Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন তানজানিয়ার আবদুর রাজ্জাক আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শীর্ষ সম্মাননা নোবেল পুরস্কারের সাহিত্য বিভাগে চলতি বছর পুরস্কার পেয়েছেন তানজানিয়ার ঔপন্যাসিক আবদুর রাজ্জাক গুরনাহ। বৃহস্পতিবার সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারজয়ী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা হয়। আব্দুর রাজ্জাক গুরনাহ ১৯৪৮ সালে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জাঞ্জিবার দ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬০ এর দশকের শেষের দিকে তিনি শরণার্থী হিসেবে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান। এখন পর্যন্ত তানজানিয়ার এই সাহিত্যিক ১০টি উপন্যাস এবং কয়েকটি ছোট গল্প লিখেছেন। শরণার্থীদের জীবনের পরতে পরতে যে ঘাত-প্রতিঘাত, তা তার লেখনিতে ফুটে ওঠে। বর্তমানে কেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গুরনাহ মূলত ইংরেজি ভাষাতেই সাহিত্য চর্চা করেন। মোট ১০টি উপন্যাস ও একটি ছোট গল্পের সংকলন রয়েছে…

আরো পড়ুন

থার্ড ক্লাস বানায় ফার্স্ট ক্লাস। —-পারভীন আকতার শিক্ষকতা একটি মহান পেশা। টাকা পয়সা, পদ-পদবীর বাহার কোনটাই দিয়ে এই মহৎ পেশা,কাজটিকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। পড়ালেখা করেছি বিধায় মনের তাগিদে, দায়িত্ব মনে করেছি মানুষকে জ্ঞানদান করা আবশ্যক।আলোকিত মানুষ তৈরি করা সামাজিক দায়বদ্ধতা, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। দেশকে সুশিক্ষিত জাতি উপহার দেয়া মানে উন্নত দেশ।কখনোই মাথাব্যথা ছিলনা শিক্ষকতা পেশা এই দেশের সংবিধান অনুযায়ী কোন গ্রেড আর ক্লাসের হতে পারে।মনের আনন্দে কাজ করেছি।দিনরাত পরিশ্রম করছি সচেতনতায় পরিবর্তনে টেউ তুলতে।বদলাতে পারছি আপন আলোতে, ছড়াচ্ছি মেধার স্ফুরণ।ভুরিভুরি সদৃশ্য সফলতা চোখে দেখার মতো।আমাদের হাতেকলমে শিক্ষা, সন্তানের মতো আদর শাসনে বড় করছি শিক্ষার্থীদের।তারা একসময় আমাদেরও ছাড়িয়ে যাক এই…

আরো পড়ুন

কেমন আছো মৃত্তিকার তলে কবি রিতুনুর ০৩.১১.২০২১ ইংরেজি কেমন আছো মৃত্তিকার তলে তুমি আজও ভালোবাসি তাই অবসরে নদীর কিনারে আসি। কাশফুল তুলি, মনের দুঃখ মনে রেখেই মিষ্টি হাসিতে কিছু সময়ের জন্য তোমায় ভুলি। নৌকায় চড়ে বহুদূরে ভেসে যাই, তোমার দেখা কোন গঞ্জে আচমকা যদি পাই। অপেক্ষায় থাকি, তুমি আসবে হয়তো একদিন ফিরে, দেশ স্বাধীন হলেই দেশটা তো আজ স্বাধীন, নেই পরাধীনতার ছোঁয়া। তবু কেন সবি লাগে ধোঁয়া ধোঁয়া। সুখ কেন লাগে জীবনে অরণ্য রোদন অনেক কথার ফুলঝুরি মুখে নিয়ে কৃষ্ণচূড়ার তলে যাই, চায়ের পেয়ালা হাতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষার পায়তারা চলে আজও চাঁদনী রাতে। সাইক্লোনের প্রবল ঝড় উঠে বুকে, তখন খুব…

আরো পড়ুন

ফরিদ আহমেদ দুলাল সম্পাদিত প্রিয় কবিতা ও কবিতার জন্মস্মৃতি কাব্যগ্রন্থের আলোচনা: মতিন বৈরাগী। প্রিয় কবিতা, আমার বিপন্ন অস্তিত্ব। আর আমি বসে থাকি যখন কোনো সন্ধ্যা তার শেষ আলোটুকু ছড়িয়ে দিয়ে আশপাশে বৃক্ষদের কচিপাতায় তোলে শিহরণ গুটিয়ে আনে বর্ণালি রঙের লীলা আমি বসে থাকি একটা সমাপ্তির দিকে আমার দু’চোখ স্থির হয়ে থাকে— আমি জানি ওরা আর ফিরে আসবে না শরতের কাশফুলের দোলায় ওরা ফিরে আসবে না সেই দিনগুলোর কোলাহল মুখরতায় ওরা হারিয়ে গেলো আর সমুদ্রের গাঙচিলগুলো ডানা মেলে চিৎকারে চিৎকারে ঝরায় পালক আমি বসে থাকি একা আমার চারদিকে তৃণগুল্ম দীর্ঘশ্বাস ফেলে হরপ্পার পোড়া ইটের মতো আর একটা রাত্রি শিঙ উঁচিয়ে হেঁচকি…

আরো পড়ুন

অশরীরী প্রেমের সনেট ফেরদৌস সালাম। তুমিই সে সরোবর নিস্তরঙ্গ আর্তিময় জল প্রপাত গর্জন নেই স্হিরতায় রাধার শরীর বিনম্র কোমল ত্বকে মৃদু ঢেউ ছুঁয়ে যায় তীর সর্ষে ক্ষেতে শীত সূর্য শিশিরেরা স্নিগ্ধ টলমল। চন্দ্র সত্য আমি সত্য- সত্য এই বহতা যমুনা আমি সেই শব্দবাজ প্রেমে হই সমুদ্র কল্লোল শীতের সবজীসহ দিয়ো শুধু মাগুরের ঝোল অশরীরী প্রেমে জেনো ফেরেশ্তাও লিখবে না গুনা! তবুও আড়ষ্ট তুমি ডাক শুনে থাকছো বধির মিলনে মাতাল কেকা মেলে দেয় পালকের ওম সন্তানের রক্তবীজে পুস্ট হয় জননীর ঘুম কোকিল বসন্ত দিনে আনন্দিত হয়ে ওঠে নীড়। কিছুই চাই না আমি চাইবো না কপোলের তিল আমাকে বিশ্বাস করো খুলে দাও…

আরো পড়ুন

প্রেমের কবিতা। মারিয়া রিমা। “তোমারও কি সামারে বৃষ্টি পড়ে” আমাকে তুলে তুলে ভেঙে ভেঙে ফেলে দিওনা এই ফেলে থাকা আমি দুপায়ে ভর করে দাঁড়াইনা দেখো দেয়ালের গায়ে ঠেস দিয়ে দেয়াল ধরে হাঁটছি টেবিলের উপর উপুর হয়ে ডিভানের উপর চিত হয়ে কতরকম শুয়ে থাকা যায় যত দূরে তুমি থাকতে পারো এখানে আকাশ মেঘলা মনের সঙ্গে একাত্ম হয়ে তোমারও কি সামারে বৃষ্টি পড়ে? “আমরা যদি প্রেমে পড়ি” আমরা যদি প্রেমে পড়ি এই নিয়ে কথা হইতেছে আমি বলি, তুমি প্রেমে পড়বা? সে বলে, মেবি সে বলে, তোমার ঠোঁটে কিস করতে দিবা? আমি বলি, আই ইমাজিন আমাদের দেখা হবে একদিন। “তোমাকে পড়ি”…

আরো পড়ুন

ধারাবাহিক উপন্যাস জোয়াল সেলিম ইসলাম খান পর্ব: এক সাদা ষাঁড়ের গুঁতোয় লাল ষাঁড়টির কপাল ফেঁড়ে যখন রক্তের লালিমায় চেয়ে গেল তখন দর্শকদের মধ্যে উল্লাস শুরু হল। কেউ ঢোল বাজাচ্ছে, কেউ কাঁসার থালা। শিশুরা ঘড়ার মুখে চামড়া বেঁধে বাজাচ্ছে। কেউবা আবার পাটিপাতার বাঁশি বাজাচ্ছে। সাদা ষাঁড়ের মালিক কৃষক আবছার মিয়া কোমরের গামছা খুলে মাথায় বাঁধল। সে তার প্রিয় ষাঁড় দুধরাজের মাথায় ও গলায় হাত বুলিয়ে কৃতজ্ঞতা জানাতে লাগল। আর লাল ষাঁড়ের মালিক মাতব্বর আবুল খায়ের রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে ময়দান ত্যাগ করলেন। পূর্ব বঙ্গের উপকূলীয় সোনার চরে আজ উৎসবের আমেজ। হাজার হাজার মানুষ আজ জড়ো হয়েছে জঙ্গলের ধারের ধানভাঙ্গা মাঠে। শীতের শুরুতে…

আরো পড়ুন

‘বই আমার শক্তি, বই আমার মুক্তি’ স্লোগানে শুরু হওয়া পাঁচদিন ব্যাপী ৩০তম নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা শেষ হয়েছে। ১ নভেম্বর সোমবার রাতে জ্যাকসন হাইটসে জুইশ সেন্টারে মেলার সমাপনী দিনেও বিভিন্ন স্টলে লেখক সাংবাদিক, ক্রেতা ও পাঠকের ভিড় দেখা যায়। নিউইয়র্ক বইমেলার উদ্যোক্তা মুক্তধারা ফাউণ্ডেশনের বিশ্বজিত সাহা বলেন, “ঢাকা থেকে আসা প্রায় সবগুলো প্রকাশনীর স্টল ফাঁকা হয়ে গেছে। তুলনামূলক অনেক বেশি বই বিক্রি হয়েছে এবারের মেলায়। মেলা থেকে ফেরার সময় প্রায় প্রত্যেকের হাতেই ছিল বইয়ের ব্যাগ। বাংলা বই নিয়ে প্রবাসীদের উৎসাহ প্রবাসের লেখকদের জন্য উৎসাহের বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিশ্বজিত সাহা বলেন, “বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে প্রবাস প্রজন্মের আগ্রহ আমাকে অভিভূত…

আরো পড়ুন

সামগ্রিক অবদানের জন্য এক্সিম ব্যাংক-অন্যদিন হ‌ুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য পুরস্কার পেলেন প্রবীণ কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। তার সঙ্গে নবীন সাহিত্যশ্রেণিতে (অনূর্ধ্ব চল্লিশ বছর বয়সী লেখক) ফাতেমা আবেদীন এ বছর তার ‘মৃত অ্যালবাট্রস চোখ’ বইটির জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন। আগামী ১২ নভেম্বর বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। পুরস্কারপ্রাপ্ত সেলিনা হোসেন ও ফাতেমা আবেদীন পুরস্কার হিসেবে পাবেন যথাক্রমে পাঁচ লাখ ও এক লাখ টাকাসহ উত্তরীয়, ক্রেস্ট ও সনদপত্র। ২০১৫ সালে প্রবর্তিত হয় ‘এক্সিম ব্যাংক-অন্যদিন হ‌ুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য পুরস্কার’। দেশের প্রবীণ ও নবীন কথাশিল্পীদের সাহিত্য সৃষ্টির স্বীকৃতি ও প্রেরণা যোগাতেই এই পুরস্কার প্রবর্তিত হয়। উল্লেখ্য, শওকত আলী ও সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম…

আরো পড়ুন

কবিতা: দুঃখ। অহনা নাসরিন। যমজ পাহাড় কেনা শখ। সুখ-দুঃখ যমজ পাহাড় খুচরো পয়সা কিছু জমা আছে কিছু স্বপ্ন আছে, আর কিছু ইচ্ছে আছে ভাবলাম এতে হয়ে যাবে। সাহস করে দক্ষিণে যাই। পাহাড়ের খোঁজে পাহাড় কেমন করে কিনতে হয় আমার জানা নেই। সমস্ত অরণ্য তন্ন তন্ন করে খুঁজি কোথাও পাহাড় নেই। তারপর উত্তরে গেলাম- নদীকে বললাম-আমি একটি পাহাড় কিনতে চাই কলকলিয়ে জবাব দিল- পাহাড় বইতে পারবে? বুকের ভেতর যে পাহাড় তারও অধিক ভারী? নিত্যদিন বয়ে চলি আর এ পাহাড় তো সামান্য নদী বললো, বেশ বেশ তোমায় আমি একটি দুঃখের পাহাড় দিলাম। আমি এখন বুকের ভেতর দুঃখের পাহাড় বয়ে বেড়াই।

আরো পড়ুন