রওনক : অকৃত্রিম তোমার মিষ্টি হাসি,
তোমার চাহনিতে লিখতে চাই
আমার জীননের গল্পের শেষ ইতি।
যেখানে থাকবে শত ভালোবাসার উপলব্ধি
আর থাকবে প্রেম রাশিরাশি!
তোমাকে বড্ড ভালোবাসি!
সারাজীবন চলবে আমার সাথে?
রনিতা : ভালোবাসার স্বপ্ন দেখতে ভীষণ ভয় হয়।
যদি স্বপ্ন হঠাৎ কাঁচের মতো ভেঙে যায়?
বাস্তবিক জীবনের আঁধারের আনাচে কাঁনাচে যদি কোনোদিন তোমার ভালোবাসাও হারিয়ে যায়?
তাই বড্ড ভয় হয়!
রওনক : ওগো প্রিয় তুমি যদি চাও
এঁকে দিব তোমার প্রতিচ্ছবি,
আকাশের নীল নীলিমায় ।
বুকের সমস্ত ভালোবাসা দিয়ে
সাজাবো প্রেমের তাজমহল।
হবো তোমার ওই সুন্দর চোখের কাজল।
রনিতা: শুনেছি ভালোবাসা নাকি শরীরের মিথ্যে জাগতিক শিহরণ!
এমন মিথ্যে সান্নিধ্য থাকেইবা কতোক্ষণ?
যেখানে অশ্রু দু’চোখকেও অনবরত ধোঁকা দেয়
ভালোবাসার রঙিন নৌকা জীবনকে ভাসিয়ে নেয়
ঠিকানা বিহীন ঠিকানায়।
তাই বড্ড ভয় হয়!
রওনক : না প্রিয়া ওভাবে বলোনা!
ভীষণ কষ্ট হয়।
আমি তোমার অশ্রুবিন্দুতে ফোটাব
প্রথম কদম ফুল।
মুছে দিবো তোমার হাজার ভুল।
সন্ধ্যার গোধূলিতে তোমায় প্রেম দিবো স্নিদ্ধ আলোর আলতো ছোঁয়ায়,
ভালোবাসি এ কথাটি শুধু বলবো তোমায়।
মৃত্যুর মালভূমির শেষ বেলাতেও তুমিই রবে আমার হৃদয়।
রনিতা : সত্যি বলছ?মনে জাগছে খুশির আলোড়ন!
পাওয়া না পাওয়ার ইচ্ছেগুলো নিয়ে বেঁচে উঠতে চাইছে এই মন।
স্বচ্ছ কাঁচের মতো তোমার সুন্দর হৃদয়টা
আমার মন ছুঁয়েছে সেই প্রথম দেখার বেলা।
আমি অনেক আগেই অনুভব করেছি
আমার হৃদয়ে তোমার আনাগোনা।
মন বুঝতো তোমার চোখের কথা।
কিন্তু ভালোবাসা মিছে মায়া
তাই তোমার ভালোবাসায় দেইনি সাড়া।
রওনক:কি বলে পাগলি মেয়ে!
আমিতো শুধু থেকেছি তোমার অপেক্ষাতে।
কবে শুধু তুমি আমার হবে!
রনিতা:সত্যি,,,সত্যিই আমি শুধু তোমার আর তুমি শুধুই আমার?
রওনক : হ্যাগো সত্যিই!
আমরা শ্রান্তিকর জীবনে মিশে যাবো,
বসন্তের রঙিন এনে রাঙিয়ে দিবো আমাদের প্রেমের মুহূর্তগুলো।
তোমার মনে লিখে দিবো হাজার সুখের গল্প।
রনিতা: আজ বর্নহীন মন আমার
তোমার ছোঁয়ায় হবে বর্নিল ।
রওনক:তোমার সাথে মেঘেদের মেঘবালিকার মেঘের আঁচল ছোঁবো,
সুখের নীড়ে দাঁড়িয়ে দু’জনে বৃষ্টির সাথে মাটির আলিঙ্গন দেখবো।
লিখে দিবো তোমার জন্য আমার মনের পৃথিবী।
তুমি হবে আমার সব জনমের সঙ্গী।
রনিতা: গড়বো দু’জনে সুখের প্রাসাদ।
দু’জন দুজনার হবো অবলম্বন
স্বপনে জাগরণে একহয়ে সুখ করবো অন্বেষণ।
রওনক : তবে চলো হাতে হাত রেখে হাঁটি।
১৭৬ বার পড়া হয়েছে
হাতে হাত রেখে হাঁটি
( কথোপকথন)
(মাহমুদা বেগম সিমু)