চমকে উঠে থমকে দেখি সন্দীপ ঘোষাল ১৮/১০/২১ ক্লান্তি ধোঁয়া ভিন্ন পোশাক পরে আলিঙ্গন করে বোধি বৃক্ষ! ক্ষমা করো আমায়-নামতা পড়ে নিঃশব্দে পদস্খলনের দুঃখ! আর্তনাদ কাঁদে ক্ষমা করো এই উৎসবদিনে বেঁচে আছি তাই! স্মৃতির বুদ্ বুদ ফুসফুসে জড়ো ভাগ্যবিড়ম্বিত আমি একেলাই! চেতনার নিসপিস দুই হাত অভিশপ্ত উঁচু গাছগুলো জড়িয়ে! বুনোগন্ধে ভরপুর এ প্রভাত মুচড়ে-নিংড়ে-ফোঁটা ফোঁটা শব্দ তোলে জাগিয়ে! দর্প স্রষ্টার শূন্য আলোয় চমকে উঠে থমকে দেখি! প্রচণ্ড তাণ্ডব সমুদ্র বেদনায় তুষের আগুন জ্বলে-এ-কি! ভালোবাসাবাসির মানব জামানায়! মায়ের সন্তানের অশ্রুতে এ কোন শপথ! পথে পথে প্রেতাত্মা হিমেতে এ কোন বিপদ! ক্ষমা যেনো করি-তোমাতে আমাতে- “ক্ষমা” যেনো পৌঁছোয় পদস্খলনের ঠিকানায়!
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
Poem: She by: Rajashree Mohapatra She will rise from the ashes from the faded colors of the desert flowers She will be back this time as she did before She will touch her dreams hanging in between the leaves of tangled branches of wild trees where moon is trapped still So far ••• In utter silence She has sprinkled nectar on you in her womb, She has worn a smile on her parched lips for you. How can you forget the hands that cared for you so far Don’t call her a stream , flowing with waves of sin She…
মায়াবী আতর চন্দন সাদ আক্কাছ মিঞা কখনো কখনো অমাবস্যায় চোখেরা জ্যোৎস্না খোঁজে! হাওয়ার তালে পত্র পল্লবে মায়াবী বাঁশি বাজে। দেওয়ানী মন উতলা হয় অপ্রাপ্তির হিসেব নিকেশ গচ্ছিত স্মৃতি শিকেয় তোলা চেনা মানুষ অচেনা মুখোশ। অহর্নিশ বেরসিক মায়া টান ঘৃণা পোকা ঠোকররত উৎপাতহীন অন্তঃপুরে ভালবাসার অকাল অশ্রু যত। আকাশের বুক জুড়ে তারার সারানিশি ছুটি যাপন নিছক ভালোলাগার আবেশ মিশে ভেতর বাহির সারাক্ষণ। চিরযৌবনা প্রেম গীতি নয় কেবলই ভালোবাসার গল্প নিঃশ্বাসে উচ্চারিত প্রতিটি শব্দ কত যে শুভ্র। আঁধার ভাঁজে শুভ্র সুগন্ধি ফুল সম্মোহন অমাবস্যার রাত সুবাসিত মায়াবী আতর চন্দন কাফন রন্ধ্রে রেখাপাত। সিলেট।
অণুকবিতা: ১) রাত্রি পোহালে যে ফুল ঝরে যাবে তাকে কেন এতো সাজালে দিনের আলোর পিছনে রাতকে কেন আঁধারে ডুবালে। ২) টলমল করা জল পাতার আপন নয় অশ্রু হয়ে গড়িয়ে পড়া জল বেদনাময় হয়। আপন ব্যথা আপন মাঝেই রাখিতে হয়।। ৩) রাত বাড়ে বাড়ে রাতের নিস্তব্ধতা শুধু জেগে থাকে মিটিমিটি তারা আর কিছু ক্ষেপাটে মানুষ নদীতে তখন জোয়ার।। ৪) একলা দিনের একলা আকাশ একলা থাকার দিন গো একলা হাওয়া যাবেই যদি আমায় সাথে নাও গো। ৫) এতদিন হাটিয়া বুঝিলাম এ জগত আমার নয় এ পথও আমার নয় শুধুই মায়ায় পড়িয়া রই। ৬) সময় এক বহতা স্রোত মুছে দেয় শৈশবের রং ভুলিয়ে…
এখনও শরৎ আসে এ.জে. রনি এখনও শরৎ আসে শরত যায়, শুভ্র কাশফুল মৃদু হাওয়ায় দোলে। পড়ন্ত বিকেলে ছুটে চলি এখনও আমি এই বুঝি তুমি এলে। একগুচ্ছ কাশফুল নিয়ে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে হাতের মুঠোয় যায় শুকিয়ে। তোমাকে আজও দেয়া হলো না, পঞ্জিকায় দাগ কেটে যাই বছর থেকে যুগে। তুমি আর ফিরে এলে না। আমি ছিলাম, আছি হয়তো থাকব তোমারই অপেক্ষায় কোন এক শরতে। এ.জে. রনি সেনবাগ, নোয়াখালী।
বৈরাগী রঙধনু রঙে আকাশের নীলে আবির ছড়ালো আজ, বসন্ত বরণ মেতেছে ফাগুণ, বৈরাগী মন আজ তোমাকে চাই। গন্ধগকুল শোভাসিত সব গন্ধ ছড়ায় নগ্ন মাদকতায়, কৈশোর পেড়িয়ে উন্মুক্ত যৌবন,বুনো হাস খেলে জল কেলী খেলা। জুঁই চামেলী ফুটেছে আজ বিরহ বাতাস গন্ধ ছড়ায়, পরাগ রেণু মঞ্জুরিত সব ফুলে ফুলে সঙ্গম যে হবে। কুহক কুহেলী ডাকে মিলনের আহবান প্রজাপতি মন পাখনা মেলে,গোলাপ কুঁড়ি সব কিশোরী মেয়ে নন্দন কাননে আজ সাবালিকা হবে। বিরহ রঙে অভিমানী সে পরাগ রেণুর মিলন হবে, রঙধনু রঙে আকাশের নীলে আবির ছড়ালো আজ, বসন্ত বরণ মেতেছে ফাগুণ বৈরাগী মন আজ তোমাকে চাই। ——- তাং-১৫-১০-২১ মনি জামান
স্বাধীনতার ছোঁয়া কামরুন নাহার স্বাধীনতা, স্বাধীনতা ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ সেই মুক্তির দিশা পেলাম আমরা মানুষ নামের বাঙালি। তিরিশ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আমরা পেলাম স্বাধীনতা, কত ভাইয়ের, কত বোনের শত শত শহীদের রক্তে আছে এই স্বাধীনতা। মুক্তির দেশে নিজেকে তৈরি করো তোমরা জেগে উঠো, জাগ্রত ভাইয়েরা তাই কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে বলি জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয় সোনার বাংলাদেশ সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা এই বাংলাদেশ চিরসবুজের দেশ। তাই স্বাধীনতার এই ছোঁয়ায় সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সকলে আমরা নিজেকে নিয়োজিত করব এবং নির্ভরশীলতায় উন্নত জীবনের স্বপ্নদর্শন এ বাংলাদেশকে উন্নত মেধা ও মননশীল করে গড়ে তুলবো। একুশের চেতনা…
ভালো আছিস তো? কতদিন দেখিনি তোকে! আচ্ছা! এখনো কি প্রেমের ঢেউ খেলে তোর ওই সাগর গভীর চোখে? সেই ঢেউয়ে কতই দুলেছি, মনে পড়ে? তার গভীরতা মাপতে গিয়ে কতবার নিজেকেই ভুলেছি! ওই ক’ফোটা নোনা জলে আমার মায়ার তরীখানা কী অনায়াসেই যেতো চলে। আচ্ছা আজ তোর ওসব মনে পড়ে তো? কতদিন বলিনি তোকে! জানিস? না বলা সেই কথাগুলো ব্যথার পাহাড় হয়ে জমা রয় বুকে। সেই পাহাড় বুকে একাকী পথ চলা, আজও তোকেই জপি, তোকেই খুঁজি, না বলা কথা আর হয়নি বলা। জোনাকির চাদরে মুড়িয়ে, এখনও কি তোর না বলা কথাগুলো দিস দূর তারার পানে উড়িয়ে? আর তারারা আগের মতো তোর কথা শুনে…
সদ্য প্রয়াত প্রখ্যাত ছড়াকার রফিকুল হক দাদুভাইকে নিয়ে রহীম শাহ’র স্মৃতিচারণ: প্রখ্যাত ছড়াকার রফিকুল হক না ফেরার দেশে চলে গেলেন ১০ই অক্টোবর ২০২১। সত্তরের দশকে গড়া শিশুকিশোরদের সংগঠন ‘চাঁদের হাটে’র প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। এর আগে তার পরিকল্পনায় এবং তাঁর তত্ত্বাবধানে দৈনিক পূর্বদেশে ‘চাঁদের হাট’ নামে ছোটোদের একটি পাতা বের হতো। তখন থেকে তিনি ‘দাদুভাই’ নামে পরিচিতি পান। ১৯৭৪ সালে ‘চাঁদের হাট’ নামেই শিশু সংগঠন গড়ে তোলেন। তিনি জন্ম হয়েছিল ১৯৩৭ সালের ৮ জানুয়ারি। রফিকুল হকের পৈত্রিক বাড়ি রংপুর শহরের কামালকাচনায়। আদিনিবাস ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহারে। তাঁর শৈশব কেটেছে কুচবিহার শহরে, সেখানেই স্কুলজীবনের শুরু, তারপর রংপুরের কৈলাশ রঞ্চন উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা, সেখান থেকে…
অবশেষে ‘চিত্রনায়িকা’ তকমা যোগ হচ্ছে অভিনেতা সুব্রত ও প্রয়াত অভিনেত্রী দোয়েল জুটির একমাত্র কন্যা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি! যিনি দীঘি নামে সব শ্রেণির দর্শকদের কাছে পরিচিত। শিশুশিল্পী হিসেবে ‘কাবুলিওয়ালা’ সিনেমায় ২০০৬ সালে প্রথম অভিনয় করেন দীঘি। সেবারই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তার হাতে ওঠে শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পীর পুরস্কার। এরপর চাচ্চু আমার চাচ্চু, এক টাকার বউ সিনেমা দুটিতেও দীঘি অর্জন করেন শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পীর পুরস্কার। ছোট্ট দীঘি তখনই ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সেই ছোট্ট দীঘিরই ‘চিত্রনায়িকা’ হিসেবে আজ অভিষেক হলো। টুঙ্গিপাড়ার মিয়াঁভাই’ নায়িকা দীঘির প্রথম সিনেমা। সিনেমাটি মুক্তির অপেক্ষায়। তার আগেই দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর পরিচালনায় ‘তুমি আছো তুমি নেই’ নামে আরেক সিনেমা দিয়ে দীঘির…
