দেশের বরেণ্য স্থপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (১ জানুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুববরণ করেন। তার মৃতুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান। মোবাশ্বের হোসেন বাংলাদেশের স্থপতি ইনস্টিটিউটের সভাপতি ও পরিবেশকর্মী ছিলেন। স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যে স্নাতক সম্পন্ন করেন। বর্তমানে কমনওয়েলথ অ্যাসোসিয়েশন অফ আর্কিটেক্টস এবং বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। নাগরিক আন্দোলনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন স্থপতি হিসেবে মোবাশ্বের হোসেনের নির্মাণকাজের মধ্যে আরডিআরএস সেন্টার-উত্তরা/রংপুর, প্রশিকা ভবন, গ্রামীণ…
Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ
কষ্ট তসলিমা হাসান যেদিন মিথ্যে বলে আমাকে ছুঁড়ে ফেলা হয়েছিল, সেদিন আমি কিছুই বলিনি। হ্যাঁ, কিছুই বলিনি। ঝাপসা চোখে নীরবে ছেড়ে এসেছিলাম চেনা গলি। চেনা গলির শেষ প্রান্তে কেউ আমাকে বিদায় জানাতে আসেনি। বাঁধ ভাঙা কান্নার ঢেউগুলোকে বাঁধা দিতে কেউ আসেনি। আমি কিছুই বলিনি। এখনও মাঝে মাঝেই ঘুরে আসি পুরনো সেই চেনা গলি। পুরনো পথ, পুরনো শপথ পুরনো কথা, পুরনো স্মৃতি কখনোবা অজান্তেই এক চিলতে হাসি ফুটে উঠে ঠোঁটে কখনো বেহায়া চোখ মানে না বারণ, ভাসিয়ে দেয় কাজল। ভাবি, সত্যিই কি সবটা মিথ্যে ছিল? নাকি পুরোটাই ছিল কেবল অভিনয়? দ্বিধান্বিত আমি যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে ভাবি, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয়, তবে…
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অন্বয় প্রকাশের পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে অন্বয় প্রকাশের লেখকদের মধ্য থেকে সম্মানিত দশ লেখককে পুরস্কারের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। তাঁরা হলেন, কবিতায় মুহম্মদ নূরুল হুদা, প্রবন্ধ-গবেষণায় মোহীত উল আলম ও জিয়াউল হক, গল্প-উপন্যাসে ইসহাক খান, গ্রন্থ সম্পাদনায় অপু উকিল, মুক্তগদ্যে আকবর হায়দার কিরন, ছড়া-কবিতায় দর্পণ কবীর ও সালেহীন সাজু, লেখকের প্রথম বই শাখায় আইনুল হক ও অনুবাদে অজিত পাত্র (ভারত)। আগামী ২১ জানুয়ারি ২০২৩, শনিবার বিকাল ৪ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউট অডিটরিয়ামে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে লেখকদের পুরস্কার প্রদান করা হবে।
কবিসংসদ শিশুসাহিত্য উৎসব ২০২২ অনুষ্ঠিত। কবিসংসদ বাংলাদেশ আয়োজন করে গত ০৮ জানুয়ারি ২০২৩। ঢাকায়, শিশুকল্যাণ পরিষদ ভবনে, শিশু সাহিত্যিক রফিকুল হক দাদু ভাইয়ের ৮৭ তম জন্মদিন উপলক্ষে কবি সংসদ শিশু সাহিত্য উৎসব। দীর্ঘ ২৪ বছরের মাথায় এসে কবি সংসদ বাংলাদেশ নিয়মিত এই আয়োজন করবে। কনকনে শীতের মধ্যেও প্রধান অতিথি ছিলেন কবিসংসদ বাংলাদেশের উপদেষ্টা কবি ও শিশুসাহিত্যিক আসলাম সানী। প্রধান আলোচক ছিলেন সাদাকালো পত্রিকার সম্পাদক কবি ও সম্পাদক সালেম সুলেরী। কবি সংসদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি কবি ও শিশুসাহিত্যিক রাজু আলীম কবিসংসদ শিশুসাহিত্য উৎসব উদ্বোধন করেন। উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব কবি ও ছড়াকার তৌহিদুল ইসলাম কনক স্বাগত বক্তব্য রাখেন। কবিসংসদ শিশুসাহিত্য উৎসবের…
ভালোবাসতে মানা অধরা আলো ভালোবাসতে মানা জানি অযথাই মন পুড়ে তবুও এই দুর্বোধ্য শহরে কেউ একজন সঙ্গী লাগে, তুমি আছো সংগোপনে যাপিত জীবনে, তবুও নিঃসঙ্গ একা এই ভুবনমোহিনীর নিরব কাননে। ভাবনার অন্তর জালে বিরাজমান অবয়ব যাহার সন্ধি তাহার সনে, প্রকাশিত আবেগ বন্ধী মন কুটিরে। বাস্তববতায় কঠোর পৃথিবীর মানব আচরণে ভালো লাগা ভালোবাসার মৃত্যু অনিবার্য। নিরুপায় মিথ্যা শপথ অহেতুক বেদনার ভিড়, কেনবা করবো জীবন অভিশপ্ত আর্তনাদের কোলাহলে। নিরুত্তর, নিস্তব্ধ, ভালোবাসা কি বাঁধ মানে? মানে কি কোন সন্ধি? খুব বলতে ইচ্ছে করে ভালোবাসি তোমায়, ভীষণ ভালোবাসি। জলাঞ্জলি সকল চাওয়া পাওয়ার ভাঙচুর হৃদয় কোণে। ভালোবাসতে মানা জানি তবুও তো মন পুড়ে।
কেউ বলে পেন্নাম কেউ সেলামাল্কি! আপনি কি বলেন? লুৎফর রহমান রিটন ‘আপনি কি বলেন’ নামে চমৎকার একটি রিয়েলিটি শো প্রচারিত হয় স্টার জলসায়, ওপার বাংলার বিখ্যাত অভিনয়শিল্পী দেবশঙ্কর হালদারের উপস্থাপনায়। সেই অনুষ্ঠানে পারিবারিক ও সামাজিক কোনো সমস্যা বা অনুষঙ্গকে বিষয় করে একটি নাট্যাংশের চিত্রায়ন উপস্থাপন করে স্টুডিওতে উপস্থিত দর্শকদের মতামত জানতে চান উপস্থাপক। পক্ষে বিপক্ষে মতামত দিতে দিতে দর্শকরা তুমুল তর্কে মেতে ওঠেন। দুভাগে ভাগ হয়ে যান। অতঃপর তর্ক-বিতর্কের যুক্তি-পাল্টা যুক্তির ওপর দাঁড়িয়ে সেই বিষয়টির একটি যবনিকা বা উপক্রমনিকা টানেন উপস্থাপক দেবশঙ্কর। গতকাল ছড়ার আঙ্গিকে একটা উল্টাপুল্টা সিক্সটি নাইন জাতীয় অর্থহীন রচনা তৈরি করার পর মনে হলো–এইটা আমি কি বানালাম?…
অসমাপ্ত চলচ্চিত্র আয়েশা সিদ্দিকা কনক গেরুয়া রঙের স্বপ্নগুলো ঘুড়ি হয়ে উড়তে চায়, পুরোনো শহরে ফেলে আসা স্মৃতি, অনুকাব্যে ঘর খোঁজে I নীল খামের বন্ধ চিঠি গুলো আজ উন্মুক্ত, অক্ষরের মিলনের অর্থ না বুঝেই বিচারকেরা বিচার করতে নেমেছেন I জেল, ফাঁসি না যাবতজীবন কারাদণ্ড ? নির্ধারণ করবেন সমাজের ঠিকেদারেরা – যারা ডক্টরের সার্টিফিকেট না নিয়েই অপারেশন থিয়েটারে লালবাতি জ্বালিয়েছেন I কখনো ধর্মের নামে, কখনো সামাজিক অবক্ষয়ের নামে, সুশীল সমাজে চলে ভুল চিকিৎসা I রক্তমাংসের মানুষের অনুভূতি নিয়ে, কারো কোনো মাথা ব্যথা নেই I সেই পুড়ে মরা মানুষটা পুরুষ অথবা নারী, যেই হোক না কেন জ্বলছে সমান তালে I তবুও হাসিমুখে প্রতিনিয়ত…
পৌষ – এটিএম ফারুক আহমেদ তারিখ: ০৯.০১.২০২৩ ইং পৌষ চলে যায়, মাঘ ধেয়ে আসে আমাদের জীবন ক্ষয়ে যায় বিনয় আবেগে বাঁশি বাজায় আমাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ ওর দিকে ওর সকল অবয়ব জুড়ে বাঁশি সুর তোলে ওর সেদিকে লক্ষ্য নেই মোটে তন্ময়, আবেগে উন্মুখ উচ্ছল সে সকলকে আনন্দ দিয়ে নিজকে ছাড়িয়ে দৃষ্টি তার যায় সীমানা পেরিয়ে তবুও ফাগুনের বিশুদ্ধ দখিনাকে সে আহ্বান করে মুগ্ধ চকিত নজর তার কার যেন দৃষ্টি কাড়ে সেই নবীনা এসে পাশে দাঁড়িয়ে শোনে যায় নীরবে আমাদের দৃষ্টি ফেরাতে পারেনি তাকে শীতের তীব্রতা এতো বেশি তবুও হাসি আনন্দের বাঁধ ভাঙা হাসি গাছে গাছে আম্রমুকুল মুন্জরিত দেখি ফসলের মাঠে রবিশস্য,…
হয়তো কোনোদিন তসলিমা হাসান তোমায় এক পলক দেখবো বলে কত সহস্রাব্দী ধরে করছি অপেক্ষা শ্রুতিমধুর শব্দ ও ছন্দের পংক্তিতে সাজিয়েছি অজস্র প্রেমের কবিতা। তোমার আঁখি পল্লবে হারাবো বলে বিনিদ্রায় কাটিয়েছি তিমির রাত্রি স্বপ্নের খেয়ায় ভেসে দ্বিধাহীন ভাবে হয়েছি গন্তব্যহীন পথের যাত্রী। তোমার পাশাপাশি বসবো বলেই ভালোবাসি আঁকাবাঁকা পাহাড়ি নদী আমিও নদীর মতো তোমার পানে এঁকেবেঁকে বয়ে চলেছি নিরবধি। তোমার আলতো স্পর্শ পেলেই অঝোরে ঝরবে অভিমানের বৃষ্টি অশ্রুধারায় সেদিন সিক্ত হবে যেনো সহস্র বছরের তৃষিত দৃষ্টি। হয়তো কোনোদিন তুমিও এভাবে ঐ নক্ষত্রের ভীড়ে আমায় খুঁজবে নক্ষত্রের মাঝে জ্বলবো মিটিমিটি দূরে থাকার কষ্টটা সেদিন বুঝবে। _____________ তসলিমা হাসান কানাডা,০৯-০১-২০২৩
ঠিক মিলে যাবে শিরীনা ইয়াসমিন আমি ভালোবাসি সাহিত্য আসর, কবিতাকে, যখন কোনো আবৃত্তি শুনি ওটাতে ডুবে যেতে ভালোবাসি। মাছ বাজারে চিৎকার, চেচামেচি বাজারের বৈশিষ্ট্য, কবিতার নান্দনিক উপস্থাপন সাহিত্য আড্ডার প্রাণ। আমি ভালোবাসি গ্রাম, ভালোবাসি বাংলার হলুদের গীত থেকে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত; সঙ্গীত সন্ধ্যায় বাহুল্য আলাপ মৃত্যুসম, সঙ্গীত শ্রবণ আমার কাছে প্রার্থনাসম। কবিতার আসরে এলোমেলো কথোপকথন আমায় আহত করে। ইচ্ছে হয় অশ্বত্থের নীচে বসে বাউল গান শুনি। যাদের কাছে সংগীত এক পুণ্য সাধনা। ভালোবাসি মঞ্চ, গান, কবিতা অথচ, অথচ কিছুই আর দেখা হয় না, শোনা হয় না। এভাবেই একলা হতে একলা হচ্ছি প্রতিনিয়ত। এখনো স্বপ্নে আসে রাধা- কৃষ্ণের পালার সেই লাইনটা, ‘এসো…
