না তাই বলে পৃথিবীর কোনো কিছু থেমে নেই পরাশক্তির ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানছে বৃষ্টির ফোঁটায় ইসরাইল টেনে লম্বা করছে রক্তের রেখা চিনের মৌমাছিরা সিল্করোডে সাজোয়া যান নিয়ে ছুটে যাচ্ছে ইউক্রেনের সব গম খেয়ে ফেলছে রুশট্যাঙ্ক আমেরিকা জুতোর তলায় রোধ করে রেখেছে…
ভালোবাসার লাইব্রেরি (সাঈদা আজিজ চৌধুরী) রুদ্রদিন রুধির আত্মা, শান্তির জল ঢেলে দাও। হে প্রভু, ভালোবাসার লাইব্রেরি নির্মাণ করে দাও। অলৌকিক ভালোবাসার, সম্প্রীতির ভালোবাসা হে প্রভু, ভালোবাসার লাইব্রেরি আরও বিপুল করে দাও। আত্মার অন্ধকার গুহায় আলোর স্ফূরণ দাও সংকীর্ণ হৃদয় প্রশস্ত করে দাও, বিভাজন দূর করে দাও ভালোবাসা সম্প্রীতির সরু গলি আরও বিস্তৃত করে দাও। জোনাকির ক্ষুদ্র আলো, অন্ধকার সিঁড়ি আলোর দৈন্যতা অপারঙ্গম মানুষ, জোড়ায় জোড়ায় মৌলিক মানুষ চাই এ পৃথিবীর আনাচে কানাচে কোণায় কোণায়। হে প্রভু, ভালোবাসার লাইব্রেরি আরও বিপুল করে দাও। সভ্যতার দ্রাঘিমায় আমরা মানুষেরা এখনও বর্বর– বিবস্ত্র উল্লাস আমাদের লোহিত কণিকায় সাম্প্রদায়িকতার সূক্ষ্মজাল নীরব বিস্তার দ্রোহের আগুনে পুড়ে…
মায়া সৈয়দা শাফিনাজ মায়া বড় শক্ত বাঁধন মায়া সীমানা ছাড়িয়ে আকাশ ছুঁতে চায় মায়া রঙ ছাড়া চোখের জলে মিছেই সোনার তরী সাজায় মায়া কাঁদায় আবার, মায়াই মনের মাঝে তোমার লাগি রূপকথার অট্টালিকা সাজায় মায়া সুপ্ত ভালোবাসার মুক্ত ঝিনুক ও বটে,,,,, ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, ২৩.০৪.২০২৩
