২৩৮ বার পড়া হয়েছে
দীর্ঘ সাত বছর পর শহরের ব্যস্ত রাস্তার মোড়ে অনির সাথে অরুর হঠাৎ দেখা।
দীর্ঘ সাত বছর পর অরুকে দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না অনি।হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষটি এত্ত বছর পর চোখের সামনে! বিধ্বস্ত কোলাহল ময় শহর হঠাৎ যেন এক নিমিষেই স্তব্ধ হয়ে গেল। সোডিয়াম আলোয় বিস্মিত চোখে তাকালো অনি। হুম ওটা অন্য কেউ নয় অরুই। সে কিছুটা বিস্মিত কিছুটা মর্মাহত। অনি স্তম্ভিত হয়ে দাড়িয়ে আছে। কিছুটা দ্বিধা, কিছুটা সংশয়ে। সে কি পিছু ডাকবে নাকি তাকে যেতে দেবে। যেমন যেতে সাত বছর আগেও দিয়ে ছিলো। একবার ধরে রাখতে না পারলে মানুষ বার বার চলে যায়। আর যে একবার চলে যায় তাকে আর ফেরানো যায় না। অরু চলে গিয়েছে, সঙ্গে করে সব কিছু নিয়ে গেছে। কিছুই রাখেনি। তবুও আজ ও ভালোবাসি বলতে বলতে স্বর যন্ত্রের কাচ ভেঙ্গে গেছে কিন্তু অভিমানের পাল্লা ভাঙ্গেনি দূরত্ব মেটেনি। ভালোবাসি, ভালোবাসি বলে চিৎকার করতে করতে আজ অনি থেমে গেছে । আজ আর তাকে বলার মত কোন কথাই অবশিষ্ট নেই তবে কেন পিছু ডাকা? মনের অযাচিত বাসনা গুলো তাড়না দিয়ে যাচ্ছে শুধু একবার দেখার জন্য! তবে আমি কি ক্লান্ত আকাশে উড়ে চলা সাহসী কাকের মত একবার সামনে গিয়ে বলবো আমি এখনো তোমাকে ভালোবাসি। তবে কি তাকে একবার ডাকবো! অনি চেষ্টা করলো তবে তার গলা থেকে এক অস্ফুটন আর্তনাদ ছাড়া কিছুই বেড়ুলো না। ইশ্ অরু গুটি গুটি পায়ে এক পা দু পা করে এগিয়ে যাচ্ছে আর একটু দূরত্ব বেড়ে গেলেই অরু সাথে অনির আর কোন দিন দেখা হবে না। অনি আবার অরুকে ডাকার চেষ্টা করলো স্বরনালী বদ্ধ দুয়ার খুলে আচমকা একটা শব্দ গলা থেকে বেড়িয়ে এলো , অ-রু-রু।
বহু বছর আগের চেনা কণ্ঠে নিজের নাম শুনতে পেয়ে পিছু ফিরে তাকালো অরু। অনিকে চিনতে অরুর একটুও কষ্ট হলো। কিন্তু চিনতে পারলো। বিষ্ময়ে তার হাত পা কাঁপছে, অরু ধরা গলায় বললো, এত বছর পর তুমি এখানে?
-হুম আমি। বাট তুমি এখানে কেমন করে ?
অরুর বেদনা মিশ্রিত গলায় বললো, আমাকে চিনতে কষ্ট হয়নি তোমার??
অনি স্বাভাবিক ভঙ্গিতে সামান্য হেসে উত্তর দিলো, হুম, হয়েছে তো।
তাহলে?

তোমার উপস্থিতি টের পাই তাই চিনতে সময় লাগেনি।
এখনো?
যদি বলি হুম তবে কি বিশ্বাস করবে?
হয়তো করবো হয়তো বা না।
এখনো এত্ত সংশয়।
মহাকালের দাপটে কিছুই থাকে না, না ভালোবাসা না ভয় না সংশয়। অনি! আমি কিন্তু সেদিন এসে ছিলাম। পৃথিবীর সমস্ত ভয় সংশয় উপেক্ষা করেই এসে ছিলাম। তুমি কিন্তু আসো নি।
অনি একদৃষ্টিতে তরুর পা থেকে মাথা অব্দি দেখি বললো। তরু তুমি তো আগে শাড়ি পড়তে পছন্দ করতে না। আজ এত্ত গুছিয়ে শাড়ী পড়া শিখে গেছ।
-অপছন্দ তো আরো কতো কিছুই ছিলো ।
-ঠিক, সময়ের সাথে পছন্দ-অপছন্দও বদলে যায়। আমারও গেছে।
– হুম তা খানিকটা বদলায়।
– আর খানিকটা জোর করে বদলে নিতে হয়।
-তুমিও তো বদলে গেছো। 

– বলছো?
– হুম ! যে মানুষ আমাকে একদিন না দেখলে থাকতে পারতো না সে এখন বছরের পর বছর আমাকে না দেখেই দিব্যি কাটিয়ে দিচ্ছে। আমার কথা একবার মনেও আসি তোমার। আমি কেমন আছি? কোথায় আছি কি ভাবে আছি একটা খোঁজ খবর নেওয়ার প্রযোজনা মনে করো নি??
– না করি নি। আমি জানি তুমি সুখে আছো ভালো আছো।
-ওহ্ নিজেকে এই মিথ্যা সান্ত্বনা দিয়ে বছরের পর বছর কাটিয়ে দিচ্ছ!
-কাটাতে না চাইলেও কেটে যায় কারণ সময় তার নিজস্ব নিয়মে চলে।
– হুম তা ঠিক। তারপর বলো, কেমন আছো ??
– বাহিরের চাকচিক্য আর বিলাসিতা কে যদি ভালো থাকা বলে তবে আমি ভালো আছি তুমি কেমন আছো??
-বেশ ভালো। যতটা ভালো থাকলে আর তোমাকে মনে পড়ে না, মাঝ রাতে তোমার কথা ভেবে ভেবে ফুপিয়ে কাঁদতে হয় না- ঠিক ততটা ভালো আছি। যতটা ভালো থাকলে ক্লান্ত দুপুরে আর তোমার জন্য হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয় না, ততটা ভালো আছি। যতটা ভালো থাকলে মৃতপ্রায় নিমন্ত্রণের চিঠি ভুল ঠিকানায় পৌঁছে যায়। যতটা ভালো থাকলে জ্যোৎস্নার আলো আমার আর উচ্ছ্বসিত করে না, পৃথিবীর সৌন্দর্য আমায় আর বিমুগ্ধ করে না ঠিক ততটা ভালো আছি। অতটা ভালো আছি যতটা ভাল থাকতে জীবন নামের রঙ্গমঞ্চে প্রতিনিয়ত তোমাকে ভুলে থাকার অভিনয় করতে হয়। যতটা ভালো থাকলে আমার বিশ্বস্ত আকাশ টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙ্গে যায়। যতটা ভালো থাকলে বেদনায় ক্ষত হতে হতে নিস্তব্ধ দ্বীপে নক্ষত্ররা ঝরে যায় ততটা ভালো আছি।
অরু একটু থেমে দম নিয়ে আবার বলতে শুরু করলো, বাবার ভয়ে বিয়েতে রাজি হয়ে যাওয়ার পর মনে মনে ভীষণ কষ্ট পাচ্ছিলাম। ভেবেছিলাম তুমি আমাকে ছাড়া থাকতে পারবে না। তোমার কষ্ট হবে সেই কষ্ট তোমার মৃত্যুর দুয়ার অব্দি পৌঁছে দেবে। মনে হচ্ছিলো আমি সুখী হতে পারবো না। তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারবো না। সেই ভেবেই পৃথিবীর সব ভয় সংশয় উপেক্ষা করে বিয়ের আগের দিন বাড়ি থেকে পালিয়ে ছিলাম সারা রাত অপেক্ষা করেছিলাম স্টেশনের প্লাটফর্মে। কিন্তু তুমি আসো নি। রাতের শেষ ট্রেনে আমি ফিরে এলাম বাড়ি।
তারপর সকালের ঝাঁ চকচকে রৌদ্রজ্বল এক শুক্রবারে আমার বিয়ে হয়ে গেল। বিশ্বাস কর বিয়ের পর আর এক মূহুর্তের জন্যেও সেই ভয় বা শঙ্কা কাজ করেনি । তুমি আমাকে ছাড়া দিব্যি বেঁচে আছো আমিও বেঁচে আছি। জানি এভাবেই বেঁচে থাকতে হবে শুধু ভালো থাকা আর হবে না। মৃত্যুপ্রায় শোক নিয়ে বেঁচে থাকা যায় ভালো থাকা যা না অনি। নীলাম্বরী আকাশ দেখতে দেখতে আমি না হয় জীবন পার করে দেব। তুমি ভালো থেকো
শেষ কথাটা বলতে গিয়ে অরুর ঠোঁটের কোণে বেদনার হাসি ফুটে ওঠে। অনি স্থির দৃষ্টি নিয়ে সেই হাসির দিকে তাকিয়ে রইলো।
ইশ ! সেই হাঁসি কি যন্ত্রণা কি বিষাদময় !!
অরু অনির চোখে চোখ রেখে বললো, এভাবে কী দেখছো ?
– দেখছি তোমাকে। কেমন অবলীলায় কষ্ট চেপে হেঁসে যাচ্ছ ।
– অনি এখন আমি অনেক কিছুই পারি। এই দেখ না কেমন বছরের পর বছর তোমাকে ছাড়াই থাকতে পারছি। কই আগে তো পারতাম না। আজ আর আমার কষ্ট হয় না বুকে ভেতর যন্ত্রণা হয়না। আজ কষ্টরাও আমাকে দেখলে কষ্ট পায়। আজ যন্ত্রণারাত আমাকে ছেড়ে পালাতে চায়।
– তরু তুমি এত কিছু পারলে শুধু আমাকে বিশ্বাস করতে পারবে না সে আমার জানা ছিলো না ।
অরু কথা ঘুরিয়ে বললো, এবার বল, তুমি কেমন আছো ?
শাওন বললো, যেমনটা আশা করেছিলে তেমনই আছি।
শাওন ব্যথাতুর গলায় আবার বলতে শুরু করলো, তুমি চলে যাওয়ার পর বুঝেছিলাম তুমি আমার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলে। তোমার প্রয়োজনীয়তাটা বুঝেছিলাম তুমি চলে যাওয়ার পর। কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। আমি ধরেই নিয়েছিলাম তুমি অভিমান করতে পার , আর যাই কর কখনো আমাকে ছেড়ে থাকতে পারবে না। কিন্তু তুমি আমাকে ভুল প্রমাণ করে সত্যি সত্যিই ছেড়ে গেলে। অরু বুকের জমানো ব্যথা লম্বা শ্বাসের সাথে বের করে দিয়ে বললো, ছেড়ে না গিয়ে আর কি বা করতাম বলো? নিশ্চল অন্ধকার নগরীতে তো আর একা হাঁটা যায় না! একজন কেউ লাগে।
শেষ কথাটা বলতে গিয়ে অরুর গলা কান্নায় চেপে এলো। নিজেকে সামলে নিয়ে অরু আবার বললো, তারপর ম্যাচিওর কাউকে পেলে? যে তোমাকে এখন তোমার মত করে বুঝতে পারে। তুমি বলার আগেই তোমার না বলা অনুভূতিগুলো উপলব্ধি করতে পারে? আমার মত বোকা ইমম্যাচিউর মেয়ে কি আর তোমাকে ভালোবাসতে পারে?
শাওন অপরাধী গলায় বললো, তরু বোকারাই বোধ হয় অপরকে ভালবাসতে পারে। চালাক মানুষগুলো সব সময় নিজেকেই ভালোবাসে। তারা অন্য কাউকে ভালোবাসতে পারে না ।
কথাগুলো বলে অনি স্তব্ধ হয়ে গেল।
অরু স্তব্ধতা ভেঙে বললো, তুমি বিয়ে করো নি?
– না করিনি।
-কেন?
অরু কৈফিয়ত দেবার মতো করে বললো, অরু সত্যি বলতে কি তুমি চলে যাওয়ার পর তোমার মত ইমম্যাচিউর, বোকা মেয়ে আর পাই নি, যাকে ভালোবাসা যায়। হারিয়ে যাওয়া জিনিস বোধ হয় ফিরে পাওয়া যায় না। তাই হারানোর আগেই তাকে আঁকড়ে ধরতে হয়। অরু, সত্যি করে বলতো এখনো কি আমার কথা তোমার মনে পড়ে?
অরু মাথা নীচু করে ভারী গলায় বললো, হুম পড়ে। কিন্তু প্রেমিক হিসেবে নয়, ফেলা আসা অতীত হিসেবে। আমরা যেমন আমাদের হারিয়ে যাওয়া সময়গুলোকে মনে করি ঠিক তেমন করে তোমাকেও মনে করি।
– তুমি কি এখন আর আমাকে ভালোবাসো না??
– উঁহু
– তবে যে বলতে আমাকে ছাড়া আর কখনো কাউকে ভালোবাসতে পারবে না।

অরু বললো, আসলে ভালোবাসা ব্যক্তিকেন্দ্রীক নয়,আত্নকেন্দ্রীক। একজন মানুষকে কেন্দ্র করে কখনো ভালোবাসা গড়ে ওঠেনা। গড়ে ওঠে স্বপ্নের আরাধনার কোন দেবতাকে কেন্দ্র করে। আমরা যখন মনের আরাধনায় সাজানো সেই দেবতার মতো কাউকে খুঁজে পাই তখন মনে হয় আমরা তাকেই ভালোবাসি। তুমি যখন তোমার মনের মতো কাউকে খুঁজে পাবে তখন মনে হবে তুমি তাকেই ভালোবাসো। আসলে ভালোবাসো মনের আরাধনায় সাজানো জন্ম-জন্মান্তরের কল্পনার দেবীকে। কল্পনায় সাজানো সেই দেবীর মত কাউকে পেয়ে গেলে মনে হয় ‘এই বুঝি ভালোবাসা’।
– হয়তো! অরু কথা শুনে অনি একটা ধাক্কা খেলো, তারপর মনে মনে বললো, তুমি আমার কল্পনার দেবী যাকে আমি পেয়েও হারিয়েছি। আর একবার তাকে হারিয়ে ফেললে আর কখনো পাওয়া যায় না। সেদিন তুমি বলেছিলে, অনি, তুমি যদি আমাকে ভালোবাসো তাহলে স্টেশনে চলে আসো আর যদি না ভালোবাসো তাহলে আর আসার দরকার নেই। সেদিন আমি গিয়েছিলাম তারপর অনি ক্র্যাচ ভর করে ঝুলতে থাকা পায়ের দিকে তাকিয়ে বললো কিন্তু তুমি একবাও জানতে চাওনি কেন আজ আমার দু পায়ে ভর করে চলবার ক্ষমতা নেই। তোমার হাতে হাত রেখে আজন্ম যে পথ হাঁটবার কথা দিয়েছিলে , আজ এক পা এগিয়ে গিয়ে তোমার হাত ছুঁতে পারার ক্ষমতা তার নেই। আমি গিয়েছিলাম আমার এক্সিডেন্টরত পুঙ্গ বিকল পা দুটো নিয়েই গিয়েছিলাম কিন্তু জীবনের শেষ ভালোবাসা আর বাড়ি ফেরার জন্য রাতের শেষ ট্রেন বোধ হয় কখনো কারো জন্য অপেক্ষা করে না। আমার জন্যও করেনি। চোখের পলকে কেমন হুঁ হুঁ করে ছুঁটে গেল ট্রেন। আর সঙ্গে নিয়ে গেল আমার ভালোবাসা। ছুঁটতে ছুঁটতে তুমি তোমার গন্তব্যে পৌঁছে গেলে। আর আমি পড়ে রইলাম জীবনের শেষ ট্রেনে শেষ গন্তব্যে ফেরার অপেক্ষায়।
– অরু
– হুম
– কি হলো?
– কিছু না তো
– তাহলে কথা বলছো না কেন?
– অরু আমি বরং যাই দেরি হয়ে যাচ্ছে।
– হুম যাও তোমার ঘরে ফেরার ভীষণ তাড়া।
– অরু আমি যাচ্ছি ইচ্ছে হলে ভুলে যেও না হয় মনের অলিন্দে যতন করে সাজিয়ে রেখ। আমার জন্য কষ্ট পেওনা। যে ভালোবাসে সে আজন্ম ভালোবেসেই যাবে।।
– অরু মনে মনে বললো আর আমি বাসি না! কি অনায়াসে বলছ কষ্ট পেওনা। অনি যে জীবনে এত্ত কষ্ট। সেই জীবনে আলাদা করে কষ্ট পাওয়ার মত আর কিছু নেই। এ আমার একান্ত কষ্ট । এ আমার আহত হৃদয়ের কষ্ট। শূন্য আকাশ বুকে পুষে বেড়ানোর কষ্ট। এ আমার এক সমুদ্র জমিয়ে রাখা দীর্ঘশ্বাসের কষ্ট। এ তোমায় বলতে না পারা আর্তনাদের কষ্ট। এ কষ্ট অহমিক, এ কষ্ট অনিবার্য। এ কষ্ট দিনের আলোর ন্যায় সত্য। এই কষ্ট তুমি।
এ আমার একান্ত ব্যক্তিগত কষ্ট।
অনি সিগারেট ফুকতে ফুকতে ক্র্যাচে ভর করে পাশের গলিতে ঢুকে পড়লো।
– অরু! আজ আর আমার নির্দিষ্ট কোন ঘর নেই বাড়ি ফেরার তাড়া নেই কিন্তু অরু, শেষ ট্রেনে জীবনের শেষ প্লাটফর্মে পৌঁছাবার আমার ভীষণ তাড়া। তোমায় ভালোবাসি বলবার ধৃষ্টতা আজ আর আমার নেই। তাই চলে যাচ্ছি পিছুটান না রেখেই। তুমি যেখানেই থাকো ভালো থেকো অরু।
অরু নির্বিকার শাওনের চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রইলো দেখতে দেখতেই রাতের নিয়ন আলোয় হারিয়ে গেল অনি। হারিয়ে গেল ফেলে আসা ভালোবাসা। অস্তিত্ব সূর্যের শেষ আলোর সাথে ডুবে গেল অতীত। দু ফোঁটা চোখের জল অরুর নরম গাল বেয়ে গড়ি পড়লো।
এই নির্মম বাস্তবতা কছেই হেরে যায় হাজার ও অনি অরুর ভালোবাসা। জীবনে সবচেয়ে বিরল ও দুষ্প্রাপ্য জিনিস হচ্ছে ভালবাসা। তাই সেই ভালোবাসকে অবহেলা না করে যতটুকু পাবে ততটুকু আঁকড়ে ধরা উচিৎ। বাড়ি ফেরার শেষ গাড়ি আর জীবনের শেষ ভালোবাসা একবার চলে গেলে আর ফিরে পাওয়া যায় না। তাই পাশে থাকা মানুষটিকে অবহেলা নয় বরং ভালোবেসে আঁকড়ে ধরাই যেন এক মাত্র প্রতিজ্ঞা হয়।
১ Comment
congratulations.