Author: প্রতিবিম্ব প্রকাশ

যন্ত্রণা অনিতা দাস কুয়াশা ঘেরা ভোরের বুকে জেগে দেখি সাদা পায়রারা উড়ে যায় সূর্যটার দেখা মেলা ভার। বুকের ভেতর দীর্ঘশ্বাসটা বেরিয়ে পুড়ে ছাই করে দিতে চায় সব কিছু, পাষাণ শহরে ভালোবাসার নেই কোন ঠায় জল রং এ আঁকা মুখ অস্পষ্ট হয়, ঝলমলে স্মৃতিরা তাড়িয়ে বেড়ায়। বুকের মরুভূমিতে স্বপ্ন ভাঙার দুর্দিনে তোমা হতে কেন দূরে নিয়ে যায়? তুমি তো জানতে আমার হাসি আনন্দের উৎস তুমি, বেঁচে থাকার নির্যাস তুমি, তোমাতেই অদৃশ্য বাঁধন আমার। রূপে নয় মোহে নয় আত্মা দিয়ে ভেতরের অন্তর আত্মা তোমাকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়। আকুলতা ব্যকুলতা সব তোমাকে ঘিরে এক ফালি অখণ্ড ভালোবাসায়, বিশ্বাসে আবেগে দূর্বলতায় তোমাকে হৃদয় খুঁজে…

আরো পড়ুন

তাল পাপ। বিপ্লব মৈত্র। ভাদ্র মাসের তাল। নাম শুনেই জিহবাতো জল আসে। ছোট বেলার কথা মনে পড়ে। সে সময় ঠাকুমা, মা, এর হাতের নারকেল মিশিয়ে তৈরি তাল খির, তালের রুটি, তালের বড়া তা আবার রসে ভেজানো- আহাঃ এখনো মনে আসতেই স্বাদটা চলে আসে।সে সময় বাড়িতে পাকা তাল আনা মানে এক উৎসবের সূচনা করা। যদিও খাতকের মনে আনন্দ, যারা এটা প্রসেজ করে তাদের মনে হয় অতোটা হয় না।কারণ তাল ছাড়ানো,পিঁড়িতে পেটানো,কাঠের তৈরি তাল ডলুনিতে ডলা, এরপর গামছায় পেঁচিয়ে সারারাত ঝুলিয়ে রাখা, পরদিন ঝুনো নারকেল ছুলে, কুড়িয়ে,কখনো মিহি করে বেঁটে তালের সাথে মেশানো, পরিমান মত আখের গুড় মেশানো, অল্প আঁচে জাল দেয়া,তাতে…

আরো পড়ুন

শূন্যতায় অতসী চক্রবর্তী ঠাকুর কোন হাওয়ায় মিশে যায় সত্যের মিমাংসাটা! ডানামেলা উত্তরে জন্ম নেয় যত বিশ্বাস ঘাতক বিজ্ঞাপনের লড়াই আর রং করা রোদ্দুর দিয়ে শিল্পের কার্পেট কালচার মাটির তলায় গড়াগড়ি যায় বিনোদনের সুতো রুক্ষতার পেশীবহুল স্পর্ধা আর বেলেল্লাপনা-ই সম্পূর্ণ ক্রেডিট বাতাসের চোখ যেন নারীর হাসি ঘন অন্ধকারে বিস্তর চ্যাঁচামেচি অঙ্ক শাস্ত্রে প্রাণের অধিক অপারগতা আমজনতা শুধু ভাবে আর ঘুমায় সত্যের দিকে পৌঁছানো যায় না…

আরো পড়ুন

আলোর কিরণ আব্দুছ ছালাম চৌধুরী তিনটে বাজে বাঙলো যে ঘুম তারপর এলো ভাবনা, চারটে অব্দি গড়াগড়ি নির্ঘুম থাকার যাতনা। সাড়ে চারটায় মনস্থ করলাম রান্নাঘরে যাবো, কফি পানে লিখবো কিছু যা পাবো তা খাবো। পৌনে পাঁচটায় মনে হলো ঘুরি গ্রুপে গ্রপে, হঠাৎ দেখি হাঁটছে শেয়াল বাঁশ বাগানের ঝোপে। পাঁচটা হতেই চোখ যে আবার ঘুমো ঘোরে আচ্ছন্ন, কবিতার এই ছন্দ বুনে মনটা হলো প্রসন্ন। শুয়ে-বসে এই কথাটি লিখলাম নিজের নোটে, চেয়ে দেখি পূর্বাকাশে আলোর কিরণ ফুটে। ইংল্যান্ড

আরো পড়ুন

শুনতে কি পাও অমি রেজা শুনতে কি পাও? পাতা ঝরার নিস্বন ঝরা বকুলের কান্না আর রাতের নীরবতা। শুনতে কি পাও? হৃদয়ের ধকধক শব্দ নদীর বুকে বয়ে চলা নৌকার ছলছল কলরব। শুনতে কি পাও? প্রিয়তমার গভীর দীর্ঘশ্বাস সুঢৌল বুকজুড়ে শুধু কামনার আকুল নিনাদ। শুনতে কি পাও? হেমন্তের সোনাঝরা সকালে সোনালী ধানের শীষের সাথে মাতাল সমীরণের হিল্লোল। শুনতে কি পাও? পাহাড়ের আর্তনাদ ভালোবেসে মেঘকে না পাওয়ার যন্ত্রনা তার বুক চিরে শত ঝর্ণা হয়ে ঝরা। শুনতে কি পাও? সবুজ ঘাসের বুকে শিশিরের কান্না হারানো প্রেম ফিরে ফিরে ডাকে আহত পাখি শুধু ডানা ঝাপটায় শুনতে কি পাও ?

আরো পড়ুন

প্রতিবিম্ব মো: গোলাম রসুল এই বিশ্বভূমে, আমি অবাক অতি দেখলাম গিয়ে উত্তরায়, এক বিন্দুতে মিলন হয়েছে কত জ্যোতি তিমির টুটে বসুন্ধরায়। বঙ্গভূমে লক্ষ তারার মিলন তুমি হাজার ফুলের সৌরভ, ভ্রমর ছুটছে হেথায় , দিবস যামী বিশ্ব জুড়ে গৌরব। কলম সারি, আলো ছড়ায় স্বচ্ছতায় স্বাধীন চেতা আলো তুমি বিশ্বজাহানে আঁধার, আছে আশংকায় মহাধুমে গর্বিত আমি। অতুল ভাস্বর তুমি, বিশ্বের অহংকার সৃজনশীলতার আধার তুমি প্রতিবিম্ব সৃষ্টির মূলে, চৌকস কর্ণধার আলোকিত আজি জন্মভূমি। আবুল খায়ের হাঁটছে ভাই, সরল পথে বাঁকা পথে হাঁটা স্বভাবে নাই রাখাল বাজায় বাঁশের বাঁশি মেঠোপথে মধুরসুরে, সতেজ সবাই। তোমার অতুল স্নিগ্ধতায় মুগ্ধ আমি বদান্যতায় ভরেছি উদর আশীষ যাচি যেন,…

আরো পড়ুন

কিছু নীল কষ্টের প্রশ্ন রুনা খান চিবুকের কাছে এসে থমকে দাঁড়িয়ে আছে দু ফোঁটা চোখের জল, দিকভ্রান্ত সে ! এখানেই শুকিয়ে, তার অস্তিত্ব নেই করে দেবে ! নাকি, গড়িয়ে পড়ে কষ্ট বয়ে নিয়ে যাবে, গলা, বুক বেয়ে আরো… কিছুদূর ! কিছুটা শ্রাবণ বইয়ে দেবে! নাকি! চৈত্রের রুক্ষতা, শুষ্কতা ধারণ করে নেবে ? আজকাল মন বড় বেশি বিভ্রান্তিতে ভোগে ! দ্বিধাগ্রস্ত কষ্ট, বুক ভেদ করে দীর্ঘশ্বাসের সহায়তায় নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে ! অভিব্যক্তির সিদ্ধান্তহীনতায়, বেদনার প্রকাশভঙ্গি পড়ে যায় হুমকির সম্মুখীন ! অশ্রুর মতো বিশ্বাসের অবস্থানও টালমাটাল আজ। কিছুটা বৈরী বাতাসের উস্কানি লেগেছিল বিশ্বাসের গায়ে । কষ্টেরা দ্বিধান্বিত পায়ে হেঁটে বেড়াচ্ছে মন…

আরো পড়ুন

বাংলাদেশেই আজানের ধ্বনি শুনলেই বন্ধ হয়ে যায় মার্কেট:  মাইকে আজানের ধ্বনি কানে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই সম্পূর্ণ মার্কেটের দোকান বন্ধ করেন দোকানিরা। শুরু করেন নামাজের প্রস্তুতি। একে একে সব দোকানি ছুটে যান মসজিদে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের উত্তরপাড় বন্দর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের আশপাশে মার্কেটে এমন চিত্র দেখা যায়। এখানে মসজিদের ২৮টি পাকা ও সেমি পাকা দোকান রয়েছে। ওই দোকানগুলো ৩টি সড়কের ওপরে আলাদাভাবে মার্কেট। আর এই মার্কেটকে কেন্দ্র করে এখানে বড় আকারের একটি রিকশাস্ট্যান্ডও রয়েছে। রয়েছে ঢাকাগামী লঞ্চঘাট। মসজিদের এই দোকানগুলো ছাড়াও এই বন্দরে আরও অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মোট কথায় একটি আলোকিত ব্যবসায়িক পয়েন্ট বলা হয় পৌরসভার এই ১নং…

আরো পড়ুন

খাদিজার বন্দি বছর জগলুল হায়দার যে বিচারে অবিচারে রায় আসে- চায় বাদি যা, সেই বিচারে কি আর পাবে হতভাগী খাদিজা! বয়সে তো নাবালিকা এই তো মোটে সতেরো বারোমাসের হাজতবাসও বলতেছে মাস হ- তেরো। বারো গিয়ে তেরো চোদ্দ যাবে কতো মাহিনা প্রতিবাদের গান তো আমরা তাও তো তেমন গাহি না। বিচারবিহীন একটা বছর মিললো না রায় জামিনে তাও খাদিজার জুলুম রোধে আমরা পথে নামি নে! পাঠ গিয়েছে কিডনি গেছে স্বপ্ন গেছে হারিয়ে গেলে গেছে খাদিজারই যাক না তাতে কার ইয়ে! আজ গেছে তো খাদিজার কাল যাবে তোমার কন্যারও প্রতিবাদে জলদি সবাই এই জুলুমের ক্ষণ নাড়ো! ছবিঃ আন্তনেট।

আরো পড়ুন

ডাকবাক্সের খোঁজে রায়হানা আক্তার এই যান্ত্রিকতার যুগে সকল নিয়ম ভেঙে আমি নব্বই দশকে পদার্পণ করলাম, প্রগতিশীলতার ধমকা হাওয়ায় ডাক বাক্সটা ভেস্তে গেছে, এখন আর ডাক পিওনের সাইকেলের ক্রিং ক্রিং আওয়াজ শোনা যায় না। তবুও – এই ভেস্তে যাওয়া ডাক বাক্সের স্মরণে আমি আবার নতুন করে উদ্ভাবন করলাম, চিঠি লিখলাম… পাঠানোর মাধ্যম হিসেবে খুঁজে নিলাম কুরিয়ার। আমি নব্বই দশকের সরলতাকে ভালোবাসি, ভালোবাসি প্রাচীন ইতিহাসকে। আমি শ্বাস নেই সেই সময়ে পদার্পণ করে, খুঁজে পাই সরলতার এক অনন্য পরিবেশ।

আরো পড়ুন